kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭। ২ মার্চ ২০২১। ১৭ রজব ১৪৪২

নির্বাচিত কাউন্সিলরকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় আগের রাতে...!

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি   

২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্বাচিত কাউন্সিলরকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় আগের রাতে...!

সিরাজগঞ্জে পৌর নির্বাচনে বিজয়ী কাউন্সিলর তরিকুল ইসলাম খানের হত্যা মামলায় জাহিদুল ইসলাম (২০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের সহযোগিতায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার ধলপুর এলাকা থেকে জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জাহিদুল ইসলাম শহরের সাহেদনগর ব্যাপারীপাড়া এলাকার টিক্কা ব্যাপারী ছেলে। তিনি ঢাকায় ভাড়া বাসায় থেকে রাজমিস্ত্রীর সহযোগী হিসেবে কাজ কাজ করেন।

গ্রেপ্তার জাহিদুল কাউন্সিলর তরিকুল ইসলাম খানের হত্যার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। তবে গ্রেপ্তাকৃত জাহিদুল এজাহারভুক্ত আসামি না। আজ শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর থানা চত্ত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার জানান, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জাহিদুল ইসলামের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সে সরাসরি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে এবং সে উট পাখি প্রতীকের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী শাহাদত হোসেন বুদ্ধিনের সমর্থক। নির্বাচনের তিনদিন আগে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার জন্য জাহিদুল ইসলাম ঢাকা থেকে সাহেদনগর ব্যাপারীপাড়ার নিজ বাড়িতে আসে। এরপর দুদিন নির্বাচনী প্রচারে তিনি অংশ নেন। নির্বাচনের আগের দিন রাতে এক আসামির বাড়িতে তার উপস্থিতিতে এজাহার নামীয় ও অন্যান্য আসামিরা নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তরিকুল ইসলাম খানের ওপর হামলার পরিকল্পনা করে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী এজাহার নামীয় এক আসামি তাকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি দেয়। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় তরিকুলের পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় জাহিদুল। এরপর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি তার বাড়ির পশ্চিম পাশের পরিত্যাক্ত ডোবায় পুতে রেখে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় চলে যায়।

জবানবন্দিতে এজাহার নামীয় কয়েকজন আসামি ছাড়াও অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজন আসামির নাম উল্লেখ করেছে জাহিদুল ইসলাম। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কয়েকটি টিম তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

প্রসঙ্গত, ১৬ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের বিজয়ী কাউন্সিলর তরিকুল ইসলামকে বিজয় মিছিলে খুন করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা