• ই-পেপার

শিশু ধর্ষণের মামলায় কারাগারে বৃদ্ধ

বিয়ের চাপেই পরকীয়া প্রেমিকাকে হত্যা, প্রেমিক গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
বিয়ের চাপেই পরকীয়া প্রেমিকাকে হত্যা, প্রেমিক গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

স্বামীকে তালাক দিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে বসবাস শুরু করছিলেন সাদিয়া। পরে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রেমিক মো. আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ান (২৫) তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাদিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এসব তথ্য জানান পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) মিন্টু কুমার।

‎পিবিআই জানায়, প্রায় তিন বছর আগে সাদিয়ার সঙ্গে ইব্রাহিমের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন, ইব্রাহিম আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহের এক পর্যায়ে ইব্রাহিমকে ডিভোর্স দেন সাদিয়া।

‎পাশাপাশি পরিচয় গোপন করে অবিবাহিত দাবি করা আব্দুর রাজ্জাক আরিয়ানের সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকায় তারা স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।

‎তদন্তে উঠে আসে, গত ১২ জুলাই রাতে সাদিয়া রাজ্জাককে বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু রাজ্জাক তাতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ রাজ্জাক সাদিয়ার গলা চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ঘরে ফেলে রেখে নিহতের মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যান।‎

‎হত্যাকাণ্ডের পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা হলে ১৬ জুলাই পিবিআই মামলাটি অধিগ্রহণ করে। প্রথমে এজাহারভুক্ত আসামি ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে প্রকৃত হত্যাকারী হিসেবে আব্দুর রাজ্জাক আরিয়ানকে শনাক্ত করা হয়।

‎পিবিআই জানায়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে মাথায় ক্যাপ পরা এক ব্যক্তির আসা-যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। পরে নিহতের ছয় বছর বয়সী কন্যা তাহিয়া জানায়, ওই ব্যক্তি আরিয়ান চাচ্চু নামে তাদের বাসায় প্রায়ই আসতেন। এই তথ্যকে কেন্দ্র করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় রাজ্জাকের অবস্থান নিশ্চিত করে ২১ জুলাই কেরানীগঞ্জের জিনজিরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে রাজ্জাক সাদিয়াকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের সময় ব্যবহৃত ক্যাপ, নিহতের মোবাইল ফোন এবং বিক্রি করে দেওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। পরদিন ২২ জুলাই তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

‎পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কারো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হাজিরা খাতায় নাম একজনের, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক আরেকজন

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
হাজিরা খাতায় নাম একজনের, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক আরেকজন
ছবি : কালের কণ্ঠ

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার চাঁন্দাইর দারুলউলুম দ্বিমুখী দাখিল মাদরাসার এক শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করলেও তাঁর নামে নিয়মিত হাজিরা দেখিয়ে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তাঁর পরিবর্তে অন্য একজন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করছেন এবং হাজিরা খাতায়ও তাঁর পক্ষে স্বাক্ষর করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

সরেজমিন বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মাদরাসায় গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য শিক্ষক যথারীতি ক্লাস নিলেও সহকারী জুনিয়র মৌলভী ফুয়াদ হোসেনকে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। তাঁর নির্ধারিত শ্রেণিতে পাঠদান করাচ্ছিলেন জাহিদ নামে এক ব্যক্তি। হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় দেখা যায়, ফুয়াদ হোসেনের নামের বিপরীতে নিয়মিত উপস্থিতি দেখানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তাঁর পরিবর্তে জাহিদই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, আহাম্মেদাবাদ ইউনিয়নের ঝামুটপুর গ্রামে অবস্থিত চাঁন্দাইর দারুলউলুম দ্বিমুখী দাখিল মাদরাসাটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী এবং ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, এনটিআরসিএর সুপারিশে ফুয়াদ হোসেন ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ইবতেদায়ি শাখায় সহকারী জুনিয়র মৌলভী হিসেবে যোগদান করেন। অভিযোগ রয়েছে, যোগদানের পর থেকেই তিনি নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকেন। প্রতি মাসে বেতন-ভাতা উত্তোলনের সময় এক-দুই দিনের জন্য মাদরাসায় এলেও বাকি সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। এ সময়ে তাঁর পরিবর্তে অন্য একজন পাঠদান করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফুয়াদ হোসেন বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। স্থানীয়দের দাবি, তাঁর অনুপস্থিতিতে জাহিদ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন। বিষয়টি মাদরাসা কর্তৃপক্ষের জ্ঞাতসারেই চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাদরাসার একাধিক শিক্ষক বলেন, ফুয়াদ নিয়মিত মাদরাসায় আসেন না। মাসে একবার এসে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে চলে যান। বাকি সময় অন্য একজন ক্লাস নেন। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় সবাই জানেন।

