নাটোরের লালপুর উপজেলায় অবস্থিত লালপুর শ্রীসুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের মেঝে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটিতে পাঠদান বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ঢুকে সেখানে হাঁটুসমান পানি দেখতে পায়। পরে বিষয়টি তারা প্রধান শিক্ষককে জানায়। একপর্যায়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে পাঠদান বন্ধ রাখার কথা বলে প্রধান শিক্ষক।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যালয়টি লালপুর বাজারের পাশে অবস্থিত। বাজারের তুলনায় প্রতিষ্ঠানটির ভূমি নিচু হওয়ায় বাজারের পানি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ে। পানি অপসারণের ব্যবস্থা না থাকায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। বৃষ্টি একটু বেশি হলেই সেই পানি ঢোকে শ্রেণিকক্ষে।
লালপুর শ্রীসুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাজা শামীম ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টির পানিতে বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি শ্রেণিকক্ষ ও মাঠ তলিয়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব না হওয়ায় সাময়িক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পানি নেমে গেলে পুনরায় স্বাভাবিক হবে পাঠদান।’
এদিকে, বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. রবিউল ইসলাম রবি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বারবার জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরকতউল্লাহ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সরজমিন পরিদর্শন করে প্রধান শিক্ষককে জলবদ্ধতা নিরাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল মো. রবিউল ইসলাম রবি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বারবার জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।




