• ই-পেপার

১২৬১ কন্টেইনার নিয়ে বন্দর ছাড়ল বাংলাদেশি পতাকাবাহী সারেরা

পাবনায় টাকা ছাড়াই খাওয়া যাচ্ছে লিচু

প্রবীর সাহা, পাবনা
পাবনায় টাকা ছাড়াই খাওয়া যাচ্ছে লিচু
ছবি: কালের কণ্ঠ

৮ বিঘার জমির উপর ২০০ লিচু গাছের বাগান। জৈষ্ঠ্য মাসের রসালো ফল লিচু। গাছে নানা জাতের থোকায় থোকায় ঝুলছে লিচুর। এটি এমন একটি বাগান, যে বাগানের লিচু খেতে লাগেনা একটি টাকাও। ইচ্ছেমতো লিচু খাওয়া যাবে। এটি পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আলোকদিয়ার গ্রামের কৃষিবীদ মোস্তফা জামাল শামীমের লিচু বাগানের গল্প। যে গল্প রূপকথার গল্পের মতো।

এলাকাবাসী, হতদরিদ্র, দর্শণার্থী ও বন্ধু-স্বজনদের কথা চিন্তা করেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বাগান মালিক পাবনা শহরের ব্যবসায়ী ও কিমিয়া সেন্টারের স্বত্তাধিকারী কৃষিবীদ মোস্তফা জামাল শামীম। চিকিৎসা সেবা, শিক্ষাবৃত্তি, মেধাবৃত্তি, বৃক্ষরোপণ, কিডনী ও হার্টের চিকিৎসা সেবা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে তিনি এক নামে খ্যাতি কুড়িয়েছেন। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি শহরের প্রাণ কেন্দ্র আব্দুল হামিদ সড়কে পাবনা কলেজ নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃষি বিষয়ে শিক্ষকতা করছেন।

বাগান পরিচর্যাকারীরা বলছেন, প্রায় দেড় যুগ আগে তিনি পৈত্রিক ও নিজস্ব অর্থে কেনা জমিতে এই লিচুর বাগান করেন। লিচু বাগানের ২০০ এর অধিক গাছে থোকায় থোকায় নানা জাতের লিচুতে পরিপূর্ণতা পায় লিচু বাগান। খাবার উপযোগী হলেই স্থানীয় গ্রামবাসী, আশপাশের লোকজন, দরিদ্র, হতদরিদ্র, বন্ধু-বান্ধব স্বজনেরা এসে ইচ্ছে মতো বিনা পয়সায় এই লিচু খেতে পারেন। নিজ হাতে লিচু ভেঙ্গে খাওয়া এ যেন এক বিনোদনের আয়োজন। এই বাগানের লিচু কোনদিন বিক্রি করা হয়নি। মানুষের পাশাপাশি পশুপাখি যেন এই লিচু খেতে পারে এ জন্য বাগান করা হয়েছে উন্মুক্ত। নেই কোন বাউন্ডারি ওয়াল, সীমানা প্রাচীর বা কাটা তারের বেড়া। খাচা বা নেট ব্যবহার একেবারেই নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই কৃষি উদ্যোক্তা। গ্রামের একপাশে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী। নদীর পাড়ের বিপরীতের খোলা মাঠ। নানা ফসলের সমারোহের মাঝেই গড়ে তুলেছেন এই লিচুর বাগান। সারিবদ্ধ গাছগুলো টসটসে লিচুতে ছেয়ে গেছে। নানা শ্রেণি পেশার নারী পুরুষ ও শিশুরা আসছেন বিনা পয়সার বাগানে লিচু খেতে। ইচ্ছেমতো লিচু খেয়ে পরিবারের জন্য নিয়েও যাচ্ছেন অনেকে।

বাগান দর্শনে আসা গনমাধ্যম কর্মি ইয়াদ আলী মৃধা পাভেল বলেন, ‘খবর পেয়ে ছুটে এসেছি স্বচক্ষে এমন উদ্যোগ দেখার জন্য। এসে খুব ভাল লাগছে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায়। মানুষ ইচ্ছে করলেই অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। যার জলন্ত উদাহরণ কিমিয়া সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা জামাল শামীম।’

আরেক দর্শণার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘সম্মান আর সম্পদ দেওয়ার মালিক আল্লাহ। আর এই বান্দা ইচ্ছে করলেই মানবিক, উদার আর জনবান্ধব হতে পারেন। বর্তমানে কেউ কাউকে ছাড় দেন না। সেখানে কমাশিয়াল যুগে নিজ খরচে ২০০ গাছের লিচু বিনা পয়সায় খাওয়ার জন্য উন্মুক্ত করা এটা কি ভাষায় প্রকাশ করবো ভেবে পাচ্ছি না।’

স্থানীয় স্কুল শিক্ষক রাজু আহমেদ জানান, ‘ভালো কাজে গ্রামকে আলোচিত করতে একজনই যথেষ্ঠ। যার প্রমাণ আমাদের গ্রামের কৃতি সন্তান শামীম। তার এই মহতি উদ্যোগের কারণে গ্রামের অনেক মানুষকে বাজার থেকে লিচু কিনে খেতে হয় না। যাদের লিচু খাওয়ার ইচ্ছে হয় তারা যে কোন সময়ে লিচু খেতে বাগানে চলে আসেন। বাগানে আসতে কোন দরজা পেরুতে হয় না। কারও অনুমতি লাগে না।’

লিচু বাগানের মালিক, কিমিয়া সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম বলেন, ‘রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না এই লিচু বাগানে। বাগানে দেয়া হয় না কোন নেট বা বন্ধনী। মানুষের পাশাপাশি পশুপাখির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এই লিচু বাগান। গ্রামের মানুষের পাশাপাশি ছোট্ট বাচ্চাদের খুশি করতেই এই উদ্যোগ। যেন বাচ্চারা আনন্দের সাথে নিজে হাতে লিচু পেড়ে খেতে পারে। আমি সব সময় বাগানে বা গ্রামে থাকিনা। কিন্তু যখন শুনি বাগানে নানা শ্রেণির মানুষ দল বেধে এসে লিচু ভেঙ্গে খাচ্ছেন শুনেই তৃপ্তি পাই, ভালো লাগে।’ 

পাবনা খামার বাড়ির অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ নুরে আলম উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘দেশের আরো যারা লিচু বাগান মালিক আছেন, তারা যদি এমন উদারতা দেখান তাহলে সাধারণ মানুষ বিনা পয়সায় লিচু খেতে পারবেন। অনেকের ইচ্ছে থাকলেও কেনার সামর্থ্য না থাকায় লিচু খাওয়া থেকে বঞ্চিত হন।’

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মানুষের জন্য মানবিক, মানবতা আর মমত্ববোধের জায়গায় এক অনন্য উদাহরণ কৃষিবিদ তথা কৃষি উদ্যোক্তা মোস্তফা জামাল শামীম। কৃষি উদ্যোক্তা শামীমের মতোই সমাজের আনাচে-কানাচে এমন উদ্যোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তারা।

তহশিলদারদের পজেটিভ ধারণা তৈরি করতে হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
তহশিলদারদের পজেটিভ ধারণা তৈরি করতে হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে তিনদিন ব্যাপী ভূমি সেবা মেলা উদ্বোধন শেষে স্টল পরিদর্শন করছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাদের (তহশিলদার) পজেটিভ ইমেজ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আজ মঙ্গলবার সকালে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে তিনদিন ব্যাপী ভূমি সেবা মেলা উদ্বোধন শেষে স্টল পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।  

তিনি বলেন, ‘উনাদের বিষয়ে আমার পজেটিভ ধারণা নাই। আমি আশা করবো এখান থেকে আপনারা বের হয়ে আসবেন এবং পজেটিভ ধারণা তৈরি করবেন। জীবন একটাই। বেশি সম্পদের মালিক হবেন, সালমান এফ রহমানকে দেখুন কি পরিণতি।’ 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত দিনে আমরা দেখেছি জমির কাগজ তুলতে গিয়ে মানুষকে কতটা হয়রানি হতে হয়েছে। বাংলাদেশের ৪১ শতাংশ মানুষ ভূমির উপর নির্ভরশীল। আমাদের সরকার ভূমির সেবাটাকে জনবান্ধব করতে চান। আর যেন কেউ একজনের জমি আরেকজন দখল করতে না পারে। আগামী দিনে একটা বিষয় আসবে কাগজ যার, দলিল যার জমি তার। আমাদের সন্তানদের যদি এখনি জমি সংক্রান্ত ধারণা দেয়া হয় তাহলে আগামী দিনে জীবন জীবিকা চলার ক্ষেত্রে তা সহায়ক হবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সিফাত ই রাব্বান , সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, পঞ্চগড় জজ কোর্টের পিপি মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসাইনসহ প্রশাসন ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ।

