• ই-পেপার

বাংলাদেশ-চীন টেক্সটাইল বিনিয়োগ জোরদারে বিসিসিসিআইতে বৈঠক

সোনালী ব্যাংকে হুইসেলব্লোয়ার দিবস উপলক্ষে সেমিনার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সোনালী ব্যাংকে হুইসেলব্লোয়ার দিবস উপলক্ষে সেমিনার
সংগৃহীত ছবি

সোনালী ব্যাংক পিএলসির উদ্যোগে ‘প্রতিষ্ঠানে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় হুইসেলব্লোয়িংয়ের কৌশলগত ভূমিকা : প্রেক্ষিত সোনালী ব্যাংক পিএলসি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিশ্ব হুইসেল ব্লোয়ার দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। 

সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের ন্যায়পাল সচিবালয়ের ন্যায়পাল মোহাম্মদ মাসরুরুল ইসলাম। ব্যাংকের এমডি এবং সিইও মো. শওকত আলী খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন ব্যাংকের পরিচালক মোল্লা আব্দুল ওয়াদুদ, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও মো. মোফাজ্জল হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা।

সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরবৃন্দ, জেনারেল ম্যানেজারবৃন্দ, বিভিন্ন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

বাংলাদেশে শীর্ষ

বিশ্বের সেরা ১০০ টেকসই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

বিশ্বের সেরা ১০০ টেকসই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৬-এ বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান অর্জন করেছে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই মর্যাদাপূর্ণ রেটিংসে বিশ্বের ১,৬০৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডিআইইউ ৮৭তম স্থান অর্জন করেছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এই অর্জন শুধু ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জন্য নয়, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে অবদানের ভিত্তিতে মূল্যায়িত এসডিজি ১৭: পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস  সূচকে ডিআইইউ বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে, যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টির অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতি।
এ বছরের রেটিংয়ে ডিআইইউ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এসডিজি সূচকে উল্লেখযোগ্য অবস্থান অর্জন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • বিশ্বে ৪র্থ — এসডিজি ১৭: পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস
  • বিশ্বে ১২তম — এসডিজি ৪: কোয়ালিটি এডুকেশন
  • বিশ্বে ৪৮তম — এসডিজি ৮: ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড ইকোনমিক গ্রোথ
  • বিশ্বে ৬৮তম — এসডিজি ১০: রিডিউসড ইনইকুয়ালিটিজ

এই অর্জন জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি, গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সাসটেইনেবিলিটি-কেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও সুদৃঢ় অবস্থানে নিয়ে গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অর্জনের জন্য শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং দেশি-বিদেশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, গবেষণা কার্যক্রম, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা, শিল্পখাতের সহযোগিতা এবং নীতিগত অবদান ডিআইইউর এই বৈশ্বিক সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ভবিষ্যতেও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক এবং টেকসই সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিক তৈরি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন : ববি হাজ্জাজ

অনলাইন ডেস্ক
শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন : ববি হাজ্জাজ
সংগৃহীত ছবি

শিশুর প্রাথমিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পাঠ্যক্রম ও শিক্ষক উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি। তিনি বলেন, ‘শিশু কিভাবে শিখবে এবং শিক্ষক কিভাবে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন, তার ভিত্তি তৈরি করে পাঠ্যক্রম। তাই প্রাথমিক শৈশব বিকাশে পাঠ্যক্রম সংস্কারকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

সোমবার (২২ জুন) ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ডায়ালগ অন আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট : পলিসি অ্যান্ড প্র্যাকটিস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের (এসপিপিএইচ) অধীন পাবলিক হেলথ বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের শেখার প্রক্রিয়ায় মুখস্থনির্ভরতা ও পরীক্ষার ফলাফলের চেয়ে চিন্তাশক্তি, কৌতূহল, যোগাযোগ দক্ষতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার ও শিক্ষা পদ্ধতি আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে। শিশুর প্রাথমিক বিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ের অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সংলাপ আয়োজন করায় আইইউবির প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, ট্রাস্টি জাভেদ হোসেন এবং ন্যাশনাল একাডেমি ফর প্রাইমারি এডুকেশনের (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমেদ।

ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক শৈশব বিকাশ শুধু বিদ্যালয় বা সরকারের দায়িত্ব নয়; এতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। এটি শুধু শ্রেণিকক্ষ বা অবকাঠামোর বিষয় নয়, বরং শিশুদের শেখা, বিকাশ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির বিষয়।’

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক তামিম বলেন, ‘শিশুর প্রাথমিক বিকাশ ও উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও অংশীজনদের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আইইউবি অত্যন্ত আগ্রহী।’

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের (বিইএন) ভাইস চেয়ার মাহমুদা আখতার। তিনি প্রাথমিক শৈশব বিকাশের গুরুত্ব এবং প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আইইউবির স্কুল অফ ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের ডিন ডা. কামরান উল বাসেত শিক্ষক উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে আরেকটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং পরে উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন। এতে সরকারি সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পাবলিক হেলথ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার ড. তানভীর আহমেদ। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বিলকিস বানু।

বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক (বিইএন) শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম। আইইউবি এই নেটওয়ার্কের নির্বাহী সদস্য।

বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই ১.৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্সের মাইলফলক ব্র্যাক ব্যাংকের

অনলাইন ডেস্ক
বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই ১.৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্সের মাইলফলক ব্র্যাক ব্যাংকের
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসেই ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এনেছে ব্র্যাক ব্যাংক। ফলে, রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যাংকটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

এই পাঁচ মাসে প্রায় ১৫ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি তাঁদের পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের ওপর আস্থা রেখেছেন। এই রেমিট্যান্সের টাকা বাংলাদেশের লাখ লাখ পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখছে।

ব্যাংকটির এমন অর্জন প্রমাণ করে যে, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিশ্বব্যাপী এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর কাছে ব্র্যাক ব্যাংকের রেমিট্যান্স সেবা কতটা নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছে। দেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবিকা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের খরচ জোগানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে ব্র্যাক ব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

রেমিট্যান্স প্রেরক ও সুবিধাভোগীদের জন্য বিশেষায়িত সেভিংস অ্যাকাউন্ট ও প্রোডাক্ট চালুর মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক নিজেদের রেমিট্যান্স ইকোসিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করেছে। গ্রাহকরা ব্যাংকের সম্পূর্ণ ডিজিটাল অনবোর্ডিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটে এসব অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন এবং ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং অ্যাপ ‘আস্থা’-এর মাধ্যমে সহজেই পরিচালনা করতে পারেন। এই বিশেষ অ্যাকাউন্টগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো— অ্যাকাউন্টে যত টাকাই থাকুক না কেন, গ্রাহকরা একটি নির্দিষ্ট হারে মুনাফা পাবেন। আর এই মুনাফা দেওয়া হবে প্রতি মাসে, যা গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করবে।

নতুন রেমিট্যান্স করিডোরে কার্যক্রম সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিদ্যমান পার্টনারদের সঙ্গে উদ্ভাবনী হোস্ট-টু-হোস্ট প্রযুক্তিগত সংযোগ জোরদারের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক গন্তব্যগুলো থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। দেশজুড়ে ৩১০টি শাখা ও উপশাখা এবং ১ হাজার ১১৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকটি প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ তাঁদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

এ অর্জন প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘এই মাইলফলক ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবিচল আস্থার প্রতিফলন। অভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে আস্থা, প্রযুক্তি এবং অংশীদারিত্ব একসঙ্গে কাজ করলে কী অর্জন করা সম্ভব— এই সাফল্য তারই প্রমাণ। আমরা রেমিট্যান্স সেবাকে আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সহজলভ্য করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, যা লাখো পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। প্রযুক্তিতে ধারাবাহিক বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারি এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সল্যুশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশি ও তাঁদের পরিবারের জন্য বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাংলাদেশ-চীন টেক্সটাইল বিনিয়োগ জোরদারে বিসিসিসিআইতে বৈঠক | কালের কণ্ঠ