• ই-পেপার

উত্তাল পদ্মায় ট্রলারডুবি

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

পুলিশ ফাঁড়ি থেকে হাতকড়াসহ আসামি পলাতক

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
পুলিশ ফাঁড়ি থেকে হাতকড়াসহ আসামি পলাতক

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে হাতকড়াসহ ফরিদ হোসেন (২৮)  নামে এক আসামি পালিয়ে গেছেন। গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে উপজেলার  সাবদারপুর পুলিশ ফাঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পলাতক ফরিদ হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি ছিলেন। তিনি উপজেলা চুয়াডাঙ্গা গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে। 

​পুলিশ সূত্র জানায়, গত শুক্রবার রাতে সাবদারপুর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)আব্দুল কুদ্দুস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ভোমরাডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালায়। ওই সময় স্থানীয় বাজারের পাশে একটি স্কুলের পেছন থেকে ফরিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে সাবদারপুর পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে রাখা হয়। কিন্তু ওই রাতেই তিনি হাতকড়াসহ পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান। 

এই বিষয়ে জানতে পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আব্দুল কুদ্দুসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। 

কোটচাঁদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনসারুল্লাহ হক বলেন, ফরিদ হোসেন নামের এক আসামি হাতকড়াসহ পালিয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। তবে তিনি ঠিক কোন মামলার আসামি, তা এই মুহূর্তের নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তাকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

বরিশাল

ছাত্রশক্তি নেতার মামলায় ৪ মৃত আ. লীগ নেতা আসামি

ছাত্রশক্তি নেতার মামলায় ৪ মৃত আ. লীগ নেতা আসামি
সংগৃহীত ছবি

আগ্নেয়াস্ত্রসহ সড়ক অবরোধ, বাধা দেওয়ায় ককটেল ও পেট্রল বোমা নিক্ষেপের অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুসহ ২৪৮ জন নেতাকর্মীর নামে মামলা করা হয়েছে। গত ১০ ও ১৬ জুন আসামিরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আসামিদের মধ্যে ৪ জন মৃত আওয়ামী লীগ নেতার নাম থাকার বিষয়টি প্রকাশ হলে ব্যপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ব‌রিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপ‌লিটন ম‌্যা‌জিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মরজুক আব্দুল্লাহ। বিচারক এস এম শরীয়ত উল্লাহ অভিযোগ আমলে নিয়ে ব‌রিশাল মেট্রোপ‌লিটন পু‌লিশের উপ ক‌মিশনারকে তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন। 

মৃত ওই ৪ আসামি হলেন– খন্দকার রেজাউর রহমান, ২২৫ নম্বর আসামি এইচ এম হা‌ফিজুর র‌শিদ শিবলী,  ১৯৮ নম্বর আসামি আবুল ফারুক হুমায়ুন এবং  আলী হাওলাদার। তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা এবং মামলার ৩-৫ বছর আগে মারা গেছেন। 

মামলায় উল্লেখ করা হয়, আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে চলতি বছরের ১০ ও ১৬ জুনে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করেছেন। ঠেকাতে গেলে ছুড়েছেন ককটেল ও পেট্রল বোমা। এতে বিঘ্নিত হয়েছে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় যে তারিখের ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন। ওইদিন কোনো ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এর আগে, গত বছরের ১৪ মে ২৪৭ জনের নামে মামলা করেছিলেন তিনি। মারজুক তখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল জেলার সাবেক সমন্বয়ক ছিলেন। সেসময় তার বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে।

ছাত্রশক্তি নেতার ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট লস্কর নুরুল হক। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, মারজুক বরিশাল অঞ্চলের ছেলে নয়। তিনি এর আগে আমাদের বিরুদ্ধে যে মামলাটি করেছিল তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এরপরও ওই মামলায় আমি এক মাসের বেশি সময় কারা ভোগ করেছি। ওই সময় আমি সহ অনেকের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। মামলাটি বিতর্কিত হয়ে যায়। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই বিতর্কিত মামলায় অনেককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। এ কারণেই মারজুক পুনরায় আরেকটি মামলা করতে সাহস পেয়েছে। এই মামলায় আসামির তালিকায় তিনি চারজন প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতার নাম যুক্ত করেছেন যারা তিন থেকে পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন।

মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সবগুলো নাম আমি একা সিলেক্ট করিনি। তাই ভুল হতেই পারে।’

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আশিক সাঈদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মামলায় ঘটনার বিবরণ এবং যে তারিখগুলো দেখানো হয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় ওই তারিখে কোনো ঘটনা ঘটেনি। আর মৃত ব্যক্তিদের যদি ঘটনার পরে কোন মামলায় আসামি হিসেবে সম্পৃক্ত করা হয় তা সত্যি দুঃখজনক। যেহেতু বিজ্ঞ আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশকে দায়িত্ব দিয়েছে সেহেতু সঠিক ঘটনা উদঘাটন করেই আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

লক্ষ্মীপুর

অপহরণ মামলার পর দফায় দফায় হামলা, আতঙ্ক

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
অপহরণ মামলার পর দফায় দফায় হামলা, আতঙ্ক
সংগৃহীত ছবি

