• ই-পেপার

পিটার হাসকে হুমকি দেওয়া মুজিবুল হকের ৭ বছরের কারাদণ্ড

তিস্তা এক্সপ্রেসে কাটা পড়ে অজ্ঞাত কিশোরের মৃত্যু

জামালপুর প্রতিনিধি
তিস্তা এক্সপ্রেসে কাটা পড়ে অজ্ঞাত কিশোরের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ১৫ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দুরমুট ইউনিয়নের টনকি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি টনকি এলাকায় পৌঁছালে ওই কিশোর ট্রেনের নিচে পড়ে কাটা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, মেলান্দহ উপজেলায় তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনে কেটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার পরিচয় জানা যায়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

হবিগঞ্জে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
হবিগঞ্জে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন
সংগৃহীত ছবি

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর দায়ের কোপে স্ত্রী মারা গেছেন। রবিবার (২১ জুন) বিকেলে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের ভাটি শেরপুর ভূমিহীন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  

মৃত গৃহবধূর নাম রিপন আক্তার (৩২)। তিনি একই গ্রামের বাসিন্দা আশিক মিয়ার স্ত্রী। 

স্থানীয়রা জানায়, রবিবার বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে আশিক মিয়া দা দিয়ে তার স্ত্রী রিপন আক্তারকে এলোপাতাড়ি কোপ দেন। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত হন এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনার পর এলাকাবাসী অভিযুক্ত আশিক মিয়াকে আটক করে রাখে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। 

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আশিক মিয়াকে আটক করা হয়েছে। 

ওসি আরো বলেন, এ বিষয়ে মৃত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বড় ভাইয়ের কোপে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক
বড় ভাইয়ের কোপে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
প্রতীকী ছবি

বরিশালে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বড় ভাই। রবিবার (২১ জুন) দুপুরে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। 

হত্যাকাণ্ডের শিকার মো. নজরুল সরদার (৪৫) আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদারের ছেলে। অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার বর্তমানে পলাতক।

পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদিপ্রবাসী মো. নজরুল সরদার তার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলায় ক্ষিপ্ত হন বড় ভাই হারুন সরদার। জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো. নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন হারুন। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কাজিরহাট থানা পুলিশের ওসি মো: সিদ্দিকুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের জন্য ডিম বিক্রি বন্ধ ঘোষণা

মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার
সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের জন্য ডিম বিক্রি বন্ধ ঘোষণা
সংগৃহীত ছবি

ডিমের উৎপাদন খরচের তুলনায় ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার অভিযোগে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের জন্য ডিম বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করেছেন জেলার পোল্ট্রি খামারিরা। তাদের এ সিদ্ধান্তের প্রভাব ইতোমধ্যে স্থানীয় বাজারে পড়তে শুরু করেছে।

রবিবার (২১ জুন) জেলার খামার মালিকরা জানান, উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ডিম বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে লোকসানের মুখে রয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে শনিবার সদর উপজেলার শিয়ালকোল এলাকায় অনুষ্ঠিত খামারিদের এক বৈঠকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ডিম বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খামার সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে একটি ডিম উৎপাদনে প্রায় ৯ টাকা খরচ হলেও খামারিদের কাছ থেকে ডিম কেনা হচ্ছে মাত্র ৭ টাকা ৭০ পয়সা দরে। এতে উৎপাদন ব্যয়ও উঠে আসছে না। দীর্ঘদিন ধরে এ লোকসান বহন করতে না পেরে তারা ডিম বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

খামারিদের অভিযোগ, একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। সদর উপজেলার শিয়ালকোল এলাকার খামারি লোকমান হোসেন বলেন, ‘ডিম উৎপাদন করছেন খামারিরা, অথচ মূল্য নির্ধারণ করছেন কিছু ব্যবসায়ী। তারা কম দামে ডিম কিনে বেশি দামে বিক্রি করছেন। এতে প্রকৃত উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’

তিনি আরো বলেন, খাদ্য, ওষুধ, শ্রমিকসহ খামার পরিচালনার সব ধরনের ব্যয় বেড়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে ডিমের দাম বাড়েনি। ফলে অনেক খামারি ইতোমধ্যে খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। বাজারে সিন্ডিকেট বন্ধ করে উৎপাদন খরচ বিবেচনায় ডিমের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

এদিকে খামারিদের ডিম বিক্রি বন্ধের কারণে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। শহরের এক ডিম ব্যবসায়ী বলেন, ‘খামার থেকে আগের মতো ডিম পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে।’

ক্রেতাদের ভাষ্য, ডিম সাধারণ মানুষের অন্যতম নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য। বাজারে সংকট তৈরি হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হবে। তাই দ্রুত আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আনোয়ারুল হক বলেন, ‘ডিমের মূল্য সরকার নির্ধারণ করে। কোনো ব্যবসায়ী বা ব্যাপারী ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করতে পারেন না। বর্তমানে বাজারে ডিমের চাহিদা কিছুটা কম থাকায় দামও কম রয়েছে।’

পিটার হাসকে হুমকি দেওয়া মুজিবুল হকের ৭ বছরের কারাদণ্ড | কালের কণ্ঠ