• ই-পেপার

যমুনা সার কারখানা সিবিএর ২১ সদস্যের পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশন গঠন

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন সন্দ্বীপের বেলায়েত

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন সন্দ্বীপের বেলায়েত
প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান (গ্রেড-২) পদে প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য সিডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়, নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্ট্রাকচার প্ল্যান-১৯৯৫ অনুযায়ী প্রায় ১ হাজার ১৫২ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে সিডিএর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর সীমানা উত্তরে সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া, দক্ষিণে সাঙ্গু নদী ও আনোয়ারা উপজেলা, পূর্বে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইছাখালী এবং পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের বাড়ি চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতি ও জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮৪ সালে তিনি চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ছাত্রদলের সভাপতি, ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জিএস ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়া তিনি দীর্ঘদিন পেশাজীবী ও ঠিকাদার হিসেবে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, চট্টগ্রামের পরিকল্পিত নগরায়ণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

এদিকে প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনকে সিডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় তাঁর জন্মস্থান সন্দ্বীপে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দ মিছিল ও শুভেচ্ছা কর্মসূচির আয়োজন করেন। অনেকেই এ নিয়োগকে চট্টগ্রামের উন্নয়ন কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

খুলনা সিটি মেডিক্যালে আগুন, সোয়া ২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

খুলনা অফিস
খুলনা সিটি মেডিক্যালে আগুন, সোয়া ২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
ছবি: কালের কণ্ঠ

খুলনা মহানগরীর ময়লাপোতা মোড়ে অবস্থিত খুলনা সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুই ঘণ্টা ২০ মিনিট চেষ্টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে রোগীদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতাল ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি ক্রেন দিয়ে রোগী ও স্বজনদের নামিয়ে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল জানায়, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পায় তারা। সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খুলনা সদর ফায়ার স্টেশন থেকে ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।

প্রাথমিকভাবে খুলনা সদর ফায়ার স্টেশনের ৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরে আরও ৬টি ইউনিট সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের মোট ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলে ফায়ার সার্ভিসের খুলনা বিভাগীয় কন্ট্রোল রুম জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতাল ভবনের নিচতলার জেনারেটর রুম থেকে ধোয়া দেখার পর ফায়ার সার্ভিস খবর দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রোগী, স্বজন ও আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুন ঠিক কোন জায়গা থেকে বা কী কারণে লেগেছে তা জানা যায়নি। জেনারেটর ছাড়াও সেখানে ওই হাসপাতালের বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন রয়েছে। সেখান থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন।

এদিকে, আগুনের চেয়ে ধোঁয়া বেশি দেখা গেছে ঘটনাস্থলে গিয়ে। এজন্য হাসপাতালের বিভিন্ন তলায় রোগীর স্বজনদেরকে জানালার গ্লাস ভেঙে অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক করতে দেখা যায়। এসময় ফায়ার সার্ভিসের মই দিয়ে সিঁড়ি সংলগ্ন জানালা থেকেও রোগী ও স্বজনদের নামাতে দেখা যায়। ফায়ার সার্ভিসের একটি ক্রেন সর্বোচ্চ ১৪ তলা পর্যন্ত কাভার করতে পারে। যদিও হাসপাতালটি ১৬ তলা বিশিষ্ট। এজন্য রোগী ও স্বজনদের বেশ আতঙ্কগ্রস্ত দেখা যায়।