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আড়াই বছর আগে অপহরণ মামলার পর থেকে দফায় দফায় হামলা ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে যুক্ত স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এতে আতঙ্কে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার মান্দারী বাজারের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন এসব অভিযোগ করেন। এ সময় ঘটনার প্রতিকার ও বিচার দাবি জানান তিনি।

ইকবাল মান্দারী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মান্দারী গ্রামের জগার বাপের বাড়ির মো. মহসিনের ছেলে। তিনি পেশায় ঠিকাদার ও ঢাকায় থাই গ্লাসের ব্যবসায়ী।

সংবাদ সম্মেলনে ইকবাল জানান, ২০২৪ সালে তিনি বাড়ি নির্মাণের সময় স্থানীয় একটি ‘সন্ত্রাসী’ বাহিনী চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেওয়ায় একই বছরের ৩১ জানুয়ারি তাকে মোহনের নেতৃত্বে কৌশলে নোয়াখালীর সুধারাম থানাধীন উদয় সাধুরহাট এলাকায় নিয়ে যায়। পরে তাকে জুয়েলের নেতৃত্বে আটক ও নির্যাতন করে পরিবারের কাছে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এতে বিকাশের মাধ্যমে এক লাখ ও নগদ এক লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করেন। ওই এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা তাকে নির্জন স্থানে হাত-পা বেঁধে রেখে যায়।

পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুরে নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় সুধারাম থানায় মামলা করেন ইকবাল। দীর্ঘ তদন্ত শেষে সুধারাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. অহিদ মুরাদ ওই বছরের ১ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন দেন। এতে জুয়েলকে প্রধান করে মোহন, ইউসুফ, মমিন উল্যাহ, সজিব ও ফাহাদের নামে তদন্ত প্রতিবেদন দেন। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। 

অভিযুক্তরা হলেন– মান্দারি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদনগর গ্রামের জাহাঙ্গীর ও মোহন এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জুয়েল।

এদিকে একই বাহিনীর সদস্যরা গত ৭ জুন ইকবালের ছোট ভাই শাকিলকে অপহরণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন তার ওপর হামলা করে। এ ঘটনায় তার বাবা মহসিন বাদী হয়ে জুয়েল, রাফি, রাকিব, মনির, ইসমাইল, জাহাঙ্গীর, রাজুসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫-২০ জনের নামে চন্দ্রগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। মামলা করায় আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বাহিনীটি। 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে রাসেল নামে ওই চক্রের এক সদস্য ইকবালের বাবা মহসিনকে কৌশলে বাড়ি থেকে জেলা শহরের স্টেডিয়াম এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে আটকিয়ে জাহাঙ্গীর, মনির ও রাসেলের নেতৃত্বে ১০-১২ জন লোক তাকে নির্যাতন করেন। তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা কেড়ে নেয়। এ ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পাসওয়ার্ডও নিয়ে যায়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ মহসিনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীরসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় মহসিন। 

সংবাদ সম্মেলনে ইকবাল হোসেন অভিযোগ করেন, মামলা তুলে না নেওয়ায় বারবার সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক আমি এবং আমার পরিবার অপহরণ, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছি। তারা প্রতিনিয়ত আমাদের ক্ষতির চেষ্টা করে আসছে। এতে পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই প্রশাসনের কাছে অভিযুক্তদের বিচার দাবি করছি। 

এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীর, জুয়েল ও মোহনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। 

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন বলেন, ‘মহসিন নামে এক ব্যক্তিকে স্টেডিয়াম এলাকায় নির্যাতনের অভিযোগ পাই। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিই। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’

ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি বিলুপ্ত

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি বিলুপ্ত

ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে ফরিদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন ও সদস্যসচিব শাহরিয়ার শিথিলের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, ভাঙ্গা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি অনিবার্য কারণবশত আজ ৩ জুলাই বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।’

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ভাঙ্গা পৌরসভার হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লাবাসীর সংঘর্ষে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখের ছেলে সুমন শেখ (২০) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

 

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সুমন শেখের বাবা মিলন শেখ বাদী হয়ে ছেলেকে হত্যার অভিযোগে ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং ৩০-৩৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয় ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ও হাসামদিয়া মহল্লার বাসিন্দা সজীব মাতুব্বরকে (২৮)।

এদিকে গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে নিহত সুমনের বাড়িতে তার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে ও কবর জিয়ারত করতে যান ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন ) আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল।

সেখানে তিনি এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘মামলা তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং এই মামলায় কেউ কোনো ইন্টারফেয়ার করবে না, করবে না এবং করবে না। আর এই ঘটনায় যারা অভিযুক্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আজকেই আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আপনারা খবর পাবেন যে, আজই তাদের বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্ত আমরা ঘোষণা করছি। এবং এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আপনারা জানতে পারবেন।’

সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্তির এ ঘোষণা আসে।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি বিলুপ্তের ঘোষণা নিশ্চিত করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যচিব শাহরিয়ার শিথিল বলেন, ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির বিরুদ্ধে নানা সময়ে নানা ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। সর্বোপরি এই কমিটির এক নেতা হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি হয়েছেন। এ মামলা যেন নিরপেক্ষ তদন্ত হতে পারে এবং মামলায় যেন কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বিস্তারের সুযোগ না ঘটে এ কারণে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সুপারিশে ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। 

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ | কালের কণ্ঠ