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, এমনিতেই শিক্ষার্থীসংখ্যা কমছে। এর মধ্যে একজন শিক্ষক নিয়মিত অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার মান আরো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

জাহিদ নামে পাঠদানকারী ব্যক্তি বলেন, ‘ফুয়াদ ঢাকায় থাকেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। তাই কয়েক মাস ধরে তাঁর ক্লাস আমি নিচ্ছি।’ তবে তিনি কী ভিত্তিতে পাঠদান করছেন কিংবা এ বিষয়ে কোনো নিয়োগ বা অনুমোদন রয়েছে কি না—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক ফুয়াদ হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মাদরাসার সুপার হাফিজার রহমান বলেন, ‘ফুয়াদ এক মাসের ছুটিতে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ক্লাস নিচ্ছেন না।’ তবে ছুটিতে থাকা অবস্থায়ও তাঁর নামে হাজিরা, বেতন-ভাতা উত্তোলন এবং অন্য একজনের মাধ্যমে পাঠদানের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মনসুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। ঢাকায় অবস্থান করে অন্য কাউকে দিয়ে পাঠদান করানোর কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আইনজীবীর মাথা ফাটানো বিচারক সুজন মিয়া মন্ত্রণালয়ে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আইনজীবীর মাথা ফাটানো বিচারক সুজন মিয়া মন্ত্রণালয়ে বদলি

গোপালগঞ্জে এজলাসে বিচারকাজ চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীকে আহত করার অভিযোগে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়াকে বদলি করা হয়েছে। তাকে গোপালগঞ্জ থেকে বদলি করে আইন মন্ত্রণালয়ে (সিভিল জজ হিসেবে) সংযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-১ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) এ এফ এম গোলজার রহমান।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গোপালগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়াকে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা (সিভিল জজ) হিসেবে পদায়ন করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে তাকে অবিলম্বে বর্তমান পদের দায়িত্বভার অর্পণ করে বদলি করা নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপালগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ বিচারকার্য চলাকালে হট্টগোল হয়। শুনানি চলাকালে একাধিকবার সতর্ক করার পরও পেছনের দিকে শোরগোল হতে থাকলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বিচারক সুজন মিয়া। এক পর্যায়ে তিনি এজলাসের ডায়াস থেকে ভারী একটি কাচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন।

সেই পেপারওয়েটটি সরাসরি গিয়ে আঘাত করে আদালতে উপস্থিত শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায়। এতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম এম জুলকদর রহমানের অধীনে কর্মরত সাবিহা সুলতানা রক্তাক্ত ও গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনা জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা। বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে আহত করার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকালে মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন আইনজীবীরা। তারা বিচারক সুজন মিয়ার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

স্কুল ফিডিংয়ের রুটিতে মিলল ব্লেড, তদন্তে কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
স্কুল ফিডিংয়ের রুটিতে মিলল ব্লেড, তদন্তে কমিটি
সংগৃহীত ছবি

বরিশালে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর স্কুল ফিডিং রুটির মধ্যে ধারালো একটি ব্লেড পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২২ জুলাই) বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার হরিসেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। 

ওই স্কুলের প্রথম শ্রেণির আলমতাজ নামের এক ছাত্রী স্কুল ফিডিংয়ের দেওয়া রুটি খাওয়ার সময় একটি ব্লেড দেখতে পায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুন নাহারকে জানানো হয়। 

রুটিটি খাওয়ার আগেই তার মধ্যে ব্লেডটি দেখতে পাওয়ায় শিক্ষার্থীর কোনো শারীরিক ক্ষতি হয়নি। বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী আলমতাজের সঙ্গে কথা বলে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

এ ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। গৌরনদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সেকান্দর শেখকে আহ্বায়ক ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম নুরুল আলম মৃধাকে সদস্যসচিব করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 
কমিটির অন্য সদস্য হলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসের ড সৌভিক সরকার ও উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সংকর কুমার দাস।

গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম বলেন, বিষয়টি জানার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলটি পরিদর্শন করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সায়ফুন নাহার তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নুরুল ইসলাম মৃধাকে জানানো হয়েছে। 

এ বিষয়ে রুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আইল্যান্ড ট্রেডিং করপোরেশনের প্রতিনিধি আরিফ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে এখনই কিছু বলতে পারব না। 

শিশু ধর্ষণের মামলায় কারাগারে বৃদ্ধ | কালের কণ্ঠ