• ই-পেপার

মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সম্ভাবনাকে সংযুক্ত করার এক নিরলস অভিযাত্রা

ডিজিটাল ডিসকভারি ডে-২০২৬

ল্যাবরেটরি ডায়াগনস্টিকস ও ডিজিটাল হেলথকেয়ারের সর্বাধুনিক উদ্ভাবন উপস্থাপন

অনলাইন ডেস্ক
ল্যাবরেটরি ডায়াগনস্টিকস ও ডিজিটাল হেলথকেয়ারের সর্বাধুনিক উদ্ভাবন উপস্থাপন
সংগৃহীত ছবি

মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড, অ্যাবট ডায়াগনস্টিকসের সহযোগিতায় সফলভাবে ডিজিটাল ডিসকভারি ডে ২০২৬ আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী, ল্যাবরেটরি বিশেষজ্ঞ, হাসপাতাল প্রশাসক এবং শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘উদ্ভাবনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার অগ্রযাত্রা’।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মি. চন্দ্রেশ মাদানি (Chaandrish Madani), ডিস্ট্রিবিউটর অপারেশন ম্যানেজার, কোর ডায়াগনস্টিকস, অ্যাবট এবং মি. শামসুদ্দিন জিয়া, চিফ অপারেটিং অফিসার, মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড। তারা আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ডিজিটাল রূপান্তর, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মি. শামসুদ্দিন জিয়া বলেন, ‘ডিজিটাল রূপান্তর এবং ইন্টেলিজেন্ট ডায়াগনস্টিকসের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ডিজিটাল ডিসকভারি ডে ২০২৬-এর মাধ্যমে আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চাই, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীরা বৈশ্বিক উদ্ভাবনের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন, জ্ঞান বিনিময় করতে পারবেন এবং এমন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারবেন যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার দক্ষতা, নির্ভুলতা এবং রোগী সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ বক্তৃতা প্রদান করেন:

• মি. সিহি পার্ক (Sehee Park), মার্কেটিং ম্যানেজার, DHS & Systems, Core Diagnostics, Abbott • মিস ক্রিস্টিন গোপালাকৃষ্ণন (Kristin Gopalakrishnan), ডিজিটাল হেলথ সল্যুশনস এক্সিকিউটিভ, Core Diagnostics, Abbott • প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. এস. এম. মাহবুবুল আলম, এমবিবিএস, এমসিপিএস (ক্লিনিক্যাল প্যাথলজি), এফসিপিএস (হিস্টোপ্যাথলজি), সিনিয়র কনসালট্যান্ট, এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকা

বক্তারা ল্যাবরেটরি অটোমেশন, ডিজিটাল হেলথ সল্যুশনস, কানেক্টেড ডায়াগনস্টিকস এবং স্বাস্থ্যসেবার কার্যকারিতা ও রোগীর সেবার মান উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন। অংশগ্রহণকারীরা ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি, ল্যাবরেটরি ইনফরমেটিক্স, ওয়ার্কফ্লো অপ্টিমাইজেশন এবং ডিজিটাল হেলথকেয়ার সল্যুশনসের সর্বশেষ উদ্ভাবন সম্পর্কে জানার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানটি স্বাস্থ্যসেবা খাতের পেশাজীবীদের জন্য জ্ঞান বিনিময়, মতবিনিময় এবং নেটওয়ার্কিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। আলোচনায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষতা বৃদ্ধি, মান নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালীকরণ এবং উন্নত ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে মি. নিজামউদ্দিন হাসান রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড, অনুষ্ঠানের সকল বক্তা, অংশগ্রহণকারী এবং সহযোগীদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সমাধান পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে ইন্টেলিজেন্ট ডায়াগনস্টিকস, ডিজিটাল কানেক্টিভিটি এবং ধারাবাহিক উদ্ভাবনের ওপর। ডিজিটাল ডিসকভারি ডে ২০২৬-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তির অগ্রগতিকে বাংলাদেশের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সংযুক্ত করতে চাই, যাতে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো আরও দক্ষ, নির্ভুল এবং রোগীকেন্দ্রিক সেবা প্রদান করতে পারে।’

ডিজিটাল ডিসকভারি ডে ২০২৬-এর মাধ্যমে মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড এবং অ্যাবট ডায়াগনস্টিকস উদ্ভাবননির্ভর, স্মার্ট ও সংযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার বিকাশে তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

অনলাইন জুয়া ও সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিরোধে বিকাশের মতবিনিময়সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অনলাইন জুয়া ও সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিরোধে বিকাশের মতবিনিময়সভা
সংগৃহীত ছবি

অনলাইন জুয়া, হুন্ডি এবং মানি লন্ডারিংয়ের মতো আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার ডিস্ট্রিবিউটরদের নিয়ে চারটি মতবিনিময়সভার আয়োজন করে বিকাশ। মাঠপর্যায়ে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত লেনদেন নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী, রিজিওনাল সেলস টিম ও ডিস্ট্রিবিউশন এর ফিল্ড ফোর্সসহ মাঠ পর্যায়ের প্রায় ১৬ হাজার কর্মীকে এই সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মতবিনিময় সভায়, এজেন্ট নেটওয়ার্ক পরিচালনায় আর্থিক লেনদেনে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ, টাকার উৎসের সচেতনতা, সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্টিং, নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ, কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ, নন-কমপ্লায়েন্ট এজেন্ট ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিকাশ-এর হেড অফ ডিস্ট্রিবিউশন ও রিটেইল বিজনেস ইরফানুল হক। এসময় প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট ক্লাসটার বিজনেস হেড, রিজিওনাল ম্যানেজার এবং এরিয়া ম্যানেজাররাও উপস্থিত ছিলেন।

দেশজুড়ে বিস্তৃত বিকাশ-এর এজেন্ট নেটওয়ার্ক সব শ্রেণির মানুষের কাছে সেবা সহজলভ্য করে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিকাশ-এর চ্যানেল পার্টনার হিসেবে সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজারের বেশি এজেন্ট নিয়ে গড়ে ওঠা এই শক্তিশালী নেটওয়ার্ক পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা কেবল এজেন্টদের ব্যবসা পরিচালনা তদারকিই নয়, বরং তাদের প্রশিক্ষণ, লেনদেনের সঠিকতা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রাহক সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত সহায়তা ও নির্দেশনা প্রদান করে থাকে।

সভায় অংশগ্রহণকারী ডিস্ট্রিবিউটররা কীভাবে কমপ্লায়েন্স মেনে ব্যবসা করে ঝুঁকিমুক্ত থেকেছেন - সেসব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কমপ্লায়েন্স মেনে চলার ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত বিকাশ এর পক্ষ থেকে যেসকল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় তা ব্যবসার জন্য সুবিধাজনক বলেও উল্লেখ করেন তারা। এ সময় অনলাইন জুয়া, হুন্ডি এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানো, যথাযথ সময়ে রিপোর্টিং এবং সকলের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে জোর দেয়া হয় বিকাশ-এর পক্ষ থেকে।

নবম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন

অনলাইন ডেস্ক
নবম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন
সংগৃহীত ছবি

সম্প্রতি দেশের ডিজিটাল মার্কেটিং অঙ্গনের সেরা ক্যাম্পেইনগুলোকে স্বীকৃতি জানিয়ে লা মেরিডিয়ান ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নবম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডের পালা। এই আসরে ২৬টি আলাদা ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয় মোট ৮৯টি ক্যাম্পেইন। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে এবং মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)-এর পরিবেশনায় ও ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন দেশের ডিজিটাল মার্কেটার, বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড পেশাজীবী, এজেন্সি নেতৃবৃন্দ, মিডিয়া স্ট্র্যাটেজিস্ট এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

