• ই-পেপার

করোনাভাইরাস

চট্টগ্রামে মেলেনি ভারতীয় ধরন, ১০ নমুনার ছয়টিতেই যুক্তরাজ্যের

জায়ান হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড়, চিরকুট লেখার আগেই করা হয় হত্যা

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
জায়ান হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড়, চিরকুট লেখার আগেই করা হয় হত্যা
সংগৃহীত ছবি

মাত্র পাঁচ বছরের নিষ্পাপ শিশু মো. জায়ান। বাড়ির সামনে খেলতে খেলতেই হঠাৎ নিখোঁজ। পরিবারের সদস্যরা যখন পুকুর, খাল-বিল ও আশপাশের এলাকায় ছুটে বেড়াচ্ছেন সন্তানের খোঁজে, ঠিক তখনই তাদের ঘরে এসে পৌঁছে এক রহস্যময় মুক্তিপণের চিরকুট। সেখানে দাবি করা হয় তিন লাখ টাকা এবং একটি আনলক মোবাইল ফোন।

কিন্তু শিশু জায়ানকে চিরকুট লেখার আগেই নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল বলে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে উঠে এসেছে পূর্বপরিকল্পিত অপহরণ, মুক্তিপণের নাটক এবং হত্যার পর ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার ভয়ংকর কৌশলের চাঞ্চল্যকর তথ্য।

অপহরণকারীরা হাতে লেখা চিরকুটে লিখেছিল- তোর ছেলে আমাদের কাছে আছে। ছেলেকে পেতে চাইলে যেটা বলছি সেটা শুন। যদি কোনো চালাকি করার চেষ্টা করস তাহলে ছেলেকে আর খুঁজলেও পাবি না। পুলিশের কাছে না গেলে ভালো হয়। যদি যাস ছেলের লাশ পাবি। বাইরের মানুষ না জানার মতো, তোর পরিবারের ওপর নজর আছে সব সময়। আধা ঘণ্টার ভেতর ৩ লাখ টাকা আর তোর ফ্যামিলির যেকোনো একজনের মোবাইল আনলক করে একটা ব্যাগে করে তোর বাড়ির সামনের রাস্তার পাশে ভাঙা দোকানের ভেতর রেখে দিবি...।

চিঠির শেষ লাইনে লেখা ছিল একটি রহস্যময় বাক্য ‘মানুষের গায়ে হাত তোলা বন্ধ করে দিবি’।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই শেষ বাক্যটিই ছিল বিভ্রান্তি তৈরির অন্যতম কৌশল, যাতে ঘটনাটি ব্যক্তিগত শত্রুতা বা পূর্ববিরোধের দিকে মোড় নেয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশু জায়ানকে অপহরণের পর হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযুক্তরা নিজেদের বাঁচাতে এবং পরিবারকে বিভ্রান্ত করতে মুক্তিপণের নাটক সাজায়। হাতে লেখা চিরকুটটি জায়ানের বাড়ির জানালা দিয়ে ভেতরে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর পরিবার ও এলাকাবাসীকে বিশ্বাস করানোর চেষ্টা করা হয় যে শিশুটি জীবিত রয়েছে এবং মুক্তিপণ দিলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু বাস্তবে তখন শিশুটির নিথর দেহ বস্তাবন্দি অবস্থায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত ডোবায়।

জায়ানের বাড়ির সামনের রাস্তার পাশে একটি ভাঙাচোরা পরিত্যক্ত দোকানঘরকে মুক্তিপণের টাকা ও মোবাইল ফোন রাখার স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ওই স্থানটি বেছে নেওয়া হয়েছিল দূর থেকে নজরদারি এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার সুবিধার কারণে। তবে শেষ পর্যন্ত টাকা সংগ্রহের আগেই পুলিশের তদন্তে ধরা পড়ে যায় পুরো পরিকল্পনা।

হাতের লেখাই বেরিয়ে এলো রহস্য

পুলিশের তদন্তে চিরকুটের হাতের লেখা, সন্দেহভাজনদের চলাফেরা, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং স্থানীয় সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। চিরকুটে ব্যবহৃত ভাষা, লেখার ধরন এবং বিভিন্ন আলামত মিলিয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসে। পরবর্তীতে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদেও বেরিয়ে আসে হত্যার ভয়াবহ বর্ণনা।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত ও নির্মম হত্যাকাণ্ড। অপহরণের পর শিশুটিকে হত্যা করে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য মুক্তিপণের চিরকুট ব্যবহার করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত তথ্য, আলামত ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে আমরা ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’

শোকে স্তব্ধ পরিবার, ক্ষোভে ফুঁসছে জনপদ
শিশু জায়ানের মরদেহ উদ্ধারের পর পুরো পটিয়াজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারি আর এলাকাবাসীর ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে জনপদ।

