• ই-পেপার

হজে পাঠানো ও চাকরি দেওয়ার ফাঁদ : রংপুরে প্রভাষক বাবু গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

অনলাইন ডেস্ক
হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় তাদের সঙ্গে থাকা জুয়া খেলায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

শনিবার (১৬ মে) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন উপজেলার মোড়াকরি দাসপাড়া গ্রামের রামু চন্দ্র দাসের ছেলে আশিষ দাস (২২), পূর্ব বুল্লা গ্রামের ছেনু মিয়ার ছেলে সালেক মিয়া (৪০) ও করাব গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে মোর্শেদ কামাল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ।

তিনি জানান, গ্রেপ্তাররা এলাকার চিহ্নিত অনলাইন জুয়াড়ি। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে জুয়া খেলে আসছিল। এ ছাড়াও তরুণ-যুবকদের অনলাইন জুয়া খেলায় উদ্বুদ্ধ করছিল। তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত সাইবার সুরক্ষা আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হবে। এ ছাড়াও আগামীতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

যশোর যুবলীগের সভাপতি আটক

অনলাইন ডেস্ক
যশোর যুবলীগের সভাপতি আটক

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) রাত ১০টার দিকে শহর থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে আটক করে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করেছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান।

তিনি বলেন, ডিবি পুলিশ মোস্তফা ফরিদকে আটক করেছে। রাতে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা। তার বিরুদ্ধে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা আছে কি না তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি ওসি।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, রাতে শহরের খালধার রোডের বাড়ি থেকে মোস্তফা ফরিদকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে মোস্তফা ফরিদ আত্মগোপনে ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

এদিকে তার আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর যশোরের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সীমান্তে বিএসএফ-বিজিবি বৈঠক, ফেরত ২০ বাংলাদেশি কারাগারে

সীমান্তে বিএসএফ-বিজিবি বৈঠক, ফেরত ২০ বাংলাদেশি কারাগারে

অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ২০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। 

শনিবার (১৬ মে) সকালে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের তেলিখালী এলাকার ধোপাঝুড়ি সীমান্তের শূন্যরেখায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ১০ জনকে হস্তান্তর করা হয়।

আরো ১০ বাংলাদেশিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের নাকুগাঁও সীমান্ত দিয়ে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।

এসব ঘটনায় ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ওই ২০ জনের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইনে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করেছে বিজিবি। পরে হালুয়াঘাট ও নালিতাবাড়ী থানা-পুলিশ তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

বিজিবি-৩৯ ব্যাটালিয়নের পক্ষে হালুয়াঘাটের তেলিখালী বিওপিতে কর্মরত নায়েব সুবেদার মো. মিজানুর রহমান পাসপোর্ট আইনে হালুয়াঘাট থানায় মামলা করেন।

ফেরত আসা ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মো. মুক্তার হোসেন, মো. শাহজামাল হক, মো. আনিছুর রহমান, মো. কামাল হোসেন, সিপেন, মো. ইব্রাহিম আলী, মো. নওশাদ আলী, মো. আকবর আলী, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. শাকিম উদ্দিন, মো. সোবান আলী, মো. আব্দুল মারুফ রহমান, মো. আজিজুল ইসলাম, মো. আব্দুল আলিম, মো. আলামিন, মধু মুরারী, মো. আনিকুল ইসলাম, মো. তাজেল আলী, মো. মেসবাহুল ও মো. আব্দুল হাকিম।

হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ ফেরদৌস আলম এবং নালিতাবাড়ী থানার ওসি মো. আশরাফুজ্জামান জানান, পাসপোর্ট আইনের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইউপিডিএফের ৩ সদস্য আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইউপিডিএফের ৩ সদস্য আটক

পার্বত্য চট্টগ্রামের গুইমারা রিজিয়নের বুদংছড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ইউপিডিএফ (মূল) দলের পোস্ট কালেক্টর রনেল চাকমাসহ তিন সন্ত্রাসী আটক হয়েছেন।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে পরিচালিত এ অভিযানে একটি একে-২২ রাইফেল, গুলি ও চাঁদাবাজির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় গোলাগুলিতে সাথোয়াই মারমা নামের এক সন্ত্রাসী আহত হন।

শনিবার দিবাগত রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বেলা আনুমানিক ১২টায় পার্বত্য চট্টগ্রামের গুইমারা রিজিয়নের বুদংছড়া এলাকায় অবস্থান নেয় সেনাবাহিনীর একটি আভিযানিক দল। এসময় দুটি মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী ঘটনাস্থল পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেনাসদস্যরা তাদের থামার নির্দেশ (চ্যালেঞ্জ) দেন। 

তবে সন্ত্রাসীরা সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে সেনাসদস্যদের লক্ষ্য করে আকস্মিক গুলিবর্ষণ শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে সেনাসদস্যরাও তাৎক্ষণিক পাল্টা গুলি চালান। এই গোলাগুলিতে পাহাড়ি আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ (মূল) দলের সদস্য সাথোয়াই মারমা (৩২) ঘাড়ে গুলিবিদ্ধ হন।

পরে ঘটনাস্থল থেকে ইউপিডিএফ (মূল) দলের পোস্ট কালেক্টর রনেল চাকমাসহ (২৮) সার্চিং মারমা ওরফে রাজু (২২) নামের অপর দুজনকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং চাঁদাবাজির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরো জানায়, অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে ম্যাগাজিনসহ ১টি একে-২২ রাইফেল, ৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১টি ব্যবহৃত (ফায়ারকৃত) কার্তুজ এবং চাঁদাবাজির আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

গোলাগুলিতে আহত ইউপিডিএফ সদস্য সাথোয়াই মারমাকে ঘটনার পরপরই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পুলিশি হেফাজতে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

চিকিৎসকদের বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর এমন কঠোর ও নিয়মতান্ত্রিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।