১ নভেম্বর ২০২৪ থেকে ২৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চালু থাকা ক্যাম্পেইনগুলো মনোনয়নের জন্য বিবেচিত হয়। এবার প্রতিযোগিতার উত্তাপ ছিল রেকর্ড পর্যায়ে—৬৬টি প্রতিষ্ঠান হতে জমা পড়ে ১,০৭২টি মনোনয়ন। সেরা ক্যাম্পেইন বাছাইয়ে অনুসরণ করা হয় সুনির্দিষ্টভাবে সাজানো দুই ধাপের জুরি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া। প্রথম ধাপে শর্টলিস্টিং পর্বে ৮টি জুরি প্যানেলে ১১৩ জন বিশিষ্ট জুরি ক্যাম্পেইনগুলো যাচাই-বাছাই করে সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেন। এরপর শর্টলিস্ট হওয়া ক্যাম্পেইনগুলো ওঠে অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ গ্র্যান্ড জুরি পর্বে, যেখানে ৮টি গ্র্যান্ড জুরি সেশনে ১১০ জন স্বনামধন্য ক্যাটাগরি বিশেষজ্ঞ চূড়ান্ত মূল্যায়ন করে বেছে নেন সেরাদের সেরা।

চূড়ান্ত বিজয়ীদের মাঝে ৬৩টি ক্যাম্পেইন ব্রোঞ্জ, ২০টি ক্যাম্পেইন সিলভার এবং ৬টি ক্যাম্পেইন গোল্ড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। উৎকর্ষের সর্বোচ্চ মান অটুট রাখার প্রতিশ্রুতি থেকে এবার কোনো গ্র্যান্ড প্রিক্স দেওয়া হয়নি। জমকালো এই গালায় উপস্থিত ছিলেন ৫০০-রও বেশি ডিজিটাল মার্কেটিং ও ব্যবসায়িক পেশাজীবী।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিবছর ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আমাদের খাত কতদূর এগিয়েছে, আর কতদূর এগোনো সম্ভব। মার্কেটিং এখন আর কেবল গল্প বলা নয়; এটি এখন রিয়েল-টাইম এনগেজমেন্ট, হাইপার-পারসোনালাইজেশন আর তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়। আজ যাদের আমরা সম্মান জানাচ্ছি সেই ক্যাম্পেইনগুলোই প্রমাণ করে বাংলাদেশের মার্কেটাররা বিশ্বের সেরাদের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে চলতে পারে। এই অ্যাওয়ার্ড শুধু উৎকর্ষের স্বীকৃতি নয়; এটি আমাদের সবার প্রতি এক চ্যালেঞ্জ — উদ্ভাবন চালিয়ে যাওয়ার, নতুন কিছু পরীক্ষা করার এবং বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সম্ভাবনাকে নতুন করে গড়ার।’

অ্যাওয়ার্ড পর্বের আগে একই ভেন্যু লা মেরিডিয়ান ঢাকায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় ১২তম ডিজিটাল সামিট। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে এই সামিটে বক্তা ও অংশগ্রহণকারী হিসেবে যোগ দেন দেশের ডিজিটাল মার্কেটার, বিজ্ঞাপন ও ক্রিয়েটিভ পেশাজীবী, ব্র্যান্ড ও কমিউনিকেশন নেতৃবৃন্দ, মিডিয়া ও মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিস্ট, এজেন্সি নির্বাহী এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

‘রিথিংকিং ডিজিটাল – স্ট্র্যাটেজি, স্টোরি অ্যান্ড সায়েন্স' প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের সামিটের আলোচনায় উঠে আসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বদলে যাওয়া ভোক্তা প্রত্যাশা, প্লাটফর্ম ডিসরাপশন এবং সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান সম্মিলনে প্রতিষ্ঠানগুলোর পথচলার নানা দিক। সামিটে ছিল ৩টি কিনোট সেশন, ৩টি প্যানেল ডিসকাশন, ৩টি ইনসাইট সেশন, ২টি কেস স্টাডি এবং ১টি এক্সপার্ট ডিপ ডাইভ।’

কিনোট সেশনে বক্তা হিসেবে ছিলেন তানভীর ফারুক, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, কাজী মিডিয়া লিমিটেড; দ্রাবির আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার অ্যান্ড ডিরেক্টর, এক্স - ইন্টিগ্রেটেড মার্কেটিং এজেন্সি; এবং সালেহ ঘানায়েম, হেড মেটাপ (মিডল ইস্ট, টার্কি, আফ্রিকা অ্যান্ড পাকিস্তান), ইমার্জিং মার্কেট পার্টনারশিপ, টিকটক।

দিনব্যাপী আলোচনায় উঠে আসে ভোক্তার পুরো যাত্রাপথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব, অ্যাটেনশন-ড্রিভেন মার্কেটিং থেকে ইন্টেলিজেন্স-ড্রিভেন এনগেজমেন্টে রূপান্তর, নতুন ডিসকভারি ইকোসিস্টেমের উত্থান, ক্রিয়েটর ইকোনমি এবং তথ্য, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির সমন্বিত প্রয়োগের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব—যা দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের এই যুগে ব্র্যান্ডের প্রাসঙ্গিক থাকা ও ভোক্তার সঙ্গে আরও দৃঢ় সম্পর্ক গড়ার পথ দেখায়।

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড ও ১২তম ডিজিটাল সামিটের পরিবেশনায় ছিলো মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই); সঞ্চালনায় ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর; স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার – অ্যালেফ গ্রুপ, ইনক. বিবিএফ সিএমও ক্লাব, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (আইএএবি) ও এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); নলেজ পার্টনার - মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এমএসবি); হসপিটালিটি পার্টনার – লা মেরিডিয়ান ঢাকা; অফিশিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার – টার্কিশ এয়ারলাইনস; এবং পিআর পার্টনার - ব্যাকপেজ পিআর।

স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন ‘হেলিও ৪৬’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন ‘হেলিও ৪৬’
সংগৃহীত ছবি

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হেলিও নিয়ে এসেছে নতুন স্মার্টফোন ‘হেলিও ৪৬’। চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স, প্রাণবন্ত ডিসপ্লে এবং আধুনিক ক্যামেরা প্রযুক্তি নিয়ে সাশ্রয়ী দামে বাজারে আসা ‘হেলিও ৪৬’ বাংলাদেশের ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম বলে মনে করছেন প্রযুক্তিপ্রেমীরা। তাদের মতে, হেলিও ৪৬ প্রমাণ করে দেবে প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা মানেই বাড়তি খরচ নয়। 

রবিবার (২১ জুন) উন্মোচন হওয়া স্মার্টফোন ‘হেলিও ৪৬’ সম্পর্কে এর হেড অব সেলস মোহাম্মদ আবু সায়েম জানান, ‘স্মার্টফোন শুধু একটি ডিভাইস নয়, এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ।

হেলিও ৪৬ সেই অভিজ্ঞতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে, যেখানে পারফরম্যান্স এর পাশাপাশি প্রিমিয়াম ডিজাইনের মিশ্রণ ঘটেছে।’

‘হেলিও ৪৬’-এ আছে লেটেস্ট অ্যানড্রয়েড ১৬ অপারেটিং সিস্টেম, যার কারণে ব্যবহারকারীরা পাবেন গুগলের অত্যাধুনিক সব ফিচার এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেইস।

এ ছাড়া অ্যানড্রয়েড ১৬-এ গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন হাই পারফরম্যান্স, অ্যাপ ওপেনিং এবং অত্যাধুনিক কাস্টমাইজেশন অপশন। এই স্মার্টফোনটিতে আছে ৬.৬৭ ইঞ্চির HD+ (720×1600) পাঞ্চ-হোল ১২০Hz IPS ডিসপ্লে, যা ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন কাজগুলো খুব ভালোভাবেই সামাল দিতে পারবে কোনো ধরনের ডিসপ্লে ল্যাগিং ছাড়া।