নিহতের এক স্বজন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম আমাদের সন্তান বেঁচে আছে। টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু যারা চিঠি লিখেছে, তারা তো এর আগেই আমার সন্তানকে মেরে ফেলেছে। এর চেয়ে নিষ্ঠুরতা আর কী হতে পারে।’

স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘একটি নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করে আবার মুক্তিপণের নাটক সাজানো হয়েছে। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে ভয়াবহ বার্তা যাবে।’


বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
জায়ান হত্যার ঘটনায় ইতোমধ্যে পটিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিষ্পাপ শিশু জায়ানের রক্তে রঞ্জিত এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো পটিয়ার বিবেককে নাড়া দিয়েছে। এখন সবার একটাই প্রশ্ন যারা একটি শিশুকে হত্যা করেও মুক্তিপণের অভিনয় করতে পারে, তাদের জন্য কী শাস্তি অপেক্ষা করছে।

সাতক্ষীরায় এক দিনে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় এক দিনে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

সাতক্ষীরায় এক দিনে পৃথক স্থান থেকে মেহেদী হাসান (৩২) এবং  মো. আব্দুর রহিম মালি (৬০) নামে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে কলারোয়া ও আশাশুনি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত মেহেদী হাসান (৩২) উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় মধু ব্যবসায়ী ছিলেন। তার স্ত্রী ও চার বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে মেহেদীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার সকালে জালালাবাদ গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের স্ত্রী জোহরা খাতুনের বোন সালেহা খাতুন ময়লা ফেলতে গিয়ে ডোবায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার জালালাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি মোবাইল ফোন টাওয়ারসংলগ্ন ডোবা থেকে মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। রাতে আর বাড়ি ফেরেনি। আমরা ভেবেছিলাম হয়তো পাশের আলাইপুর গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে গেছে। সকালে লোকজন এসে জানায়, কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করে জালালাবাদ এলাকায় ফেলে রেখে গেছে।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এইচ এম শাহীন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মেহেদী হাসানকে হত্যা করে মরদেহ ডোবায় ফেলে রেখে গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বেউলা গ্রামের পশ্চিম বিলের খাল থেকে মো. আব্দুর রহিম মালি (৬০) নামের মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ৭টার দিকে খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত. আব্দুর রহিম মালি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের শেতপুর গ্রামের মৃত ফরিদ উদ্দিন মালির ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, অনেকদিন আগে থেকে আব্দুর রহিম মালি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন। শুক্রবার ভোর রাতে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বাইরে বের হয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি। সকালে বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা গ্রামের পশ্চিম বিলের খালে আব্দুর রহিমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে স্বজনরা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। তবে তার চোখে ও মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা যায়।

আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুনার রশিদ মৃধা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অসাবধানতাবশত খালের পানিতে পড়ে গিয়ে আর উঠতে পারেননি তিনি। 

তিনি আরো জানান, খালের পানিতে পড়ে থাকার কারণে কাঁকড়া বা অন্য জল প্রাণী আঘাতে তার চোখেও মুখে সামান্য খাতের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে। 

নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ইলিয়াস হোসেন ওরফে জয় (২৭) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ র‌্যাব-১১-এর অপারেশন অফিসার ক্যাপ্টেন রওনক এরফান খান।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, ইলিয়াস হোসেন নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার গোকনগর এলাকার মৃত হারুন মিয়ার ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার নয়ামাটি এলাকায়ও বসবাস করতেন। ২০১৯ সালে ফতুল্লা থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলার বিচার শেষে নারায়ণগঞ্জ আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

ক্যাপ্টেন রওনক এরফান খান বলেন, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র‌্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত ছিল। দীর্ঘদিন নজরদারির পর তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টে বয়লার বিস্ফোরণ, আহত ৭

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টে বয়লার বিস্ফোরণ, আহত ৭
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাগলা তালতলা এলাকায় একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় সাত শ্রমিক আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে পাগলা তালতলা এলাকার নির্ঝর নিটওয়্যার গার্মেন্টে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম।

আহতরা হলেন শাহীন, জাকির হোসেন, ক্লিনার সাবিনা বেগম, মঞ্জু মিয়া, আরিফিন, হৃদয় ও খাদিজা।

শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানার বয়লারটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। এ বিষয়ে মালিকপক্ষকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। শুক্রবার সকালে শ্রমিকরা কাজ করার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বয়লারটি বিস্ফোরিত হয়। এতে আগুন ধরে যায় এবং নারী শ্রমিকসহ সাতজন দগ্ধ ও আহত হন।

ঘটনার পর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিক ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আহতদের চিকিৎসা ব্যয় বহনের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মো. মাহবুব আলম বলেন, ‘আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শ্রমিকদের অভিযোগ অনুযায়ী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

চট্টগ্রামে মেলেনি ভারতীয় ধরন, ১০ নমুনার ছয়টিতেই যুক্তরাজ্যের | কালের কণ্ঠ