• ই-পেপার

চাটমোহরে বৃদ্ধের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

দাউদকান্দিতে ইউনিয়ন আ. লীগ সেক্রেটারিসহ গ্রেপ্তার ৬

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
দাউদকান্দিতে ইউনিয়ন আ. লীগ সেক্রেটারিসহ গ্রেপ্তার ৬
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ইউনয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ বিভিন্ন মামলার ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) সকাল থেকে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- মালিগাও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন (৬০), চেক মামলায় আসামি গৌরীপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের আলমাস বেপারীর ছেলে দ্বীন ইসলাম (৫৫), নিশ্চিতপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মো সাগর আহম্মেদ (২৫), দোনারচর গ্রামের -মৃত আমির হোসেন ছেলে মো. শাহীন আহমেদ বাবু (৩৬), মোবারকপুর গ্রমের মৃত মো. শহীদ মিয়া ছেলে মো. সাগর (২২) ও ইছাপুর গ্রামের মোহাম্মদ রশিদ মিয়ার ছেলে মো. ইমরান (১৭)। বুধবার বিকেল তাদেরকে কুমিল্লা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য ১ জন, পরোয়ানাভুক্ত আসামি-১, নিয়মিত চুরি মামলার আসামি-২, নিয়মিত মারামারি মামলার আসামি-৩ জনসহ সর্বমোট ৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মো. আ. বারী জানান, গ্রেপ্তার ৬ আসামিকে বিকেলে কুমিল্লা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

পিরোজপুরে শ্রমিক সংকট, পাকা ধান নিয়ে বেকায়দায় কৃষক

পিরোজপুর প্রতিনিধি
পিরোজপুরে শ্রমিক সংকট, পাকা ধান নিয়ে বেকায়দায় কৃষক
ছবি: কালের কণ্ঠ

পিরোজপুরে কৃষি শ্রমিক সংকটে ধান সংগ্রহ করতে পারছেন না কৃষকরা। এতে মাঠের পাকা বোরো ধান নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন তারা। কৃষকরা বলছেন, সরকারিভাবে তদারকি করা না হলে দিন দিন এই এলাকায় ধান চাষ বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারেন তারা।

পিরোজপুর সদরের কয়েকটি গ্রামের কৃষিজমির মাঠ ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বাতাসে দুলছে কৃষকের স্বপ্নের সোনালী ধান। ইতোমধ্যে মাঠের অধিকাংশ ধান পাকলেও প্রয়োজনীয় কৃষিশ্রমিক মিলছে না। ফলে মাঠের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছেন না তারা।

পিরোজপুর কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলায় ৩৫ হাজার ৯৩ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ৩৪ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। পরিবেশ অনুকূল থাকায় এ বছর ধানের ফলনও ভালো হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন ভালো হলেও তার সুফল ঘরে তুলতে পারছেন না কৃষকরা। শ্রমিক সংকটে দ্রুত সময়ে ধান সংগ্রহ করতে না পারায় বর্ষা আর বাতাসে পাকা ধান নুয়ে পড়ছে। ধান পেকে ঝরে যাওয়ায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

আরো পড়ুন
টাঙ্গাইলে উদ্বৃত্ত ৪০ হাজার পশু, শঙ্কায় খামারিরা

টাঙ্গাইলে উদ্বৃত্ত ৪০ হাজার পশু, শঙ্কায় খামারিরা

 

পিরোজপুর সদর উপজেলার রায়েরকাঠী এলাকার কৃষক ফজলু হাওলাদার বলেন, এ বছর ৫ বিঘা জমিতে লাল তীর ময়না ও হীরা টু জাতের ধান চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। অধিকাংশ ধানই পেকে গেছে। কিন্তু শ্রমিক সংকটে ধান কাটতে পারছি না। শ্রমিক পাওয়া গেলেও তারা ৯০০-১০০০ টাকা দাবি করছেন। সঙ্গে তাদের দুই বেলা খাবার দিতে হয়। সবমিলিয়ে এক হাজার টাকার ওপর খরচ পড়ে যায়। কিন্তু ধান বিক্রি করতে গেলে ধানের মন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার বেশি পাওয়া যায় না।

তিনি আরো বলেন, এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে ১৮ থেকে ২০ টাকা খরচ হয়। তাই ধান চাষ দিন দিন লোকসানে পরিণত হচ্ছে। সরকারিভাবে তদারকি করা না হলে এই এলাকার কৃষকরা ধান চাষ বন্ধ করে দিতে পারেন। 

পিরোজপুর কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, ইতোমধ্যে ৫৫ ভাগ ধান কাটা হয়েছে। কৃষক সংকট সমাধানে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। পাশাপাশি যান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় ধান কাটতে কৃষকদের উৎসাহ দিচ্ছে কৃষক বিভাগ। 

এ বছর জেলায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার ৩০ মেট্রিক টন রোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়ার আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।

রংপুরে ক্যাসিনো চক্রের আস্তানায় ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৮

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরে ক্যাসিনো চক্রের আস্তানায় ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৮
সংগৃহীত ছবি

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ার আস্তানায় অভিযান চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় অনলাইন জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন জড়িত থাকলেও তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৯ মে) ভোরে পীরগঞ্জ উপজেলার ১২ নম্বর মিঠিপুর ইউনিয়নের মাদারগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ পাশে মাদরাসা মোড় সংলগ্ন একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। দীর্ঘ সময় নজরদারির পর ডিবির একটি বিশেষ দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় বাড়ির ভেতরে অনলাইন ক্যাসিনো পরিচালনার প্রমাণ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকেই ৮ জনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, দুটি কম্পিউটার মনিটর, একটি সিপিইউ, ১৩টি স্মার্টফোন এবং ২৬টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়।

পুলিশের দাবি, এসব ডিভাইস ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনভিত্তিক জুয়া ও ক্যাসিনো কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। দেশের বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যুক্ত করে অর্থ লেনদেনেরও তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

রংপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, বর্তমানে অনলাইনভিত্তিক জুয়া ও ক্যাসিনো কার্যক্রম সমাজে নতুন ধরনের অপরাধ হিসেবে বিস্তার লাভ করছে। তরুণদের একটি অংশ সহজে অর্থ উপার্জনের আশায় এসব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এ ধরনের অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্তে কাজ চলছে। পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

টাঙ্গাইলে উদ্বৃত্ত ৪০ হাজার পশু, শঙ্কায় খামারিরা

চোরাইপথে পশু আমদানি বন্ধের দাবি

কাজল আর্য, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে উদ্বৃত্ত ৪০ হাজার পশু, শঙ্কায় খামারিরা
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাটুলি এলাকার একটি খামারে। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলায় কোরবানির পশুর রেকর্ড জোগান তৈরি হয়েছে। চাহিদা মিটিয়েও এবার জেলায় প্রায় ৪০ হাজার গবাদি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। এসব পশু বিক্রি হবে কিনা, তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন খামারিরা।

খামারিরা বলছেন, বিপুল সম্ভাবনা সত্ত্বেও চোরাইপথে ভারতীয় গরু আমদানি, পশুর হাটে অতিরিক্ত টাকা আদায়, জাল টাকার কারবারিদের দৌরাত্ম্য, হাইওয়ে ও হাটে চাঁদাবাজি এবং অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ার আশঙ্কায় তারা উদ্বিগ্ন।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ১২ উপজেলায় গড়ে ওঠা ২৬ হাজার ৭৫৯টি ছোট-বড় খামারে এবার কোরবানির জন্য মোট দুই লাখ ৩৩ হাজার ৯৯৩টি পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ষাঁড়, বলদ, গাভী, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। জেলায় এবার কোরবানির পশুর মোট চাহিদা রয়েছে এক লাখ ৯৫ হাজার ১৭৮টি। ফলে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পরও ৩৯ হাজার ৯৮৩টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

এদিকে, কোরবানির এই বিশাল পশুর সমাগম ঘিরে টাঙ্গাইলের পাঁচ শতাধিক স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট এখন অনেকটা উৎসবমুখর। এর মধ্যে বিশেষভাবে নজর কাড়ছে ভুঞাপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোবিন্দাসী গরুর হাট, যা দেশের অন্যতম বড় পশুর হাট হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত বেবিস্ট্যান্ড পশুর হাট; করটিয়া ও রসুলপুর এবং  তোরাপগঞ্জ হাট জমে উঠছে। এসব হাটের পাশাপাশি টাঙ্গাইলে এবার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন পশুর হাট ও ডিজিটাল কেনাবেচা।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও খামারিদের নিজস্ব উদ্যোগে ফেসবুক পেজ ও ডিজিটাল প্লাটফর্মে পশুর ছবি, ভিডিও, ওজন ও দামসহ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে। ফলে ঘরে বসেই অনেক ক্রেতা পছন্দের পশু কিনতে পারছেন, যা হাটের বাড়তি চাপ ও ভোগান্তি কমাচ্ছে। 

খামারিরা জানান, পশুর খাবারের মূল্য অনেক বেড়েছে। চড়া দামে খড়, ভুষি ও খৈল কিনে কয়েক মাস ধরে পশু লালন-পালন করতে গিয়ে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। তার ওপর তাদের জন্য আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতীয় গরুর  চোরাচালান। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চোরাই পথে ভারতীয় গরু দেশে ঢুকলে দেশি  পশুর বাজার ধসে পড়বে। এতে লোকসানের মুখে পড়ছেন জেলার ২৬ হাজারেরও বেশি খামারি। পাশাপাশি হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়, পকেটমার ও মলম পার্টির উপদ্রব, ক্রেতা-বিক্রেতাদের হঠাৎ অসুস্থতা এবং জাল টাকার চক্রের সক্রিয়তা মাঠপর্যায়ে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।  যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

খামারিদের দাবি, দেশের খামারিদের রক্ষা, ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে   খাতকে বাঁচাতে অবিলম্বে কিছু সমন্বিত পদক্ষেপ দিতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন, চিকিৎসা ক্যাম্প ও ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম গঠন, চোরাচালান রোধে কঠোর নজরদারি, টোল আদায়ে সতর্কতা, জাল টাকা রোধে ব্যাংকের বুথ স্থাপন এবং হাইওয়ে ও পশুরহাটে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের চৌ-বাড়িয়ায় রহমান অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক দেওয়ান সুমন আহমেদ বলেন, দিন দিন পশুর খাবারের বাড়তি দামে খামারিরা হতাশায় ভুগছেন। গতবছর ঈদে আমি ৩৮টি গরু বিক্রি করেছি। এবছরও ৩৪টি বিক্রি করার ইচ্ছা রয়েছে।

কালিহাতী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু সাইম আল সালাউদ্দিন বলেন, উপজেলায় এক হাজার ৭০৩টি গরু ও ছাগলের খামার গড়ে উঠেছে। ২০ হাজার ৫৬৯টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। চাহিদা রয়েছে ১৭ হাজার ৯৭১টি। এর মধ্যে উদ্বৃত্ত রয়েছে দুই হাজার ৫৯৮টি পশু। খামারিরা কোরবানির ঈদে তাদের পালিত পশু বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছেন।

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, সদরে প্রান্তিক খামারিদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। এছাড়া পশুর হাটে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ডা. শহীদুল আলম বলেন, ইতোমধ্যে জেলায় খামারিদের মানসম্পন্ন গরু-ছাগল উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে খামারিরা লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়াচ্ছেন।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হেলাল উদ্দিন খান বলেন, হাটগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে জেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটগুলোতে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম রাখা হয়েছে।