• ই-পেপার

তারেক রহমানের জন্মদিন

র‌্যালিতে এসে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু

মোরেলগঞ্জে পানগুছি নদীর ফেরি ৩ দিনের জন্য বন্ধ

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোরেলগঞ্জে পানগুছি নদীর ফেরি ৩ দিনের জন্য বন্ধ

সংস্কার কাজের জন্য বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পানগুছি নদীর ফেরি চলাচল শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল থেকে ৩ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সকাল থেকে ফেরিঘাটের উভয় প্রান্তের বেইলি ওঠানো এবং বারইখালী প্রান্তের পন্টুন মেরামতের কাজ শুরু হবে।

সংস্কার শেষে আগামী সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে পূর্বের ন্যায় ফেরি চলাচল শুরু হবে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সড়ক বিভাগ বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কে মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীর ফেরিঘাটের উভয় প্রান্তের বেইলি পাটাতন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যান চলাচলে অসুবিধা হচ্ছিল। পানগুছি নদীর বারইখালী প্রান্তের পন্টুন মেরামত এবং জোয়ারের সময় সংযোগ সড়ক পানিতে ডুবে যাচ্ছিল। যার কারণে সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংস্কার শেষে সোমবার সকাল ৬টা থেকে আবারও ফেরি দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

নোয়াখালী

সাঁতার শিখতে গিয়ে পানিতে ডুবে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি
সাঁতার শিখতে গিয়ে পানিতে ডুবে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় সাঁতার শিখতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে রমজান হাওলাদার (১১) নামের চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

রমজান হাওলাদার একই এলাকার মো. রাসেল হাওলাদারের ছেলে এবং স্থানীয় মতইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নিহতের বাবা রাসেল হাওলাদার জানান, স্কুল শেষে বিকেলে বাড়ি ফিরে রমজান তার মাকে জানায়, সে পুকুরে সাঁতার শিখতে যাবে। এসময় সে সঙ্গে দুটি প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে ঘর থেকে বের হয়। হঠাৎ একটি কল আসায় তার মা ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় ছেলের সঙ্গে যেতে পারেননি। পরে রমজান একাই পুকুরে যায়। সাঁতার শেখার সময় অসাবধানতাবশত সে পানিতে ডুবে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মা পুকুরঘাটে গিয়ে ছেলেকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুকুর থেকে রমজানকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

সেনবাগ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভাঙ্গায় সুমন শেখ হত্যা : ১১ জনকে আসামি করে থানায় মামলা

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ভাঙ্গায় সুমন শেখ হত্যা : ১১ জনকে আসামি করে থানায় মামলা
সুমন শেখ। সংগৃহীত ছবি

ভাঙ্গায় স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুমন শেখ (২২) হত্যার ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে সুমনের বাবা মিলন শেখ বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

ভাঙ্গা থানা সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরো ৩০/৩৫ জনকে অজ্ঞাতনামা উল্লেখ করা হয়েছে।

সুমন শেখের বাড়ি ভাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লায়।

এদিকে ভাঙ্গার সার্বিক পরিস্থিতি থমথমে অবস্থায় রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিহত সুমনের বাবা মিলন শেখ সাংবাদিকদের বলেন, হাসামদিয়া গ্রামের সজীব মাতুব্বরসহ যারা আমার আমার ছেলে সুমনকে হত্যা করেছে। আমি তাদের বিচার চাই।

গত বুধবার রাত ৯টার দিকে ভাঙ্গা ঈদগাঁহ মসজিদে সুমন শেখের জানাজা শেষে ঈদঁগাহ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজার আগে সুমন হত্যার বিচার দাবিতে এলাকাবাসী বুধবার রাতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক আধা ঘণ্টার জন্য অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ভাঙ্গা বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সুমন শেখ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, গত মঙ্গলবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে সুমন শেখ নামের এক যুবক নিহত হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফরিদপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম : ১ নবজাতকের মৃত্যু, অন্যদের অবস্থা আশঙ্কাজনক

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম : ১ নবজাতকের মৃত্যু, অন্যদের অবস্থা আশঙ্কাজনক
ছবি : কালের কণ্ঠ

ফরিদপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি। তবে জন্মের কিছুক্ষণ পরই এক কন্যাশিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাকি চার নবজাতক আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার ছাড়াই পাঁচ সন্তানের জন্ম দেন ফরিদপুর সদর উপজেলার ভবুকদিয়া গ্রামের চাঁদনি আক্তার (২০)। নবজাতকদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গর্ভধারণের ২৮ সপ্তাহেই প্রসববেদনা শুরু হলে চাঁদনিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে প্রথম সন্তান জন্ম নেয়। পরবর্তী আধাঘণ্টার মধ্যে আরও চার নবজাতকের জন্ম হয়। জন্মের কিছুক্ষণ পর একটি কন্যাশিশুর মৃত্যু হয়।

পরিবার সূত্র জানায়, চাঁদনির স্বামী মাহামুদুল হাসান ডলার (৩০)। দেড় বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। এটি ছিল তাদের প্রথম সন্তানসম্ভবা। আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে আগে থেকেই জানা গিয়েছিল, চাঁদনির গর্ভে একসঙ্গে পাঁচটি সন্তান রয়েছে। বিষয়টি বিরল হওয়ায় চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডে বর্তমানে চার নবজাতককে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছে। তারা সবাই অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় তাদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। পর্যাপ্ত ইনকিউবেটর ও নবজাতকের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ) না থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স মিনতি সরকার জানান, সব নবজাতকের জন্ম হয়েছে মাত্র ২৮ সপ্তাহে। তাদের ওজন ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের মধ্যে। অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় তাদের জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় মায়ের জন্য জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন।

নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক পৃতীরাজ পাল চৌধুরী বলেন, পাঁচ শিশুর মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় ওয়ার্ডে আনা হয়েছে। জীবিত চারজনেরই এনআইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন। কিন্তু হাসপাতালে সেই সুবিধা না থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে পরিবার এখনো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি।

এদিকে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম হলেও একজনকে হারিয়ে এবং বাকি চার নবজাতকের সংকটাপন্ন অবস্থায় পরিবারে নেমে এসেছে গভীর উদ্বেগ। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে উন্নত চিকিৎসা নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্বজনরা।

র‌্যালিতে এসে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু | কালের কণ্ঠ