kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩০ আষাঢ় ১৪২৭। ১৪ জুলাই ২০২০। ২২ জিলকদ ১৪৪১

সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই চুনারুঘাট পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৪ জুন, ২০২০ ০৪:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই চুনারুঘাট পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যবস্থা না রেখেই হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুনারুঘাট জোনাল অফিস বিদ্যুৎ বিল নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে। এতে করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়বে।

সরজমিন ঘুরে দেখা দেখা গেছে, চুনারুঘাট জোনাল অফিসে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার কাউন্টারের সামনে মানুষ গিজ গিজ করছে। করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে এত মানুষের ভিড়? আলাপ করে জানা গেছে, অনেকেই করোনার মধ্যে লগডাউনের কারণে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের বিদ্যুৎ বিল দিতে পারেননি।

বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার জন্য গ্রাহকদের চাঁপ দেওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে তারা এসেছেন। লাইনে ৭০ বছরের বৃদ্ধ যেমন ছিলেন, তেমনি শিশু মহিলা যুবকও রয়েছেন। কিন্তু সবাই এমন ঠাসাঠাসি করে দাঁড়িয়েছেন, যেন চুনারুঘাটে করোনাভাইরাস নাই। অনেকের মুখে মাক্স নেই।

সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কোনো উদ্যোগ নেয়নি চুনারুঘাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস। অফিস ঘুরে দেখা গেছে, এখানে হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। নেই স্যানিটাইজার। জীবাণুনাশক স্প্রে ছিটানো হয়নি। সামাজিক দূরত্বে দাঁড়ানোর জন্য গোল চিহ্ন দেয়নি বিদ্যুৎ অফিস। 

কথা হয় হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুনারুঘাট জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আবুল কাসেমের সঙ্গে। তিনি বলেন, লোকজনকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে বলা হয় কিন্তু তারা কথা শুনেন না। কোনোভাবেই তাদেরকে বুঝানো যাচ্ছে না। অফিসে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিল দিতে আসা এক গ্রাহক বলেন, একটি মাত্র কাউন্টার হওয়ার নারী-পুরুষদের এক দিকে দাঁড়াতে হয়। বিল নেওয়ার ধীরগতির কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লম্বা লাইনে ঠাসাঠাসি করে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তার ফলে বাড়ছে করোনাভাইরাসের ঝুঁকি। দেখে বোঝা যাচ্ছে, এখানে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে এখান থেকে কারোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পাড়ে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা