kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

১২৬১ কন্টেইনার নিয়ে বন্দর ছাড়ল বাংলাদেশি পতাকাবাহী সারেরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৩ জুন, ২০২০ ১৪:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১২৬১ কন্টেইনার নিয়ে বন্দর ছাড়ল বাংলাদেশি পতাকাবাহী সারেরা

বাংলাদেশি পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজ 'সারেরা' ১২৬১ একক কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে গেছে আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায়। এরমধ্যে রপ্তানি পণ্যই ছিল ৮০০ একক। প্রথম জাহাজেই এত বিপুল বুকিং সাড়া পেয়ে উচ্ছ্বসিত জাহাজ মালিক ও পরিচালনাকারীরা।

জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রপ্তানি পণ্য নিয়ে প্রথমে সিঙ্গাপুর বন্দর, সেখান থেকে মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং যাবে। এরপর আবার আমদানি পণ্য নিয়ে একই রুট হয়ে চট্টগ্রাম আসবে। সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিন প্রতি সোমবার 'বাংলাদেশ এক্সপ্রেস' সার্ভিসের জাহাজ বার্থিং পাবে। শিডিউল ঠিক রাখতে এজন্য দুটি জাহাজ চলাচল করবে এই রুটে। একই গ্রুপের আরেকটি জাহাজ 'সাহারে' বার্থিং নিবে আগামী সোমবার।

জানতে চাইলে জাহাজ দুটির মালিক কর্ণফুলী গ্রুপের পরিচালক হামদান হোসাইন চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রথম জাহাজেই এত বুকিং এবং ঠিকমতো জাহাজ বার্থিং এবং ছেড়ে যাওয়ার ঘটনা সত্যিই উচ্ছ্বসিত হওয়ার মতো। আমরা গ্রাহকদের এই আস্থা ধরে রাখতে চাই।

উল্লেখ্য, দেশিয় শিপিং ব্যবসায় ঐতিহ্যবাহি প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী গ্রুপ সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের দুটি কন্টেইনার জাহাজ কিনেছে। সার্ভিসটির নাম দেওয়া হয়েছে 'বাংলাদেশ এক্সপ্রেস'। পরিবারের সদস্যের নামানুসারে জাহাজ দুটির নাম রাখা হয়েছে ‘সারেরা’ ও ‘সাহারে’। প্রতিটি জাহাজের পণ্য পরিবহন ক্ষমতা হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ কন্টেইনার একক। লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাঙ বন্দরে চলাচল করবে। ২০১০ সালের পর থেকে বাংলাদেশী পতাকাবাহী কোন কন্টেইনার জাহাজ পণ্য পরিবহনে যুক্ত ছিল না। ১০ বছর পর প্রথম যুক্ত হলো কন্টেইনার জাহাজ।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও চীনের বন্দরগুলোতে বিদেশি ২২টি জাহাজ কম্পানির ৮৪টি জাহাজ কনটেইনার পরিবহন করছে। এসব বিদেশি কম্পানির জাহাজের সাথে প্রতিযোগিতা দিয়েই প্রথম জাহাজেই ভালো বুকিং পেয়েছে।

জানতে চাইলে শিপিং এজেন্ট এসোসিয়েশন পরিচালক আজমীর হোসাইন চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, শিপিং ব্যবসায় অভিজ্ঞতার বড় মূল্যায়ন করলো গ্রাহকরা। ১৫৫০ একক জাহাজ ধারণক্ষমতার মধ্যে এক জাহাজেই বুকিং মিলেছে ১২৬১ একক। এরমধ্যে রপ্তানি পণ্য ছিল ৮০৪ একক। এটা সত্যিই অনুপ্রাণিত হওয়ার মতো।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা