রাজবাড়ীর কালুখালীতে জামায়াত নেতা আশাদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের কাউসার শেখের ছেলে মো. মিজান শেখ (২৪), পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামের আসমত মণ্ডলের ছেলে মো. আনোয়ার মণ্ডল (৪৪) এবং সূর্যদিয়া গ্রামের শাহাজউদ্দীনের ছেলে মো. আব্দুল করিম মোল্লা (৩৫)।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকারের নেতৃত্বে কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, তদন্তে জানা গেছে, প্রায় ৪ মাস আগে গ্রেপ্তার মিজান শেখের কাছ থেকে আশাদুল ইসলাম ৬৮ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ে সেই টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মিজান শেখ ও তার সহযোগীরা আশাদুলকে হত্যা করে এবং পরে মরদেহে আগুন লাগিয়ে দেয়।
পুলিশ আরো জানায়, গ্রেপ্তার মিজান শেখ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
অভিযানের সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, একটি রক্তমাখা হেলমেট, একটি এসএস পাইপ (রড) এবং একটি লোহার ফোল্ডিং স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (১৫ জুন) সকালে কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া গ্রামের একটি পাটক্ষেত থেকে আশাদুল ইসলামের অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আশাদুল ইসলাম স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মী ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা শাহজাহান মণ্ডল বাদী হয়ে কালুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত চলাকালে পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।





