চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেছেন, ‘ঈদুল আজহা উপলক্ষে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পশুর হাটকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে বিশেষ তদারকি ব্যবস্থা। কোনো অসাধু চক্র যাতে পশুবাহী ট্রাক জোরপূর্বক নির্দিষ্ট হাটে নিতে বাধ্য করতে না পারে, অনুমোদিত হাট ছাড়া অন্য কোথাও অবৈধ পশুর হাট বসাতে না পারে কিংবা অবৈধ খুঁটির ব্যবসা পরিচালনা করতে না পারে, সে জন্য কঠোর নজরদারি থাকবে। একই সঙ্গে পশুবাহী খালি ট্রাকে যাত্রী পরিবহন বন্ধ রাখতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
রবিবার (১৭ মে) বিকেলে আয়োজিত নিরাপত্তা সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহানগর এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে গবাদিপশু ক্রয়-বিক্রয়, চামড়া ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন, জাল নোটের ব্যবহার রোধ, সড়ক, রেলপথ ও নৌপথে যাত্রীসাধারণের নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিতকরণসহ সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী প্রমুখ
পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘প্রতিটি কোরবানির পশুর হাটে থানার নিয়মিত মোবাইল টিমের পাশাপাশি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম, জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ, ওয়াচ টাওয়ার ও মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশি নজরদারি, মানি এসকর্ট এবং স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থাও চালু থাকবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘কোরবানির পশুর চামড়া ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহনকে কেন্দ্র করেও বিশেষ নিরাপত্তা ও মনিটরিং ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চামড়া পাচার রোধে সংগৃহীত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, কোনো এলাকায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চামড়া ক্রয়-বিক্রয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি প্রতিরোধ এবং চামড়া পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সময় চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর নজরদারি রাখা হবে।’
শওকত আলী বলেন, ‘নগরীর প্রতিটি ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে পৃথক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের ছুটিকালীন সময়ে আবাসিক এলাকাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।’




