• ই-পেপার

স্বামীকে হত্যা : স্ত্রীর যাবজ্জীবন

নাচোলে পুকুরে ডুবে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
নাচোলে পুকুরে ডুবে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে বিবি হাওয়া (১২) নামে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে নাচোলের শানপুর গ্রামের মো. নুরুজ্জমানের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নানার বাড়ি নাচোলের ফতেপুর গ্রামে বেড়াতে গিয়ে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসলে নামে বিবি হাওয়া। এক পর্যায়ে পানিতে তলিয়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ ভেসে উঠলে প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে।

নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যব্স্থা গ্রহণ শেষে আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মানিক হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি পলাতক আসামির

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মানিক হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি পলাতক আসামির

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শ্রমিক নেতা মানিক মিয়া হত্যা মামলাকে ‘মিথ্যা মামলা’ দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন মামলার এক পলাতক আসামি। ওই পোস্টে তিনি মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং নিজেকে নির্দোষ বলে উল্লেখ করেন, যা স্থানীয়ভাবে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

পলাতক ওই আসামির নাম আল ইমরান খান। তিনি গৌরীপুর থামায় দায়েরকৃত মানিক মিয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে একটি লেখা পোস্ট করে এই দাবি জানান আল ইমরান খান।

ফেসবুকের ওই পোস্টে আল ইমরান খান রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে ভুয়া অপপ্রচার বন্ধ করে সত্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন এবং সংবাদ সম্মেলন করে গৌরীপুরবাসীকে সবকিছু জানানো হবে সে কথাও ফেসবুকের ওই পোস্টে  জানিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টের ওই লেখার সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিহত মানিক মিয়ার ভাই সুখ মিয়ার কিছু ছবিও শেয়ার করেছেন এই পলাতক আসামি। 

ফেসবুক পোস্ট তিনি লিখেছেন- ‘মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই। মানিক মাদক ব্যবসায়ী জনরোসে না রোড এক্সিডেন্টে মৃত্যুবরণ করেছে তা আমরা জানি না। তার ভাই সুখমিয়া ও হীরা জুলাই হত্যা মামলার আসামি (তারা এখনো গ্রেপ্তার হচ্ছে না) পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র রফিকের সন্ত্রাসী বাহিনী অন্যতম ক্যাটার ছিল তারা। তারা এমন কোনো জঘন্য অপরাধ নাই তারা করেনি, মানিক মাদক ব্যবসায়ী অনেককেই মাসোয়ারা দিত, তারা কারা গৌরীপুরবাসী জানতে চায়, আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, ভুয়া অপপ্রচার বন্ধ করুন সত্য প্রকাশ করুন।

অবশ্যই সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে গৌরীপুরবাসীকে সবকিছুই জানানো হবে ইনশাআল্লাহুল আজিজ।’

এর আগে শ্রমিক নেতা মানিক মিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে নিহতের স্ত্রী সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয় সদ্য বহিষ্কৃত ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সী, সদ্য বহিষ্কৃত ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য ও গৌরীপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল ইমরান খানসহ নাম উল্লেখ করা ৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় শুক্রবার রাত পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১১টার দিকে গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শোয়েব মুন্সী ও তার সহযোগীরা মানিক মিয়াকে তুলে নিয়ে যান। পরে তাকে বেদম মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে বুধবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত মানিক মিয়া গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার আজিবুল ইসলামের ছেলে।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পরপরই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সী, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য আল ইমরান খান এবং গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত হাসানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান ফেসবুক স্ট্যাটাস নজরে এসেছে এ নিয়ে কাজ করছি। অভিযুক্ত সবাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিক্ষোভের মুখে গ্রামবাসীর জিম্মায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়ল পুলিশ

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি
বিক্ষোভের মুখে গ্রামবাসীর জিম্মায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়ল পুলিশ
ছবি: কালের কণ্ঠ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের নেতা রিপন সরকারকে (৪০) থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়েছেন গ্রামবাসী। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

রিপন উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের (পাটুলিপাড়া) ১ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও ওই গ্রামের হাবিবুর সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে পাটুলিপাড়া গ্রাম থেকে রিপনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর গ্রামের ৩ শতাধিক লোক থানার সামনে গিয়ে রিপনকে ছাড়াতে বিক্ষোভ করেন। এসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের থানার সামনে থেকে সরিয়ে দেন। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের শীর্ষ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে আলোচনায় বসেন। পরে রিপন সরকারকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