আগুনের ঘটনার পরপরই বেশকিছু রোগীকে নামিয়ে শান্তিধাম মোড়স্থ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নেওয়া হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ধোঁয়ার কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত হওয়ায় আশপাশের কোনো অবস্থা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। তবে এখন পর্যন্ত কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ও রোগীদের সরিয়ে নিতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশ ও স্থানীয়রাও কাজ করেছেন।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. রফিকুল হক বাবলু বলেন, ঘটনার সূত্রপাত সম্ভবত বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন থেকে হয়েছে। এখন পর্যন্ত সবকিছু মোবাইলে খোঁজখবর রাখছেন তিনি। কতজন রোগী ছিল, কতজনকে বের করে অন্যত্র নেওয়া হয়েছে সেগুলো কিছুই জানেন না তিনি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক(ভারপ্রাপ্ত) মো. মাসুদ সরদার জানান, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন লাগে এবং ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য সংস্থা ও জনগণের চেষ্টায় রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণ তথা আগুন নেভানো সম্ভব হয়। হাসপাতালের বেজমেন্ট থেকে আগুনের উৎপত্তি হয়। কারণ ও ক্ষয়-ক্ষতি নিরূপণ সাপেক্ষে জানানো যাবে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি’র মিডিয়া সেল জানায়, খুলনা সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আগুনের পর উদ্ধার অভিযানে সহায়তা দিয়েছে বিজিবি।

আগুনের খবর শুনে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সভাপতি প্রতিমন্ত্রী টুকু

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সভাপতি প্রতিমন্ত্রী টুকু
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ‘হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি’র সভাপতি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপিকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নবনিযুক্ত সভাপতির নেতৃত্বে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও জনসেবার মান আরও উন্নত হবে।

খুলনা সিটি মেডিক্যালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট

খুলনা অফিস
খুলনা সিটি মেডিক্যালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট
ছবি : কালের কণ্ঠ

খুলনা মহানগরীর ময়লাপোতা মোড়ে অবস্থিত খুলনা সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতাল ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি ক্রেন দিয়ে রোগী ও স্বজনদের নামিয়ে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল জানায়, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পায় তারা। সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খুলনা সদর ফায়ার স্টেশন থেকে ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।

প্রাথমিকভাবে খুলনা সদর ফায়ার স্টেশনের ৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরে আরো ৬টি ইউনিট সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের মোট ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলে ফায়ার সার্ভিসের খুলনা বিভাগীয় কন্ট্রোল রুম জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতাল ভবনের নীচতলার জেনারেটর রুম থেকে ধোয়া দেখার পর ফায়ার সার্ভিস খবর দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রোগী, স্বজন ও আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুন ঠিক কোন জায়গা থেকে বা কী কারণে লেগেছে তা জানা যায়নি। জেনারেটর ছাড়াও সেখানে ওই হাসপাতালের বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন রয়েছে। সেখান থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন।

এদিকে, আগুনের চেয়ে ধোঁয়া বেশি দেখা গেছে ঘটনাস্থলে গিয়ে। এজন্য হাসপাতালের বিভিন্ন তলায় রোগীর স্বজনদেরকে জানালার গ্লাস ভেঙে অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক করতে দেখা যায়। এসময় ফায়ার সার্ভিসের মই দিয়ে সিঁড়ি সংলগ্ন জানালা থেকেও রোগী ও স্বজনদের নামাতে দেখা যায়। ফায়ার সার্ভিসের একটি ক্রেন সর্বোচ্চ ১৪ তলা পর্যন্ত যেতে পারে, যদিও হাসপাতালটি ১৬ তলাবিশিষ্ট। এজন্য রোগী ও স্বজনদের বেশ আতঙ্কগ্রস্ত দেখা যায়।

আগুনের ঘটনার পরপরই বেশকিছু রোগীকে নামিয়ে শান্তিধাম মোড়স্থ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নেওয়া হয়।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ধোঁয়ার কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত হওয়ায় আশপাশের অবস্থা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। তবে এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ও রোগীদের সরিয়ে নিতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশ ও স্থানীয়রাও কাজ করছেন।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. রফিকুল হক বাবলু বলেন, ঘটনার সূত্রপাত সম্ভবত বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন থেকে হয়েছে। এখন পর্যন্ত সবকিছু মোবাইলে খোঁজখবর রাখছেন তিনি। কতজন রোগী ছিল, কতজনকে বের করে অন্যত্র নেওয়া হয়েছে সেগুলো কিছুই জানেন না তিনি।

যমুনা সার কারখানা সিবিএর ২১ সদস্যের পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশন গঠন | কালের কণ্ঠ