• ই-পেপার

ছাতকে বিপুল ভারতীয় নিষিদ্ধ বিড়ি উদ্ধার

তথ্য প্রতিমন্ত্রী

গুজব ও অপতথ্য মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা নিতে হবে

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
গুজব ও অপতথ্য মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা নিতে হবে
ছবি : কালের কণ্ঠ

গুজব ও অপতথ্য ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গুজব ও অপতথ্য মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা নিতে হবে। 

সোমবার (১৫ জুন) ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপন ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ইয়াসের খান বলেন, ‘নির্বাচনের সময় ব্যক্তিগতভাবে অপতথ্যের শিকার হয়েছি। এখন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুজব ও অপতথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এটি মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।’ 

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়িয়ে সাংবাদিকদের দক্ষ করে তুলতে সারা দেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নেওয়া হবে। সমাজে নানা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সাংবাদিকদের আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।’

নান্দাইল উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত সাংবাদিকদের মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও এআই বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণটি সমন্বয় ও সভা সঞ্চালনা করেন পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নান্দাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি এনামুল হক বাবুল, প্রেস ক্লাব নান্দাইল সভাপতি হান্নান মাহমুদ। প্রশিক্ষণে নান্দাইল উপজেলার ৩৫ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

হঠাৎ অসুস্থ মাগুরার ডিসি, বিশেষ হেলিকপ্টারে আনা হলো ঢাকায়

মাগুরা প্রতিনিধি
হঠাৎ অসুস্থ মাগুরার ডিসি, বিশেষ হেলিকপ্টারে আনা হলো ঢাকায়
ছবি : কালের কণ্ঠ

মাগুরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোতাকাব্বীর আহমেদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টারে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে মাগুরার জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন মোতাকাব্বীর আহমেদ। যোগদানের পর থেকে তিনি মাগুরা সার্কিট হাউসে অবস্থান করছিলেন। রবিবার গভীর রাতে হঠাৎ পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পর চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সোমবার বিকেল ৪টার দিকে মাগুরা স্টেডিয়ামে অবতরণ করা বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবীর জানান, জেলা প্রশাসক পেটে ব্যথাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যথা কিছুটা কমলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মেহেদী হাসান বলেন, ‘সাধারণত পাকস্থলীর এ ধরনের সমস্যাকে পারফোরেশন বলা হয়ে থাকে। এটি এসিডিটিসহ বিভিন্ন কারণে হতে পারে।’

এদিকে জেলা প্রশাসকের অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শৈশবের বিদ্যাপীঠে ফিরে আবেগাপ্লুত মেজর জেনারেল মাহবুব হায়দার

মোরেলগঞ্জ(বাগেরহাট) প্রতিনিধি
শৈশবের বিদ্যাপীঠে ফিরে আবেগাপ্লুত মেজর জেনারেল মাহবুব হায়দার
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ৬০ বছর পর শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত বিদ্যাপীঠে ফিরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মেজর জেনারেল মাহবুব হায়দার খান। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে হেলিকপ্টার করে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ অম্বিকাচরনলাহা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অবতরন করেন তিনি।

তার সফর সঙ্গী হিসেবে ছিলেন নেপালের আর্মির মেজর জেনারেল ঝংকার কায়াত, বিশিষ্ট পাখি বিশেষজ্ঞ কাজী আহমেদ হোসাইন ও তার ছেলে মানসিব খান।

বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ ও পুরনো স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখে মেজর জেনারেল মাহবুব হায়দার খান বলেন, ‘এই বিদ্যালয় শুধু আমার শিক্ষার ভিত্তি নয়, আমার চরিত্র ও জীবনবোধ গঠনের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। ৬০ বছর পর এখানে ফিরে এসে মনে হচ্ছে আমি আবার আমার শৈশবে ফিরে গেছি।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সততা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের চেতনায় নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।’ কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, প্রতিষ্ঠানের একজন কৃতী শিক্ষার্থী হিসেবে মেজর জেনারেল মাহবুব হায়দার খানের এই সফর বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

‘আমার বাবা একাত্তরের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, মরদেহ খুঁজে পাইনি’

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
‘আমার বাবা একাত্তরের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, মরদেহ খুঁজে পাইনি’
ছবি: কালের কণ্ঠ

‘আমার বাবা ছিলেন সম্মুখযোদ্ধা, তিনি একাত্তরের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন। তার মরদেহও আমরা খুঁজে পাইনি। সান্ত্বনা এটুকুই, তিনি দেশের জন্য এবং এ দেশের মানুষের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।’

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ অম্বিকাচরনলাহা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে মেজর জেনারেল মাহবুব হায়দার খান (অব.) এসব কথা বলেন।

মাহবুব হায়দার খান বলেন, এই বিদ্যালয় শুধু আমার শিক্ষার ভিত্তি নয়, আমার চরিত্র ও জীবনবোধ গঠনের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। ৬০ বছর পর এখানে ফিরে এসে মনে হচ্ছে আমি আবার আমার শৈশবে ফিরে গেছি। জীবনের নানা সাফল্য ও অর্জনের পেছনে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অবদান রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সততা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের চেতনায় নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নেপালের আর্মির মেজর জেনারেল ঝংকার কায়াত, বিশিষ্ট পাখি বিশেষজ্ঞ কাজী আহমেদ হোসাইন ও তার ছেলে মানসিব খান।