এ ছাড়া বড় ডিসপ্লে হওয়ার সুবাদে ভিয়্যুয়িং অ্যাঙ্গেল ছাড়াও অনলাইনে ক্লাস করা, মাল্টিমিডিয়া কনজাম্পশন এবং গেম খেলার সময় পাওয়া যাবে ইমারসিভ এক্সপেরিয়েন্স। ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের কারণে স্ক্রলিং হবে আরো সাবলীল এবং ভিজ্যুয়াল পারফরম্যান্স থাকবে ল্যাগ-ফ্রি। অন্যদিকে পাঞ্চ-হোল ডিজাইন স্ক্রিনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছে, যা ফোনটির আরও আধুনিক একটি লুক দিচ্ছে। এ ছাড়া ম্যাট ফিনিশ ডিজাইন হওয়ার কারণে ফোনটি হাতে নিয়েও একটি প্রিমিয়াম ফিল পাওয়া যায়।
 
চিপসেট হিসেবে এই স্মার্টফোনটিতে আছে মিডিয়াটেকের ১২ ন্যানোমিটার প্রিমিয়াম চিপসেট হেলিও জি৮১ এবং প্রসেসরে আছে ২.০ গিগাহার্জ অক্টাকোর প্রসেসর। এই ডায়নামিক ডুও আপনাকে দেবে মাল্টিটাস্কিং, স্মুথ অ্যাপ ট্রানজিশন এবং ভারী গেমস খেলার সুপার ফাস্ট ইউজার এক্সপেরিয়েন্স। তা ছাড়া মাল্টিটাস্কিং এবং হাই পারফরম্যান্স এনশিওর করার জন্য এই ফোনে আছে ৬ জিবি র‍্যাম। মেমোরি ফিউশনের মাধ্যমেও র‍্যাম বাড়ানো যাবে ৬জিবি পর্যন্ত। ১২৮ জিবি রম দেবে অনেক বেশি অ্যাপ এবং ছবি বা ভিডিও স্টোর করার ব্যবস্থা।

ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের জন্য, হেলিও ৪৬ নিয়ে এসেছে ৫০ মেগাপিক্সেল ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা সেটাপ যার অ্যাপারচার f/1.৪। ডিএসএলআর মানের ছবি তোলা যাবে হেলিও ৪৬ এর এই ক্যামেরা দিয়ে। ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার করে তোলা যাবে নিখুঁত সব সেলফি এবং ভিডিও কলও হবে অত্যন্ত মসৃণ।

৬০০০এমএএইচ লি-পলিমার ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে এই স্মার্টফোনটিতে, যা সারা দিন ধরে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ব্যবহার করা যাবে। ব্যবহারকারী যাই করুক না কেন, এই ব্যাটারি ব্যবহারকারীর লাইফস্টাইলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম। এ ছাড়া দ্রুত চার্জ করার জন্য হ্যান্ডসেটটির সঙ্গে থাকছে ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট যুক্ত চার্জার, যার মাধ্যমে দ্রুতই ফোনটি ফুল চার্জ হয়ে যাবে।

বৃষ্টি বা ধুলোবালি থেকে রক্ষা পেতে এই স্মার্টফোনটিতে আছে আইপি ৬৪ এর রেটিং।

হেলিও ৪৬ ফোনটিতে রয়েছে 4G/3G/2G, Wi-Fi, GPS এবং OTG ব্যবহার করার সুবিধা। নিরাপত্তার কথা আসলে এই ফোনটিতে আছে সাইড মাউন্টেড ফিংগারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক ফিচার, যা দ্রুত এবং নিরাপদে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে। এ ছাড়া জি সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর, লাইট সেন্সর আছে এই হ্যান্ডসেটটিতে।

অবিশ্বাস্য ফিচার এবং প্রিমিয়াম ডিজাইনের সাথে তিনটি চমৎকার কালার অপশন টাইটেনিয়াম ফগ, অ্যাডমিরাল ব্লু এবং শ্যাডো ব্ল্যাক কালারের হেলিও ৪৬-এর দাম রাখা হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার ৯৯৯ টাকা।