• ই-পেপার

লাকসাম

ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে ট্রেনে কাঁটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

ভাইরাল ভিডিও নিয়ে এবার থানায় গেলেন সেই শিক্ষিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
ভাইরাল ভিডিও নিয়ে এবার থানায় গেলেন সেই শিক্ষিকা
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার ও সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে এবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রানী পাল। শনিবার (২৬ জুলাই) ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় তিনি জিডি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।

বিউটি রানী পাল সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা।

জিডিতে বিউটি রানী পাল উল্লেখ করেন, ‘একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তার গান পরিবেশনের ভিডিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’ 

তার অভিযোগ, ‘আসিফ ইকবাল ইরন’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার নামে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিদিন’ নামের একটি ফেসবুক পেজ তার নাম ও রিলস ভিডিও ব্যবহার করে এমনভাবে সংবাদ প্রকাশ করেছে, যা প্রকৃত ঘটনার সঠিক প্রতিফলন নয়।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, ‘ভিডিওটির একটি সংক্ষিপ্ত অংশ প্রাসঙ্গিক তথ্য ছাড়া প্রচার করে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। বিকৃতভাবে উপস্থাপিত ওই ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ফেসবুক পেজ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যার ফলে তিনি মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, “প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রানী পালের করা জিডিটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগে উল্লেখ করা ফেসবুক আইডিগুলো শনাক্ত করতে সেগুলো আইটি ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে। ‘ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিদিন’ এবং ‘ইব্রাহিম খলিল’ নামের আইডির বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।” 

তিনি বলেন, ‘লিখিত অভিযোগে কয়েকটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রধান শিক্ষিকাকে অপমানজনক ও সম্মানহানিকরভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রংপুরের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে জনগণকে জেগে ওঠার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে জনগণকে জেগে ওঠার আহ্বান মির্জা ফখরুলের
সংগৃহীত ছবি

রংপুরের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে স্থানীয় জনগণকে জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, শুধু সরকারের উদ্যোগে নয়, উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন মানুষের সচেতনতা, বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা। ক্ষুদ্র রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে সবাইকে রংপুরের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে রংপুর নগরীর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) সুফলভোগীদের মধ্যে গাছের চারা ও ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য স্থানীয় জনগণ, ব্যবসায়ী, কৃষক, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান-সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, রংপুরের ব্যবসায়ীদের শুধু ঠিকাদারি ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিল্প ও উৎপাদনমুখী বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে হবে। 

বর্তমানে দেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করতে সরকার নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে রংপুরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।

কৃষি খাতের উন্নয়নকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কৃষকের আয় না বাড়লে প্রকৃত পল্লী উন্নয়ন সম্ভব নয়। শুধু রাস্তা, সেতু কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগই উন্নয়নের একমাত্র সূচক নয়, কৃষককে লাভবান করাই হতে হবে উন্নয়নের মূল লক্ষ্য।

বেকার শিক্ষিত তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অর্জন করলেই হবে না, কর্মমুখী দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কারিগরি ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো সম্ভব।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান বেশি হলেও রংপুর অঞ্চলের মানুষের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম। এ অবস্থার পরিবর্তনে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। সম্প্রতি পরিচালক নিয়োগের মাধ্যমে এর কার্যক্রম গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জনবল নিয়োগ, কৃষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ব্যয় কমানো ও পল্লী অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পীরগঞ্জে পরিত্যক্ত পুকুর থেকে নারীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
পীরগঞ্জে পরিত্যক্ত পুকুর থেকে নারীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে এক নারীর বস্তাবন্দি অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কুমেদপুর ইউনিয়নের মরারপাড়া গ্রামের আজগর আলীর পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নারীর নাম নার্গিস বেগম (৩৫)। তিনি উপজেলার মরারপাড়া গ্রামের লতারপাড়ার বাসিন্দা রাসেল মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কুমেদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসসংলগ্ন একটি জমিতে চাষাবাদের সময় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুকুরপাড়ে গিয়ে কচুরিপানার ওপর একটি অর্ধগলিত পা দেখতে পান। পরে কাছে গিয়ে বস্তার ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুর থেকে বস্তাটি উদ্ধার করলে এর ভেতরে নার্গিস বেগমের অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের ধারণা, কয়েক দিন আগে অন্য কোথাও তাকে হত্যা করে পরিচয় গোপনের উদ্দেশে মরদেহটি বস্তাবন্দি করে নির্জন পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।

রংপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) রাসেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব

বাজারের নামকরণ নিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ : নিহত ২, আহত ২৫

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
বাজারের নামকরণ নিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ : নিহত ২, আহত ২৫
সংগৃহীত ছবি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ, র‌্যাব ও প্রশাসনের সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষ ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক, আশপাশের গ্রাম এবং ভৈরব-কিশোরগঞ্জ রেলপথ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

নিহতরা হলেন কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর গ্রামের আসাদ মিয়ার ছেলে মাসুদ মিয়া (৩০) এবং মিরারচর মোল্লাবাড়ির ফজলুর রহমানের ছেলে হিরণ মিয়া (২৮)। মাসুদ মিয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক এবং হিরণ মিয়া শ্রমিক ছিলেন। আহতদের ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা একটি বাজারের নামকরণ নিয়ে আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় ৪০ বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে সোমবার সকালে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত মাসুদ মিয়াকে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে গুরুতর আহত হিরণ মিয়াকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্র জানায়, নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় রবিবার স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমের উপস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসন দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে। সেখানে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হলেও সোমবার সকালে সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের কারণে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। একই সঙ্গে রেল চলাচলেও ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর এগারোসিন্দুর প্রভাতী এবং জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন কুলিয়ারচর স্টেশনে আটকা পড়ে।

ভৈরব স্টেশন মাস্টার আবু ইউসুফ জানান, সংঘর্ষের কারণে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত প্রায় ছয় ঘণ্টা ভৈরব-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মূছা খান বলেন, বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে. এম. মামুনুর রশীদ বলেন, পুলিশ ও র‌্যাবের সহযোগিতায় দুপুর পৌনে ২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সংঘর্ষে দুজন নিহত, ২৫ জন আহত এবং কয়েকটি বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।