• ই-পেপার

পূবালী ব্যাংক পিএলসির ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পূবালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মনজুরুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
পূবালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মনজুরুর রহমান
মনজুরুর রহমান। সংগৃহীত ছবি

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মনজুরুর রহমান পূবালী ব্যাংক পিএলসি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দুই বছরের জন্য পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। পরিচালনা পর্ষদের ১৫২০তম সভায় তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত করা হয়।

১৯৬৭ সালে পূবালী ব্যাংকের পূর্বসূরি ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংকে সর্বকনিষ্ঠ পরিচালক হিসেবে প্রবেশের মাধ্যমে ব্যাংকিং জগতে মনজুরুর রহমানের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮৩ সালে পূবালী ব্যাংকের বেসরকারিকরণের পর তিনি ২৫ জানুয়ারি ১৯৮৫ থেকে ১৮ জানুয়ারি ১৯৮৬ পর্যন্ত পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ৩১ জুলাই ২০২০ থেকে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব ও সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি পূবালী ব্যাংকের প্রবৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে অবদান রাখা সমৃদ্ধ ও স্বনামধন্য পরিবারের সদস্য মনজুরুর রহমান কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি তাঁর দক্ষতা চা শিল্পেও প্রসারিত, তিনি রেমা টি কম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া তিনি লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বতন্ত্র পরিচালক ছিলেন।

জনাব রহমান কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া গ্রামের কাজীবাড়ির সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম খান বাহাদুর মুখলেসুর রহমান ১৯১৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং একজন সফল টি প্ল্যান্টার ছিলেন।

আইডা অ্যাওয়ার্ডসে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের গৌরব শুভ্র ও রিমন

অনলাইন ডেস্ক
আইডা অ্যাওয়ার্ডসে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের গৌরব শুভ্র ও রিমন
সংগৃহীত ছবি

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ ‘১৮তম আইডা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস’ (AYDA International Awards)-এ অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করেছেন দেশের তরুণ স্থাপত্য রিমন ও শুভ্র।

নিপ্পন পেইন্ট (Nippon Paint)-এর গ্লোবাল সিএসআর (CSR) কর্মসূচির অধীনে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় এবার ‘CONVERGE : Crafting Cultural Legacies’ থিম বা প্রতিপাদ্যের অধীনে বিশ্বের ১৭টি দেশ থেকে ৯,০০০-এরও বেশি প্রজেক্ট জমা পড়ে। সমসাময়িক আধুনিক স্থাপত্যে নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখার এই কঠিন চ্যালেঞ্জে বিশ্বমঞ্চে অনন্য ছাপ ফেলেছে বাংলাদেশ।

বিশ্বজুড়ে জমা পড়া হাজারো প্রজেক্টের মধ্যে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET)-এর শুভ্র কুমার ঘোষ ইন্টেরিয়র ডিজাইন ক্যাটাগরিতে সম্মানজনক ‘অনারারি মেনশন’ (Honorary Mention) অর্জন করেছেন। অন্যদিকে, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (RUET)-এর রবিউল ইসলাম রিমন আর্কিটেকচার ক্যাটাগরিতে গ্লোবাল ফাইনালিস্ট (Global Finalist) হিসেবে শীর্ষ তালিকায় স্থান করে নেন।

বাংলাদেশি এই দুই শিক্ষার্থীর প্রজেক্টে বৈশ্বিক থিমের মূল চেতনা এবং ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে :

শুভ্র কুমার ঘোষ – ‘Threads of Hope’ এ নকশীপল্লীর মাধ্যমে গ্রামীণ নারী কারিগরদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছেন শুভ্র।

রবিউল ইসলাম রিমন – ‘[HERI]-TRADE’ প্রজেক্টে স্থানীয় বাণিজ্যের মাধ্যমে ঐতিহাসিক নগর কসবাকে সংরক্ষণ ও পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন রিমন।

নিপ্পন পেইন্টের ১৪৫তম বার্ষিকী উদযাপনের এই বিশেষ মুহূর্তে, প্রতিযোগিতাটি ইতিমধ্যেই তাদের পরবর্তী সংস্করণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। আগামী বছরের নতুন থিম নির্ধারণ করা হয়েছে—‘CONVERGE : Embracing Hyperlocal.’

বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা জোরদার

‘প্লাস্টিকপাথ’ ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
‘প্লাস্টিকপাথ’ ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা এবং সামুদ্রিক পরিবেশে প্লাস্টিক বর্জ্য দূষণ প্রতিরোধে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর (ডিওই) এবং জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো)-এর যৌথ কারিগরী সহায়তায় চলমান প্রকল্প “ইন্টিগ্রেটেড অ্যাপ্রোচ টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল প্লাস্টিকস ইউজ অ্যান্ড মেরিন লিটার প্রিভেনশন ইন বাংলাদেশ”-এর আওতায় নির্মিত ‘প্লাস্টিকপাথ’ (PlasticPath) ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) পরিবেশ অধিদপ্তরের আগারগাঁও কার্যালয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ওয়েবসাইট ও মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন প্লাটফর্মটি উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ রায়হান কাওসার। সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান। 

