• ই-পেপার

বান্দরবানে সন্ত্রাসী হামলায় পল্লী চিকিৎসক নিহত

৩০ বছর ধরে নিখোঁজ ছেলের অপেক্ষায় মা-বাবা

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
৩০ বছর ধরে নিখোঁজ ছেলের অপেক্ষায় মা-বাবা
ছবি : কালের কণ্ঠ

১৯৯৫ সালে বাবার সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় সোহেল রানা রুবেল (১৫) নামের এক কিশোর। দীর্ঘ ত্রিশ বছর পেরিয়ে গেলেও আর বাড়ি ফিরে আসেনি সে। তার ফেরার অপেক্ষায় নিভৃতে কেঁদে চলেছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌর শহরের বাসিন্দা মো. রুহুল আমিন ও নিলুফা বেগম দম্পতি। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গফরগাঁও পৌর শহরের শিলাসী মহিলা কলেজ এলাকার বাসিন্দা মো. রুহুল আমিন রেলওয়েতে কুষ্টিয়ায় চাকরি করতেন। সেখানে তিনি বসবাস করলেও তাদের বড় ছেলে সোহেল রানা রুবেল নিজ বাড়িতে থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে ছোট একটি দোকান চালাত। তখন তার বয়স ছিল ১৫ বছর। দোকান চালাতে গিয়ে রুবেল পুঁজির টাকা নষ্ট করায় বাবা রুহুল আমিন ক্ষুব্ধ ছিলেন। এতে রুবেলের ভেতর বাবার প্রতি ভয় ও অভিমান জন্ম নেয়। এই ভয় ও অভিমানে ১৯৯৫ সালের শুরুর দিকে বাবা কুষ্টিয়া থেকে বাড়ি আসছেন খবর পেয়ে সোহেল পালিয়ে যায়। পরে মা-বাবা বাড়ি ফিরে আত্মীয়-স্বজনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ছেলের সন্ধান পাননি। 

দীর্ঘ ত্রিশটি বছর অতিবাহিত হলেও এখনো এই দম্পতি নিখোঁজ সন্তানের খোঁজ করে চলছেন। ছেলের ফেলে যাওয়া প্যান্ট আর শার্ট আঁকড়ে নিভৃতে চোখের জল ফেলছেন। রুহুল আমিন ও নিলুফা বেগম দম্পতির সন্তান বিচ্ছেদের নিভৃত ব্যথা আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীকেও ব্যথিত করে।

আরো পড়ুন
ক্ষমতার মোহ নয়, কাজের মাধ্যমে জনগণের হৃদয়ে বেঁচে থাকতে চাই

ক্ষমতার মোহ নয়, কাজের মাধ্যমে জনগণের হৃদয়ে বেঁচে থাকতে চাই

 

নিখোঁজ সোহেলের বাবা রুহুল আমিন বলেন, ‘আমরা বাড়ি চলে আসার পর খবর পেলাম কুষ্টিয়ায় যেখানে থাকতাম ছেলে সেখানে গেছে। তখন তো মোবাইল ছিল না। চিঠিতে খবর পেয়ে চার থেকে পাঁচ দিন পর গিয়ে শুনি মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে দেখতে এসেছিল, না পেয়ে চলে গেছে। এরপর খবর পেলাম ছেলে সিরাজগঞ্জ জেলার কোথাও থাকে। কিন্তু সঠিক কোনো ঠিকানা জানি না।’

নিখোঁজ সন্তানের জামাকাপড় জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে নিলুফা বেগম বলেন, ‘বাবারে কবে মইরা যাই আল্লাই জানে। মরার আগে একবার তর মুখটা দেখবার চাই।’

নিখোঁজ সোহেলের চাচা শামছু মিয়া বলেন, ‘নিখোঁজ সন্তানের জন্য আমার ছোট ভাই আর তার স্ত্রী মাঝে মধ্যেই কান্নাকাটি করেন। খারাপ লাগে পোলাডা এত বছরেও ফিইরা আইল না।’

যশোরে মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরে মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!
যশোরের অভয়নগর উপজেলার ধোপাদী গ্রামের দপ্তরীপাড়ায় রফিকুল ইসলামের ঘেরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এভাবে মরে ভেসে থাকতে দেখা য়ায়। ছবি : কালের কণ্ঠ।

যশোরের অভয়নগরে একটি মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ বা গ্যাস ট্যাবলেট ব্যবহার করে সব মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এতে বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-বড় প্রায় ২০ মন মাছ মরে ভেসে উঠেছে। ঘেরের মালিক দাবি করেছেন অন্তত ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) গভীর রাতে উপজেলার ধোপাদী গ্রামের দপ্তরীপাড়ায় রফিকুল ইসলামের মাছের ঘেরে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে রবিবার (১৭ মে) দুপুরে অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এক একর ৩৫ শতক মাছের ঘেরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছিল। শনিবার (১৬ মে) বিকাল ৪টার দিকে মাছের খাবার দিয়ে ঘের থেকে বাড়ি ফিরে যান তিনি। রাত ১০টার দিকে এসে দেখেন ঘেরে মাছ মরে ভেসে রয়েছে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কে বা কারা বিষ প্রয়োগ বা গ্যাস ট্যাবলেট ব্যবহার করে তাঁর মাছের ঘেরের প্রায় ২০ মণ ছোট-বড় মাছ মেরে ফেলেছে। যাতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ঘের মালিক আরো বলেন, ‘ঘটনার পর রবিবার দুপুর ২ টার দিকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সোনারগাঁয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় ঠিকাদারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ
সোনারগাঁয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় ঠিকাদারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ
ছবি : কালের কণ্ঠ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে নুরুউদ্দিন হাওলাদার নামের এক ঠিকাদারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৭ মে) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার মেঘনা নিউটাউন আবাসিক এলাকায় ঠিকাদার নুরুউদ্দিনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।

নিহত নুরুউদ্দিন ভোলা জেলার মালেরহাট গ্রামের সেলিম হাওলাদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় দুই বছর আগে গঙ্গানগর এলাকার আব্দুর রবের বাড়ির নির্মাণকাজের ঠিকাদারি করেন নুরুউদ্দিন। কাজ শেষ হলেও পাওনা টাকা পরিশোধ না করে ভবনের মালিক আব্দুর রব ও তার দুই ছেলে হৃদয় ও শুভ তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এরই মাঝে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে আব্দুর রব ও তার দুই ছেলে মোটরসাইকেলে করে নুরুউদ্দিনের বাড়ির সামনে এসে ভবনের বাকি কাজ সম্পন্ন করার জন্য চাপ দেন। এ সময় নুরুউদ্দিন পাওনা টাকা পরিশোধের দাবি জানালে উভয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়।

এক পর্যায়ে হৃদয় তার কাছে থাকা সুইচ গিয়ার দিয়ে নুরুউদ্দিনকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় নুরুউদ্দিনকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন দিন পর রবিবার তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, নিহতের মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে।

মিডিয়া টিম গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় ওয়ার্কশপ

অনলাইন ডেস্ক
মিডিয়া টিম গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় ওয়ার্কশপ
ছবি : কালের কণ্ঠ

জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে মিডিয়া টিম গঠন ও কর্মকৌশল নির্ধারণে জাতীয় ওয়ার্কশপ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ স্কাউটস।

গাজীপুরের মৌচাকে অবস্থিত জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১৬-১৭ মে দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চল থেকে ৫২ জন স্কাউট সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশ টিভির চিফ রিপোর্টার ফররুখ বাবু, নিউজ২৪ টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার সাজ্জাদ হোসেন এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার অনিক মৃধা।

ওয়ার্কশপে স্কাউটিং কার্যক্রমে গণমাধ্যমের গুরুত্ব, বর্তমান মিডিয়া কাঠামো, জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে মিডিয়া টিমের প্রয়োজনীয়তা এবং কার্যকর মিডিয়া পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন, জনসংযোগ ও মিডিয়া কমিউনিকেশন, মিডিয়া কভারেজ নিশ্চিত করার কৌশল এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার উপায় বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সঙ্গে বৈঠক, ৬ দফা দাবি কমল হাসানের

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সঙ্গে বৈঠক, ৬ দফা দাবি কমল হাসানের

 

আয়োজকরা জানান, স্কাউটিং কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও জনসম্পৃক্ত করতে জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে দক্ষ মিডিয়া টিম গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্কাউট সদস্যরা গণমাধ্যমে কার্যকরভাবে কাজ করার দক্ষতা অর্জন করবেন।

বান্দরবানে সন্ত্রাসী হামলায় পল্লী চিকিৎসক নিহত | কালের কণ্ঠ