গ্রামের একটি সূত্র জানায়, টেবুনিয়া-বাঘাবাড়ী সড়কের ভাঙ্গুড়া উপজেলার পাটুলিপাড়া গ্রামে একটি ছোট্ট বাজার রয়েছে। সেই বাজারে ইউনুস সরকার নামের এক ব্যক্তির ঘর পাটুলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা ভেঙে মাছের বাজার বসায়। এ ঘটনায় ইউনুস সরকার আদালতে রিপনসহ গ্রামের বাসিন্দাদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। রিপন সরকারের আটকের সঙ্গে এই ঘটনার সংযোগ থাকতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, নিরপরাধ মানুষকে আটক করা মেনে নিতে পারেননি গ্রামের মানুষ। তাই দলমত নির্বিশেষে সবাই গ্রাম থেকে এসে বিক্ষোভ করেন। ফলে পুলিশ তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি সাকিউল আজম বলেন, সন্দেহভাজন হিসেবে রিপন সরকারকে আটক করা হয়েছিল। পরে গ্রামবাসীর জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

‘দুদক অকার্যকর ও দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান’—নোয়াখালীতে মাহবুব উদ্দিন খোকন

নোয়াখালী প্রতিনিধি
‘দুদক অকার্যকর ও দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান’—নোয়াখালীতে মাহবুব উদ্দিন খোকন
ছবি: কালের কণ্ঠ

দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ‘অকার্যকর’ ও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ প্রতিষ্ঠান আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দুদকের ভেতরেই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়। তারা ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতি তোষামোদ করে। প্রতিষ্ঠানটিকে চরিত্র বদলাতে হবে। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ব্যারিস্টার খোকন বলেন, ‘দুদকের ভেতরেই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি। যে সরকার ক্ষমতায় থাকে, দুদক সেই সরকারের তোষামোদ করে। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মানুষকে হয়রানি করা হয়। আর বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ক্লিন সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দুদকের বর্তমান চরিত্র বদলাতে হবে। বিগত সরকারের সময়ে অনেক সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে চাকরি হারাতে হয়েছে।’

বর্তমানে দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের জন্য গঠিত সার্চ কমিটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন ব্যক্তিদের দায়িত্বে আনা উচিত, যারা শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করবেন, কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, দলীয় আনুগত্য বা রাজনৈতিক চাটুকারিব্যাংকিং খাতের সংকটের প্রসঙ্গ টেনে সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি বলেন, ‘মানুষের আস্থা কমে যাওয়ায় অনেকেই ব্যাংকে টাকা না রেখে ঘরে জমিয়ে রাখছেন। এতে বিনিয়োগ কমছে, অর্থনীতি এসময় তিনি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন ‘একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বারবার কাজ পাচ্ছে। নিম্নমানের কাজ হলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রকৌশলীরা কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিল ছাড় করে দিচ্ছেন। কার্যকর তদারকির অভাবে এক বছরের মধ্যেই সড়ক ভেঙে যাচ্ছে।’

তার নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। বলেন, ‘আমার এলাকায় কোনো ধরনের দুর্নীতি বা পুকুরচুরির সুযোগ দেওয়া হবে না।’

কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন ব্যারিস্টার খোকন। তিনি বলেন, ‘সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী যে এলাকার ধান, সেই এলাকা থেকেই সংগ্রহ করতে হবে। বাইরে থেকে ধান এনে সরবরাহ করা সম্পূর্ণ অবৈধ।’

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি পরিবারের সদস্যকে অন্তত ১০টি করে গাছের চারা রোপণের আহ্বান জানান তিনি। কারও চারা কেনার সামর্থ্য না থাকলে নিজের তহবিল থেকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতারও ঘোষণা দেন নোয়াখালী-১ আসনের এই সংসদ সদস্য।

‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে আমন ধানের বীজ, মরিচ ও সবজির বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে সরকারের ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

চাটখিল উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও চাটছল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জুনাঈদ আলমের স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চাটখিল থানার ওসি মো. আবদুল মোন্নাফ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফ, পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র মোস্তফা কামাল, সদস্যসচিব আহসানুল হক মাসুদ, উপজেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহসভাপতি মো. লিটন এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার।

পরে ব্যারিস্টার খোকন পুলিশ প্রশাসনকে প্রবাসী পরিবারসহ স্থানীয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে সে যে দলেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের অফিসে বসে না থেকে সরাসরি কৃষকের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান।

স্বামীকে হত্যা : স্ত্রীর যাবজ্জীবন | কালের কণ্ঠ