গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের আলোচিত সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
নিহত সাইফুল ইসলাম (৪৯) কালীগঞ্জের অলুয়া গ্রামের আলফাজ উদ্দিনের ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. রেজাউল করিম (৫০), মো. নাঈম মিয়া (২৫) ও মো. আবু তাহের (৩২)।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আবু তাহের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মূল অভিযুক্ত রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গত ২ জুন সকালে কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল বেড়িবাঁধ সড়কের পাশ থেকে সাইফুলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার মাথায় ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত ছিল। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা ডিবি পুলিশকে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসা ও পূর্বশত্রুতার জেরে রেজাউল করিমের সঙ্গে সাইফুলের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এর জেরে ২ জুন রাতে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সাইফুলকে নদীর তীরে একটি কলাবাগানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে কুপিয়ে হত্যা করার পর মরদেহ বেড়িবাঁধের পাশে ফেলে রাখা হয়।
গাজীপুর জেলা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আবুল হাসান জানান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