চৌদ্দগ্রাম

ড্রেনের স্ল্যাব ভাঙা, ফুটপাতে মৃত্যুফাঁদ

ঝুঁকি নিয়ে চলাচল পথচারীদের দ্রুত সংস্কার বা প্রতিস্থাপন দাবি

আবুল বাশার রানা, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা)
ড্রেনের স্ল্যাব ভাঙা, ফুটপাতে মৃত্যুফাঁদ
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ড্রেনের স্ল্যাব (ঢাকনা) প্রায় এক মাস ধরে ভাঙা। ফুটপাত হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এই ড্রেনের একটি বড় অংশের স্ল্যাব ভেঙে পড়ায় তা মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মালবাহী ট্রাক মহাসড়কের পূর্ব পাশের ড্রেনের ওপর উঠে যায়। এতে  ড্রেনের অনেকগুলো আরসিসি স্ল্যাব ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়। দীর্ঘদিন পার হলেও স্ল্যাবগুলো মেরামত বা প্রতিস্থাপন করা হয়নি।

স্থানীয়রা জানায়, চৌদ্দগ্রাম বাজারের এই অংশটি অত্যন্ত ব্যস্ততম। এর পাশেই বহুতল মার্কেট ও দুটি ব্যাংকের শাখা রয়েছে। অপর পাশে রয়েছে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়। ড্রেনের ওপর ঢাকনা থাকায় সাধারণ মানুষ ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এত দিন এটি ফুটপাত হিসেবে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করে আসছিল। স্ল্যাবগুলো ভেঙে যাওয়ার পর থেকে এই পথ দিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

কাকলী আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আগে আমরা ড্রেনের ওপর দিয়ে নিরাপদে হেঁটে যাতায়াত করতাম। এখন স্ল্যাব ভেঙে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেইন রোড দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে।’

ড্রেনের ঢাকনা ভাঙা থাকায় বাজারের পূর্ব পাশের দোকানপাটে ক্রেতাদের আসা-যাওয়া কমে গেছে। ফলে বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, ঢাকনা না থাকায় ড্রেনের ভেতরের ময়লা-আবর্জনা উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে। এতে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, বেড়েছে মশার উপদ্রব। এ কারণে ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। 

এদিকে, ড্রেনের স্ল্যাবগুলো দ্রুত সংস্কারের দাবি উঠলেও দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ এবং পৌরসভা কর্তৃপক্ষের মধ্যে রশি টানাটানি চলছে।

সড়ক ও জনপদ (সওজ) কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘ড্রেনটি সওজের আওতাধীন হলেও এর সংস্কার ও পরিষ্কার করার  বিষয়টি দেখে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা। তাই বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষই ভালো বলতে পারবে।’

পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুল আমিন বলেন, ড্রেনটি পৌর এলাকার হলেও এর দায়-দায়িত্ব সওজের, পৌরসভার নয়। তারাই বিষয়টি ভালো বলতে পারবেন।’

তবে পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান পাটোয়ারী বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শিগগিরই ড্রেনটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনিতে পাথর উত্তোলন বন্ধ

দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনিতে পাথর উত্তোলন বন্ধ
সংগৃহীত ছবি

বিস্ফোরক সংকটে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত বিস্ফোরক পদার্থ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ।

খনির মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও সেবা) সৈয়দ রফিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমদানি করা বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে পাথর উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

খনির মহাব্যবস্থাপক জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন চালান খনিতে পৌঁছাবে এবং পুনরায় উৎপাদন শুরু হবে।

আরো পড়ুন
৫ লাখ টাকার জন্য প্রবাসীকে ৮ টুকরা, আদালতে প্রেমিকার বোনের জবানবন্দি

৫ লাখ টাকার জন্য প্রবাসীকে ৮ টুকরা, আদালতে প্রেমিকার বোনের জবানবন্দি

 

রফিজুল ইসলাম বলেন, উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও খনির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রচুর পরিমাণে পাথর মজুদ থাকায় সাময়িক সময়ের জন্য উৎপাদন বন্ধে বাজারে পাথরের কোনো সংকট তৈরি হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।

বিস্ফোরক দ্রব্য সরবরাহে বিলম্বের কারণে এর আগেও কয়েক দফা পাথর উত্তোলন বন্ধ ছিল। সবশেষ ২০২ ও ২০২৫ সালে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হয়। এ ছাড়া ২০১৪ সালে ২২ দিন, ২০১৫ সালে দুই মাস এবং ২০১৮ সালে সাত দিন পাথর উত্তোলন বন্ধ ছিল।

দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ পাথর খনি হিসেবে পরিচিত মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল) ২০০৭ সালের ২৫ মে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৭০০ শ্রমিক তিন শিফটে খনিতে কাজ করছেন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ঠিকাদারি প্রতষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)-এর সঙ্গে ছয় বছরের পুনঃচুক্তি করে খনি কর্তৃপক্ষ। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৫ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন করা হয়।

এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও খনির নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।

১২৬১ কন্টেইনার নিয়ে বন্দর ছাড়ল বাংলাদেশি পতাকাবাহী সারেরা | কালের কণ্ঠ