• ই-পেপার

ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে নেত্রকোনায় ছাত্রদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

ঝিনাইদহে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের প্রীতি ম্যাচ, গোলশূন্য ড্র

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
ঝিনাইদহে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের প্রীতি ম্যাচ, গোলশূন্য ড্র
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমী ও উৎসবমুখর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ।

রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে নলডাঙ্গা ভূষণ স্কুল মাঠে কালিগঞ্জ ক্রীড়া ফেডারেশনের আয়োজনে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

খেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি কালিগঞ্জ ক্রীড়া ফেডারেশনের উপদেষ্টা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ।

বর্ণাঢ্য সাজসজ্জা ও উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থক দল মাঠে প্রবেশ করেন দর্শকদের মধ্যে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।

রেফারির বাঁশিতে খেলা শুরু হওয়ার পর প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধে জুড়ে উভয় দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়।

একাধিক গোলের সুযোগ সৃষ্টি হলেও কোনো দলই জালের দেখা পায়নি।

ফলে ম্যাচটি গোল শূন্য ড্রয়ে শেষ হয় এবং উভয় দলকে যৌথভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

মাঠ জুড়ে ছিল দর্শকের উপচে পড়া ভিড়। প্রিয় দলের পতাকা, জার্সি ও স্লোগানের মুখর হয়ে ওঠে পুরো খেলার পরিবেশ।

খেলার শেষে কালীগঞ্জ ক্রীড়া ফেডারেশনের সভাপতি ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আশরাফুজ্জামান রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কৃতী ফুটবলার রহমানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলার যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মিলন, ক্রীড়া সংগঠন অজিত কুমার, সাংবাদিক জামির হোসেন, তৌফিকুর রহমান কাজল, নুরুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান মুকুল, লিখন ও আশরাফুল আলমসহ ক্রীড়া ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

খেলার রেফারি দায়িত্ব পালন করেন অন্তনু বিশ্বাস, রাসেল হোসেন ও জামাল হোসেন। ধারাভাষ্য প্রদান করেন রবিউল ইসলাম।

গীতিকার ও সুরকার মোস্তফা নূরুজ্জামানকে খুলনায় সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
গীতিকার ও সুরকার মোস্তফা নূরুজ্জামানকে খুলনায় সংবর্ধনা
ছবি : কালের কণ্ঠ

উন্নয়ন সংস্থা ‘সুশীলন’-এর নির্বাহী প্রধান গীতিকার ও সুরকার মোস্তফা নূরুজ্জামানকে সংবর্ধনা দিয়েছে সুরশ্রী সংগীত অ্যাকাডেমি। রবিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় খুলনার উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এসময় সংবর্ধিত অতিথি মোস্তফা নূরুজ্জামান ও শিল্পী অনিমেষ বড়াল সংগীত পরিবেশন করেন।

সুরশ্রী সংগীত অ্যাকাডেমির সভাপতি এস এম জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে সংবর্ধিত অতিথিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে অতিথিদের বরণ ও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সুরশ্রী সংগীত অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক অনিমেষ বড়াল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সুশীলনের পরামর্শক শেখ আমিরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসা হেমায়েত আলী, সুশীলনের উপ-পরিচালক ডি এম মনিরুজ্জামান, শিরিনা আক্তার ও শাহিনা পারভীন এবং সুর ঝঙ্কার অ্যাকাডেমির কার্যকরী সভাপতি রাজ্জাক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জি এম মইনউদ্দিন।

সুরশ্রী সংগীত অ্যাকাডেমির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট অসীম কুমার বৈদ্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সংবর্ধনা পর্বে উপকূল বন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানকে উত্তরীয়, সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। এ সময় তিনি নিজের লেখা কবিতা আবৃত্তি এবং গান পরিবেশন করেন। পরে বক্তব্যে তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সমাজকে সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপকূল বন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানের সাহিত্য, সংগীত ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। তারা উপকূলীয় অঞ্চলের মানবিক উন্নয়ন ও সংস্কৃতি বিকাশে সংবর্ধিত অতিথির বিশেষ অবদানের তুলে ধরেন। 

অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল অনিমেষ বড়ালের একক সংগীত পরিবেশনা। তিনি উপকূল বন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানের রচিত জনপ্রিয় গান থেকে বাছাইকৃত একাধিক গান পরিবেশন করে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গ, শিল্পী ও সংগীতপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।

মিরসরাইয়ে উমরাহ প্রশিক্ষণ কর্মশালা

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে উমরাহ প্রশিক্ষণ কর্মশালা
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বারইয়ারহাট মেট্রো ট্রাভেল সার্ভিসের উদ্যোগে উমরাহ পালনকারীদের জন্য এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে বারইয়ারহাট পৌরসভার কাশবন রেস্টুরেন্টে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

বারইয়ারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আনছারীর সভাপতিত্বে এবং মাওলানা আসাদ উল্লাহ, মো. মুসলিম উদ্দিন আরীফ ও ক্বারী মাওলানা মো. নোমানের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মিঠাছরা ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক উপাধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল বাকী নিজামী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অলিনগর বজল আহমদ চিশতিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আসাদ উল্লাহ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঐতিহাসিক ছুটি খাঁ জামে মসজিদের খতীব আলহাজ্ব মাওলানা নুরুল আলম তৌহিদী এবং জেবি উচ্চ বিদ্যালয়ের হেড মাওলানা নুরুল আনোয়ার। এছাড়া বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক, বিভিন্ন মসজিদের খতীব, আলেম-ওলামা এবং উমরাহ যাত্রীরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে উমরাহ যাত্রীদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল বাকী নিজামী বলেন, হজ ও উমরাহ শুধু একটি সফর নয়, এটি আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক মহামূল্যবান সুযোগ। তাই পবিত্র এ ইবাদত যথাযথ নিয়ম-কানুন ও সুন্নাহ অনুযায়ী আদায়ের জন্য পূর্ব প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ অতিথি আলহাজ্ব মাওলানা নুরুল আলম তৌহিদী বলেন, উমরাহ পালনকারীদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এর মাধ্যমে যাত্রীরা ইহরাম, তাওয়াফ, সাঈসহ উমরাহর বিভিন্ন বিধি-বিধান সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করেন এবং নির্বিঘ্নে ইবাদত সম্পন্ন করতে পারেন।

মাওলানা নুরুল আনোয়ার বলেন, উমরাহ যাত্রা একজন মুসলমানের জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অধ্যায়। শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতির পাশাপাশি ইসলামী বিধান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ইবাদতের প্রকৃত সৌন্দর্য ও তাৎপর্য উপলব্ধি করা সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আনছারী বলেন, ‘আগামী ২৫ জুন ৮৫ জনের একটি উমরাহ কাফেলা নিয়ে আমরা পবিত্র কাবার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবো। যাত্রীরা যেন সঠিকভাবে উমরাহর সকল আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। উত্তর চট্টগ্রামে আমরা নিয়মিত হজ ও উমরাহ কাফেলা পরিচালনা করে আসছি এবং প্রতি মাসেই আমাদের কাফেলা রয়েছে।

কুষ্টিয়া সীমান্তে শূন্যরেখায় অবস্থানরত শিশুসহ ১২ জন অসুস্থ

তারিকুল হক তারিক, কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়া সীমান্তে শূন্যরেখায় অবস্থানরত শিশুসহ ১২ জন অসুস্থ
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে পুশ ইনের চেষ্টার শিকার নারী, পুরুষ, শিশুসহ ১২ জন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে আড়াই বছরের শিশু সামাদসহ চার শিশু তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া বড়দের ঠান্ডা, কাশিসহ নানান শারীরিক দুর্বলতার উপসর্গ দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে ৫ দিন ধরে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় পাটক্ষেতে খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টি ও গরমের মধ্যে এক কাপড়ে অবস্থানের কারণে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এসব কারণে তাদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানান, অসুস্থদের মধ্যে চারজন শিশু রয়েছে। শিশু সামাদের শারীরিক অবস্থা সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক। বিজিবির কড়া নজরদারি থাকলেও মানবিক কারণে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা তাদের জন্য শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং স্থানীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যবস্থা করেছেন।

