• ই-পেপার

চট্টগ্রামে ২০ হাজার টাকার জাল নোটসহ যুবক আটক

পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে বিশ্বম্ভরপুরের ১০০ মিটার সড়ক

বিশ্বম্ভরপুর(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি
পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে বিশ্বম্ভরপুরের ১০০ মিটার সড়ক
পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়া বিশ্বম্ভরপুরের ১০০ মিটার দুর্গাপুর সড়ক। রবিবার সকালে তোলা ছবি। ছবি: কালের কণ্ঠ।

টানা বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ১০০ মিটার (দুর্গাপুর) সড়ক তলিয়ে গেছে। এতে সুনামগঞ্জ জেলা সদর থেকে বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুরগামী পর্যটক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

রবিবার (২১ জুন) সকাল থেকে যাদুকাটা নদী দিয়ে প্রবল বেগে নেমে আসা পানিতে সড়কটি প্লাবিত হয়। একই সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর সড়কের কিছু অংশও পানির নিচে চলে গেছে। তবে ঝুঁকি নিয়ে এখনো সীমিত আকারে যানবাহন চলাচল করছে।

স্থানীয়রা জানান, পানি আরও বাড়লে এই সড়ক দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সড়কটি নিচু হওয়ায় প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

সিএনজি চালক ফারুক মিয়া বলেন, অনেক কষ্টে পানি ঠেলে সড়ক পার হয়েছি। পানি যেভাবে বাড়ছে, আবার ফিরতে পারব কি না তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।

সুনামগঞ্জ থেকে আসা যাত্রী রফিক মিয়া জানান, ভারত থেকে যাদুকাটা নদী হয়ে নেমে আসা প্রবল স্রোতের পানি সড়ক উপচে ভাটির দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। সকালে কোনো রকমে যাতায়াত করতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা নাজিম মিয়া বলেন, প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলের পানিতে সড়কটি তলিয়ে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। স্থায়ী সমাধানের জন্য সড়কটি উঁচু করার দাবি জানান তিনি।

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কামাল হোসেন বলেন, পানি আরো বাড়লে ১০০ মিটার সড়ক পার হতে নৌকার প্রয়োজন হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানিয়েছেন, জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তবে বর্তমানে জেলার সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এবং উজান থেকে আরো পানি নেমে এলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে।

ভোলায় সম্পত্তি বিরোধের জেরে বাবার লাশ দাফনে সন্তানদের বাধা

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি
ভোলায় সম্পত্তি বিরোধের জেরে বাবার লাশ দাফনে সন্তানদের বাধা
ছবি: কালের কণ্ঠ

ভোলার চরফ্যাশনের শশিভূষণে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তির লাশ দাফনে বাধা ও সন্তানদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। লাশ দাফনকে কেন্দ্র করে দুস্থানে দুইবার কবর খুঁড়ে দাফন করতে পারেনি। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। শনিবার (২০ জুন) উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ৩নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

 

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৪টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও সাতজন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন। সন্তানদের অভিযোগ, তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এই সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরেই লাশ দাফনে বাধা দেন সন্তানরা। পরে বাধ্য হয়ে পরিবারের লোকজন নিজ বাড়ির উঠানে দ্বিতীয়বার কবর খোঁড়েন। কিন্তু সেখানেও মৃতের চতুর্থ স্ত্রী ও সেই ঘরের সন্তানরা পূনরায় বাধা দেন। এছাড়াও লাশ আঙিনায় রেখে ভাইবোনদের মধ্যে কয়েক দফা হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের লাশ নিজ বাড়ির আঙিনায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দাফনকে কেন্দ্র করে কয়েক ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা বিরাজ ওই বাড়িতে। একপর্যায়ে লাশ বাড়ির উঠানে রেখে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি এবং মারধর বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে শশীভূষণ থানা পুলিশকে খরব দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে পুলিশের উপস্থিতিতেও কয়েক দফা উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় জনপপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা উভয় পক্ষকে শান্ত করে দীর্ঘ আলোচনার পর বাড়ির উঠানে জানাজা শেষে জলিলের লাশ দাফন করা হয়।

এদিকে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে একজন মৃত ব্যক্তির দাফন বিলম্বিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। অনেকেই এমন ঘটনাকে মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। 

২০০ বছরের পুরোনো শ্মশানের উন্নয়ন কাজে আর বাধা নেই : নাসিক প্রশাসক

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
২০০ বছরের পুরোনো শ্মশানের উন্নয়ন কাজে আর বাধা নেই : নাসিক প্রশাসক
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো শ্মশান ও মন্দিরের উন্নয়ন কাজ বন্ধের বিষয়ে চলমান আইনি বিরোধে শ্মশানের পক্ষে রায় দিয়েছেন আদালত। আদালত আম্বার পেপার মিলসের করা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দেওয়ায় শ্মশানের উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যেতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান।

রবিবার (২১ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতের বিচারক শারমিন আক্তার পিংকি এ রায় দেন। 

সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুর এলাকায় অবস্থিত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো শ্মশান ও মন্দিরটি ১৭৯৩ সাল থেকে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ১০ নম্বর ওয়ার্ডসহ পার্শ্ববর্তী সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ও মদনগঞ্জ এলাকার হাজারো হিন্দু ধর্মাবলম্বীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করার একমাত্র স্থান এটি।

বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রায় ৭ একর জমির মধ্যে শ্মশান ও মন্দিরের জন্য ব্যবহৃত ৩১ শতাংশ জায়গা। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে শ্মশান ও মন্দির বিদ্যমান থাকলেও শিল্প প্রতিষ্ঠানটি পুরো জমির মালিকানা দাবি করে আসছে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে শ্মশানটির আধুনিকায়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় আধুনিক দাহ চুল্লি, গোসলখানা ও অফিস ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। উন্নয়ন কাজ শুরু হয়ে একাধিক পাইলিং পিলার স্থাপন করা হলেও পরে আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশের কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

রায়ের বিষয়ে নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে শ্মশানের উন্নয়ন কাজ চলমান রাখতে আর কোনো আইনি বাধা নেই। জনস্বার্থ এবং স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়টি আদালত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছেন। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আরো একবার প্রমাণিত হয়েছে।

এদিকে মামলার বাদী পক্ষ আম্বার পেপার মিলসের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মজিদ খন্দকার বলেন, আমরা প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র আদালতে জমা দিয়েছি। আজকের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব। আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব এবং আইনি লড়াই অব্যাহত রাখব।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এরশাদ সরকারের আমলে মাত্র এক টাকায় প্রায় ৭০০ শতাংশ জমি স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল আম্বার পেপার মিলসকে। বর্তমানে ওই এলাকার জমির বাজারমূল্য অনুযায়ী সম্পত্তিটির মূল্য শত কোটি টাকার বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। শ্মশান কমিটির অভিযোগ, ১৯৮৯ সালে লিজ গ্রহণের সময় শ্মশানের ৩১ শতাংশ জমির বিষয়টি গোপন করা হয়েছিল, যা তদন্তের দাবি রাখে।

আদালতের সবশেষ রায়ে উন্নয়ন কাজ পুনরায় শুরু হওয়ার পথ উন্মুক্ত হওয়ায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই রায়ের ফলে শুধু আধুনিকায়ন প্রকল্পের কাজই এগিয়ে যাবে না, দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ নিষ্পত্তির পথ আরো সুগম হবে।
 

বিশ্বম্ভরপুর

ঢলের পানিতে সড়ক প্লাবিত, ঢুকছে লোকালয়েও

সাময়িক বন্যার শঙ্কা

বিশ্বম্ভরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
ঢলের পানিতে সড়ক প্লাবিত, ঢুকছে লোকালয়েও
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন ১০০ মিটার দুর্গাপুর সড়ক। রবিবার সকালে তোলা। -কালের কণ্ঠ

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ১০০ মিটার দুর্গাপুর সড়ক। এতে দুর্ভোগে পড়েছে জেলা শহর থেকে বিশ্বম্ভরপুর তাহিরপুর যাতায়াত করা মানুষ। 

জেলার বিভিন্ন উপজেলার সীমান্ত নদীর পানি প্রবল বেগে ভাটির দিকে নামছে বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার (২১ জুন) সকাল থেকে যাদুকাটা নদী দিয়ে প্রবল বেগে নেমে আসা পানিতে সড়কটি তলিয়ে যায়। এছাড়া  তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর সড়কও তলিয়ে গেছে। এর মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। তবে আরো পানি বাড়লে সেটিও আর সম্ভব হবে না। 

সড়কটি নিচু থাকায় এমন পরিস্থিতির শিকার হতে হয় এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষ ও যানবাহনকে।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক ফারুক মিয়া বলেন, ‘১০০ মিটার সড়কটি দিয়ে কোনো রকমে পানি ঠেলে এসেছি। এখন আবার যেতে পারবো কিনা সন্দেহ আছে। কারণ পানি বাড়ছে।’

সুনামগঞ্জ থেকে আসা রফিক মিয়া বলেন, ভারত থেকে যাদুকাটা নদীর মাধ্যমে নেমে আসা প্রবল স্রোত সড়ক উপচে পানি ভাটির দিকে যাচ্ছে। সকালে কোনো রকম এসেছি।

স্থানীয় বাসিন্দা নাজিম মিয়া বলেন, সড়কটি প্রতিবছরই পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায়। এতে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সড়কটি উঁচু করা না হলে এই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন হবে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কামাল হোসেন বলেন,‘পানি বাড়ার কারণে সড়কটি ডুবে গেছে। পানি আরো বাড়লে ১০০ মিটার সড়ক পার হতে নৌকা লাগবে।’ তিনি বলেন, ‘যে পরিমাণে পানি বাড়ছে আর বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে এলাকার নিম্নাঞ্চলের পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছি।’

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, সুনামগঞ্জের সব পয়েন্ট দিয়েই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। 

চট্টগ্রামে ২০ হাজার টাকার জাল নোটসহ যুবক আটক | কালের কণ্ঠ