দেশের নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে এনে কৃষি, পরিবেশ ও জনজীবনের ভারসাম্য রক্ষায় সরকার বৃহৎ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও ভরাটের কারণে দেশের অধিকাংশ নদী আজ নাব্যতা হারিয়ে সংকটে পড়েছে। এর প্রভাব কৃষি উৎপাদন ও জীববৈচিত্র্যের ওপর পড়েছে।
রবিবার (১৭ মে) বিকেলে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কাশিয়াখালীর সোনাবাজু এলাকায় প্রস্তাবিত স্লুইসগেট নির্মাণ ও নদী খনন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী বাঁচলে কৃষি বাঁচবে, পরিবেশ বাঁচবে, মানুষও উপকৃত হবে। তাই সরকার নদী পুনরুদ্ধারে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। নবাবগঞ্জ উপজেলার কাশিয়াখালীর সোনাবাজু এলাকায় প্রস্তাবিত স্লুইসগেট নির্মাণ করা হলে নাব্যতা ফিরে আসবে। এতে দোহার-নবাবগঞ্জসহ আশপাশের এলাকার মানুষও এর সুফল ভোগ করবে।
তিনি আরো বলেন, স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও এলাকার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক নদী খনন ও স্লুইসগেট নির্মাণের বিষয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার তাগিদ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং নদীকেন্দ্রিক জীবিকা রক্ষায় প্রকল্পটি দ্রুত একনেকে উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা নদীর সঙ্গে ইছামতি নদীর সংযোগ স্থাপনে একটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
পরিদর্শনকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এনায়েত উল্লাহ, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সৈকত, প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম এবং নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





