টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় পাউবোর তথ্যমতে, গত ১২ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার এবং তালুকশিমুলবাড়ী পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার বেড়েছে।
একই সময়ে দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া পয়েন্টে সাত সেন্টিমিটার, হাতিয়া পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে চার সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।
অন্যদিকে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে গত ১২ ঘণ্টায় পানি আট সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
পাউবো জানায়, ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার, তালুকশিমুলবাড়ী পয়েন্টে ৫৭ সেন্টিমিটার এবং দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার, হাতিয়া পয়েন্টে ৪৯ সেন্টিমিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ৪৪ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে একই সময়ে ধরলা অববাহিকায় ৩৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার, দুধকুমার অববাহিকায় ৫০ মিলিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী এলাকায় ৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, জেলার সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।