এ সময় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাঙ্গন, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সুশীল সমাজ, প্লাস্টিক রিসাইকেল এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

‘প্লাস্টিকপাথ’ বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনাকে এগিয়ে নিতে একটি জাতীয় জ্ঞান, সম্পৃক্ততা ও কার্যক্রমভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, গবেষণা, কারিগরি নির্দেশিকা, শিক্ষামূলক উপকরণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত তথ্য সহজেই জানতে পারবেন। পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপটি ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি, দায়িত্বশীল প্লাস্টিক দ্রব্য ব্যবহার এবং জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করবে।

প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর আওতাভুক্ত ফরম-১ এবং ফরম-২-এর ডিজিটাল সংযুক্তিকরণ। এর মাধ্যমে তথ্য প্রতিবেদন, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয় কার্যক্রম আরও নিখুঁত, দক্ষ ও কার্যকর হবে। দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক ও সর্বসাধারণের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে প্ল্যাটফর্মটিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের সঙ্গেও সংযুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ইউনিডো বাংলাদেশের জাতীয় বিশেষজ্ঞ (কমিউনিকেশন) রামিসা রহমান প্লাস্টিকপাথের উন্নয়ন যাত্রা পরিক্রমা তুলে ধরেন এবং ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের বিভিন্ন কার্যক্রম প্রদর্শন করেন। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন প্ল্যাটফর্মটির ডিজিটাল রিপোর্টিং সুবিধা উপস্থাপন করেন এবং ফরম-১ ও ফরম-২ সংযুক্তিকরণের কার্যপ্রক্রিয়া প্রদর্শন করেন, যা স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রিপোর্টিং-এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর হবে। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ রায়হান কাওসার প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় সমন্বয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অংশীজনদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগিতার ও সক্রিয় সংশ্লিষ্টতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‘প্লাস্টিকপাথ’ বাংলাদেশে ডিজিটাল পরিবেশগত সুশাসন জোরদারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি উন্নততর রিপোর্টিং, পর্যবেক্ষণ এবং তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে নাগরিকদের জন্য এটি তথ্য, শিক্ষা ও সম্পৃক্ততার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে, যার মাধ্যমে তারা প্লাস্টিক ব্যবহারের প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হতে পারবেন, পরিবেশবান্ধব বিকল্প সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণমূলক উদ্যোগে  সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, এই উদ্যোগটি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “ইন্টিগ্রেটেড অ্যাপ্রোচ টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল প্লাস্টিকস ইউজ অ্যান্ড মেরিন লিটার প্রিভেনশন ইন বাংলাদেশ” প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটি ইউনিডো’র কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং ঢাকাস্থ রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের সাফল্য

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের সাফল্য
সংগৃহীত ছবি

মেক্সিকোর ন্যাশনাল অটোনোমাস ইউনিভার্সিটির (UNAM) স্থাপত্য অনুষদ এবং লুইস ব্যারাগান ওয়ার্কশপের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিযোগিতা ‘XXIX Plastic Spatial Encounter 2026’-এ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিত্বকারী দুটি দলই সম্মানজনক স্বীকৃতি লাভ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। স্থাপত্য বিভাগের ‘স্টুডিও ১.২’ (৪২তম ব্যাচ)-এর শিক্ষার্থীদের দল ‘Edge of Eternity’ প্রকল্পের জন্য দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। বিজয়ী দলের সদস্যরা হলেন মো. হাসিন আলমাস হিমেল, তাসনিম এবং শাশ্বতী ঘরামী।

অন্যদিকে ‘The Living Cube’ প্রকল্পের জন্য প্রথম সম্মাননা (First Honorable Mention) পুরস্কার অর্জন করেছে মোসাদ্দিক চৌধুরী, এইচ এম হাদী এবং ইশরাত জাহান সামিয়ার দল।

বিশ্বমঞ্চে এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তাদের মেন্টররা। বিজয়ী দলগুলোকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন টিম অ্যাডভাইজর এমা ইশরাত এবং এস এম আহাদুল ইসলাম। এ ছাড়া সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্টুডিও শিক্ষক আর্কিটেক্ট শেখ ইতমাম সৌদ, আর্কিটেক্ট মিনহাল আহমেদ এবং আর্কিটেক্ট আরিফ মাহতাব কবির।

এটি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির জন্য নতুন কোনো অর্জন নয়। এর আগে ২০২৪ সালের একই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তৃতীয় স্থান এবং দুটি কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছিল।

শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কাজী জামিল আজহার, বিওটি সদস্য স্থপতি ইকবাল হাবিব এবং উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিজয়ী শিক্ষার্থী, মেন্টর ও শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক অভিনন্দন বার্তায় জানায়, এই ধারাবাহিক অর্জন প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা মেধা, সৃজনশীলতা এবং আন্তর্জাতিক মানের স্থাপত্য শিক্ষার ক্ষেত্রে সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে।