• ই-পেপার

ছাতকে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে সহপাঠীদের মানববন্ধন

নান্দাইলে কান ধরে উঠবস ও টাকায় রফা কিশোরী ধর্ষণের বিচার

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
নান্দাইলে কান ধরে উঠবস ও টাকায় রফা কিশোরী ধর্ষণের বিচার

পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষণচেষ্টা ও সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া কিশোরী ধর্ষণের বিচার হল কান ধরে উঠবস ও মোটা অঙ্কের টাকায় রফা। সাবেক ও বর্তমান দুই ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে এমন বিচার হয় ময়মনসিংহের নান্দাইলের রাজগাতি ও নান্দাইল সদর ইউনিয়নের দুই গ্রামে।

স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে ওই দুই এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, নান্দাইল উপজেলার দাতারাটিয়া গ্রামে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয় গত প্রায় ১২ দিন আগে। এ ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্ত ধর্ষককে রক্ষায় নামে গ্রামের একটি চক্র। তারা ঘটনা ধামাচাপা দিতে দফায় দফায় টাকায় রফা করে। পরে গত শনিবার এলাকার এক ইউপি সদস্যসহ বেশ কয়েকজন সালিসকারী সালিসির আয়োজন করে অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রামের ইয়াকুবের ছেলে আলী নুরুল আমীন (৩৫)কে রক্ষায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ধার্য্য করে ধর্ষণের মতো ঘটনা মীমাংসা করে ফেলে।

এর আগে ঘটনা সম্পর্কে জানতে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাড়িতে গেলে ওই কিশোরী তার নির্যাতনের কথা বর্ণনা করেছিলেন। ওই সময় কিশোরীর দাদা এ প্রতিনিধিকে অনুরোধ করেছিলেন এখনি কোনো সংবাদ প্রকাশ না করতে। যদি মিমাংসা হয়ে যায় তাহলে নাতনির বিষয় নিয়ে তিনি এগুবেন না। মিমাংসার পর তাকে ফোন দিলে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি। তবে কিশোরীর বাড়ির বেশ কয়েকজন জানান, তিন লাখ টাকা রফায় ঘটনাটি মিমাংসা করে দিয়েছেন একজন ইউপি সদস্য।

অপরদিকে গত রবিবার দুপুরে ধর্ষণচেষ্টার শিকার হন নান্দাইল উপজেলার রাজগাতি ইউনিয়নের পূর্ব দরিল্লাহ গ্রামের হতদরিদ্র এক কৃষকের পাঁচ বছর বয়সের এক শিশু। জানা গেছে, ওই শিশু দুপুরে বাড়ির সামনে একটি মসজিদের টিউবওয়েলে গোসল করতে যায়। সেখানে পাশের বাড়ির ছমির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আলী (৩৫) একা পেয়ে গোসল করিয়ে দেওয়ার কথা বলে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ওই সময় শিশুটি চিৎকার দিলে একজন দেখতে পেয়ে কাছে যায়। পরে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাটি নিয়ে শিশুর বাবা বিচার চাইলে এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য শাহিন গত সোমবার সকালে শিশুর বাড়ির উঠানে সালিসের আয়োজন করে। ওই সালিসে অভিযুক্ত ও ধর্ষণের চেষ্টার শিকার শিশুসহ তাদের পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিল। এ অবস্থায় ধর্ষককে চরথাপ্পড়, কানধরে উঠবস ও জুতা পেটা করে বিচার শেষ করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সালিসের আয়োজক শাহিন মেম্বার জানান, বিষয়টি খুব বেশি বড় না হওয়ায় অল্পতেই শেষ করে দিলাম। তাছাড়া অভিযুক্ত ছেলেটির পরিবার গরিব। অন্যদিকে দাতারাটিয়া গ্রামের ঘটনায় মেম্বার আব্দুল কদ্দুস বলেন, মেয়েটি একেক সময় একেক কথা বলে। তাই বিষয়টি গুরুত্ব কম বিধায় মেয়ের পরিবার মামলায় যাইতে চায়নি।

এ বিষয়ে নান্দাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম বলেন, দুটি ঘটনারই পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারত।

নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল দাসপাড়ায় গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিখোঁজ থাকা রিফাত (২৮) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে নরসিংদীর করিমপুর এলাকায় মেঘনা নদী থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সন্ধ্যায় মৃতের বোন এসে মরদেহটি তার ভাইয়ের হিসেবে শনাক্ত করেছে। এখন মরদেহের পোস্ট মর্টেম করার পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় মৃতের পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।’

নিহতের বোন মুক্তা বেগম অভিযোগ করেন, তার ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি জানান, মরদেহে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের আলামত দেখা গেছে। দাফন শেষে এ ঘটনায় মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত রিফাতের স্ত্রী ও তিন মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

এর আগে, গত রবিবার (১৪ জুন) রাতে নবীনগর উপজেলার বাড়াইল দাসপাড়ায় সশস্ত্র হামলা ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় কনিকা দাস (৪০) নামের এক নারী আহত হন। ঘটনার পর থেকেই রিফাত নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার মৃত্যু ও মরদেহ গুমের বিষয়ে এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জেরেই হামলা ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল ইসলাম বলেন, ‘রিফাতের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি আমরা জেনেছি। নিহতের পরিবার মামলা করলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

তিনি আরো জানান, যেহেতু মরদেহটি নরসিংদীতে উদ্ধার হয়েছে, সেখানেও মামলা করার সুযোগ রয়েছে।

প্রেমের সম্পর্কের জেরে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রেমের সম্পর্কের জেরে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ
আল আমিন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি ঘিরে এক তরুণীকে মারধর, আটকে রাখা এবং স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী (২৭) রবিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের আল আমিনের (২৬) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে আল আমিন তাকে বিয়ের আশ্বাসে গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘদিন সম্পর্ক চলার পর সম্প্রতি বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে আল আমিন বিষয়টি এড়িয়ে যেতে শুরু করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এরই মধ্যে গত ৬ জুন সন্ধ্যায় আল আমিনের বাড়িতে গেলে তাকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করেন ফাতেমা।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য, ‘দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখেন আল আমিন। বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে তার বাড়িতে গেলে আমাকে একটি ঘরে আটকে রেখে মারধর করা হয়। আমার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও নগদ টাকা নিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’

অভিযোগে আরো বলা হয়, ঘটনার সময় আল আমিনের পরিবারের কয়েকজন সদস্যও উপস্থিত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি জানতে পেরে তাকে উদ্ধার করেন।

ওই নারী দাবি করেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ কারণে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই তরুণী বলেন, আল আমিন আমার সব শেষ করে দিয়েছে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার সঙ্গে একাধিকবার গভীর সম্পর্কে জড়িয়েছে। এখন সে আমাকে অস্বীকার করছে। আমি একবার ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম। তখন আল আমিনের পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি সুরাহা করা হবে বলে আমাকে বলা হয়। কিন্তু এরপরও তারা নানাভাবে আমার সঙ্গে তালবাহানা করছে। আল আমিনকে না পেলে আত্মহত্যা করা ছাড়া আমার কোনো পথ থাকবে না।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আল আমিন বলেন, মেয়েটির সঙ্গে আমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয়। এরপর কথাবার্তা ও দেখা সাক্ষাৎ হতো। আমি তাকে বিয়ে করার কোনো প্রতিশ্রুতি দেই নাই। কোনো শারীরিক সম্পর্ক আমাদের হয় নাই। তাকে মারধর, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সত্য নয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোসাইন বলেন, অভিযোগের পর থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘অবৈধ দেয়াল’ ভাঙলো বিক্ষুব্ধ জনতা, নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ির পথ উন্মুক্ত

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
‘অবৈধ দেয়াল’ ভাঙলো বিক্ষুব্ধ জনতা, নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ির পথ উন্মুক্ত
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁওয়ে অবস্থিত নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ি জাদুঘরের ঐতিহাসিক প্রবেশপথে নির্মিত ‘অবৈধ ইটের দেয়াল’ গুঁড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। সোমবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম নারী নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ির গেজেটভুক্ত প্রবেশপথটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর রাতে ছৈয়দ আলী নামের এক ব্যক্তি ইটের দেয়াল নির্মাণ করে বন্ধ করে দেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে পথটি বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, জমির মালিকানা দাবি করে ২০২৪ সালের ৩ মার্চ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন ছৈয়দ আলী, যা বর্তমানে বিচারাধীন। তবে মামলার নিষ্পত্তির আগেই প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা, ওয়াকফ এস্টেট প্রশাসন ও সচেতন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়রা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার অবৈধ দেয়াল অপসারণের জন্য নোটিশ দেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। পরে জনরোষের মুখে সোমবার রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা দেয়ালটি ভেঙে ফেলে এবং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা প্রবেশপথ পুনরায় উন্মুক্ত করে।

ওয়াকফ এস্টেট প্রশাসনের এক প্রতিনিধি বলেন, ঐতিহাসিক স্থাপনার প্রবেশপথ এভাবে বন্ধ করে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি নিয়ে তারা শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন।

স্থানীয় আইনজীবী ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, ‘আইনগতভাবে কোনো চলাচলের পথ বন্ধ করা যায় না। এমনকি জমির মালিকানা থাকলেও জনসাধারণের ব্যবহৃত প্রবেশপথ বন্ধ করা বেআইনি।’

এ বিষয়ে লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা বলেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি ও জাদুঘরটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর একটি। প্রতি বছর দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী এ স্থাপনা দেখতে আসেন।