এদিকে শূন্যরেখায় অবস্থানরত ১২ জনকে ঘিরে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করলেও নতুন করে আরো তিনটি পৃথক সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে আবারও পুশ ইনের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

গত শুক্রবার দিবাগত রাতে চর বিলগাতুয়া সীমান্ত দিয়ে ৪ জন এবং জয়পুর সীমান্ত দিয়ে আরো ৮ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। এ ছাড়া গত রবিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চল্লিশপাড়া সীমান্ত দিয়ে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে পুশ ইনের চেষ্টা করলে বিজিবি তাকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠায়। বিজিবি জানায়, তাদের কড়া নজরদারি ও টহলের কারণে এসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

বিজিবি জানায়, গত শুক্রবার (১২ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বিলগাথুয়া সামান্ত দিয়ে বিএসএফ নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় সমাধানের লক্ষ্যে ওই দিন বিকেল ৪টায় পতাকা বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বিএসএফের অসহযোগিতার কারণে বৈঠকটি হয়নি।

পরবর্তীতে গত শনিবার (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস পিলার সংলগ্ন এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ১২ জন ব্যক্তি এখনও পর্যন্ত গত ৫ দিন ধরে শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির উপ-অধিনায়ক নুরুল হুদার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল এবং বিএসএফের পক্ষে রানীনগর কম্পানি কমান্ডার এসি সুনিল কুমার ইয়াদবের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।

বৈঠকে বিএসএফ দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইনের অভিযোগ অস্বীকার করে এবং শূন্যরেখায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে নিতে রাজি হয়নি। এ অবস্থায় বিজিবি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানালে বিএসএফ বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাতে সময় চায়।

এরই মধ্যে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষি বাহিনী বিএসএফ প্রতি রাতেই পুশ ইনের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনতার কঠর নিরাপত্তায় তারা বার বার ব্যর্থ হচ্ছে বলেও জানান বিজিবি সূত্র।

এদিকে পুশ ইনের শিকার ব্যক্তিরা নিজেদের বাংলাদেশের নাগরিক বলে দাবি করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার উজির আলী (৫০), তার স্ত্রী জয়নুর বেগম (৩৫), ছেলে শিহাদ (১৭), ইনজামুল (৮) ও আড়াই বছরের শিশু সামাদ। এছাড়া সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আরও দুটি পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন।

স্থানীয় চিকিৎসক শহিদুল ইসলাম বলেন, মানবিক কারণে তাদের খোঁজ নিতে গিয়ে দেখি চারজন শিশু রয়েছে। এর মধ্যে আড়াই বছরের একটি শিশু উচ্চ জ্বরে আক্রান্ত। তাছাড়া বিভিন্ন বয়সের আরও তিনটি শিশু শর্দি, কাশি ও জরে আক্রান্ত। আমি প্রাথমিক চিকিৎসা ও ওষুধ দিয়ে এসেছি। বড়রাও ঠান্ডা-কাশিতে ভুগছেন। তারা জানিয়েছেন, ১২ থেকে ১৫ দিন ধরে তারা গোসল করতে পারেননি এবং এখন ৫ দিন ধরে খোলা মাঠে অবস্থান করছেন।

কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি কালের কন্ঠকে বলেন, বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়েছে। বিএসএফ পুশ ইনের অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টি তদন্তের জন্য সময় চেয়েছে। বর্তমানে ১২ জন ব্যক্তি শূন্যরেখার প্রায় ৫০ মিটার ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছি কোনো পুশ ইন বরদাশত করা হবে না।