kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

নড়াইলে লাখো মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে ভাষা শহীদদের স্মরণ

নড়াইল প্রতিনিধি   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৯:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নড়াইলে লাখো মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে ভাষা শহীদদের স্মরণ

ছবি : কালের কণ্ঠ

‘অন্ধকার থেকে মুক্ত করুক একুশের আলো’ এই শ্লোগান নিয়ে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের কুড়িরডোব মাঠে ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রজ্জ্বলন করা হলো লাখো মঙ্গল প্রদীপ ও মোমবাতি। 

২১ শে ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার নড়াইল “একুশের আলো”র আয়োজনে ভাষা শহীদদের স্মরণে সন্ধ্যায় এ মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। সূর্যাস্তের সাথে সাথে ২১ এর সন্ধ্যায় শুরু হয় এক লাখ মঙ্গল প্রদীপ ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন। শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতি সৌধ, বাংলা বর্ণমালা, আল্পনাসহ গ্রাম বাংলার নানা ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে। সে সাথে ভাষা দিবসের ৬৯তম বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ৬৯টি ফানুষ উড়ানো হয়।

সন্ধ্যায় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের শিল্পীরা ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ এই গান পরিবেশনের সাথে সাথে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা। 

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাষা সৈনিক রিজিয়া খানম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, নড়াইল পৌরসভার মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, নড়াইল একুশের আলোর সভাপতি প্রফেসর মুন্সী হাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব ও নাট্য ব্যক্তিত্ব কচি খন্দকারসহ নড়াইলের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নড়াইলের ২২ বছরের এই আয়োজনদেখতে দুরদুরান্ত থেকে কয়েকহাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলো। 

নড়াইল একুশের আলোর সদস্য সচিব, নাট্য ব্যক্তিত্ব কচি খন্দকার বলেন, লাখো মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আমরা কুসংস্কার, ধর্মীয় গোড়ামীসহ অন্ধকার থেকে মুক্ত হতে চাই, যা আমাদের ভাষা শহীদরা চেয়েছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা