• ই-পেপার

বিশ্ব নারী দিবসে ইউনিভার্সেল মেডিক্যালের বিশেষ আয়োজন

আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল শুরু ২৮ জুন, খেলবে ৩২ বিশ্ববিদ্যালয়

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল শুরু ২৮ জুন, খেলবে ৩২ বিশ্ববিদ্যালয়
সংগৃহীত ছবি

দেশের অন্যতম আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতা আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল ২০২৬-এর প্রথম রাউন্ডের ম্যাচসূচি শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে দেশের ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল, যাদের মধ্যে নকআউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে ১৬টি ম্যাচ। রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ জুন এসব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

এ টুর্নামেন্ট উপলক্ষে ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস ট্যুর, জার্সি রিভিল ও ট্রফি ট্যুর আয়োজন করা হয়, যার মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতাটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। শনিবার ম্যাচসূচি উন্মোচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রচারণার যেমন সমাপ্তি ঘটল, তেমনই শুরু হল মূল লড়াইয়ের প্রথম ধাপ।

টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ লাখ টাকার প্রাইজমানি, রানার্সআপ পাবে ২ লাখ টাকা এবং দুই সেমিফাইনালিস্ট দল পাবে ১ লাখ টাকা করে। প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার হবে জিটিভিতে, ফলে সারাদেশের দর্শকরাও উপভোগ করতে পারবেন এই ক্যাম্পাস ফুটসালের উন্মাদনা।

ম্যাচসূচি উন্মোচন অনুষ্ঠানে লটারির মাধ্যমে প্রথম রাউন্ডের প্রতিপক্ষ ঠিক করা হয়। জারে রাখা ৩২টি দলের নাম থেকে পর্যায়ক্রমে দুটি করে নাম তুলে একটি করে ম্যাচ ঠিক করা হয়। আর তা স্ক্রিন ও বোর্ডে প্রদর্শনও করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্রতিনিধি, টুর্নামেন্ট কর্মকর্তা, ম্যাচ অফিসিয়াল এবং অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিম ক্যাপ্টেন ও প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব, যেখানে দলগুলো ম্যাচসূচি, নিয়মকানুন ও পরবর্তী প্রস্তুতি নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান। পরে তারা দলভিত্তিক ও যৌথ গ্রুপ ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-র প্রতিনিধি, টুর্নামেন্ট কর্মকর্তা, ম্যাচ অফিসিয়াল এবং অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিম ক্যাপ্টেন ও প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব, যেখানে দলগুলো ম্যাচ সূচি, নিয়মকানুন ও পরবর্তী প্রস্তুতি নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান। পরে দলভিত্তিক ও যৌথ গ্রুপ ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

টানা ৪ বছর শীর্ষ রপ্তানিকারক ‘সিলন চা’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
টানা ৪ বছর শীর্ষ রপ্তানিকারক ‘সিলন চা’
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, টানা চার বছর ধরে দেশের সর্বোচ্চ ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানিকারক হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিলন। দেশের মোট ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানির প্রায় অর্ধেক অংশে এককভাবে অবদান রাখছে সিলন, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি চায়ের ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতা ও সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, আবুল খায়ের গ্রুপ ২০২৫ সালে মোট চা রপ্তানির ৪২ শতাংশ একাই করেছে, তাদের রপ্তানির আয় ১৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার। মোট রপ্তানির ২৬ শতাংশ করে দ্বিতীয় অবস্থানের রয়েছে ফিনলে টি, এই প্রতিষ্ঠানের আয় ৯ লাখ ১৩ হাজার ডলার। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইস্পাহানি গ্রুপ, এই প্রতিষ্ঠানের রপ্তানির অংশ ১১ শতাংশ, তাদের আয় ৩ লাখ ৮১ হাজার ডলার। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে সিটি ও ভিভিডভেঞ্চার। বিদেশে চা রপ্তানিতে আরো বেশ কয়েকটি কম্পানি রয়েছে।

রপ্তানিতে ধারাবাহিক সাফল্যের পাশাপাশি দেশের চায়ের বাজারে নতুনত্ব ও আধুনিকতা আনায় ভূমিকা রাখছে এসব কোম্পানি। তবে দেশের বাজারে গুণগত মানের পণ্য সরবরাহ করে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে সিলন।

রপ্তানিকারক এসব প্রতিষ্ঠান দেশের বাজারে পণ্য বিক্রিতেও বৈচিত্র্য এনেছে। তবে বাজারে প্রথমবারের মতো স্ট্যাপলবিহীন (পিনমুক্ত) নিরাপদ টি-ব্যাগ ও আধুনিক পিরামিড আকৃতির টি-ব্যাগ নিয়ে আসে ‘সিলন টি’। দেশের সাধারণ মানুষের চা পানের অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

টানা ৪ বছর দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানিকারক সিলন

অনলাইন ডেস্ক
টানা ৪ বছর দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানিকারক সিলন

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, টানা চার বছর ধরে দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানিকারক হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে সিলন। দেশের মোট ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানির প্রায় অর্ধেকের অবদান এককভাবে রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আবুল খায়ের গ্রুপ দেশের মোট চা রপ্তানির ৪২ শতাংশ একাই করেছে। এ খাত থেকে তাদের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

মোট রপ্তানির ২৬ শতাংশ অংশ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফিনলে টি। প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানি আয় ৯ লাখ ১৩ হাজার মার্কিন ডলার।

১১ শতাংশ রপ্তানি অংশ নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইস্পাহানি গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানি আয় ৩ লাখ ৮১ হাজার মার্কিন ডলার।

চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে সিটি ও ভিভিড ভেঞ্চার। এ ছাড়া বিদেশে চা রপ্তানিতে আরো কয়েকটি কোম্পানি কাজ করছে।

এসডিআই ও বাংলাদেশ ভ্যাট প্রফেশনালস ফোরামের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

অনলাইন ডেস্ক
এসডিআই ও বাংলাদেশ ভ্যাট প্রফেশনালস ফোরামের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
ছবি: কালের কণ্ঠ

দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং ভ্যাট-সংক্রান্ত জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (এসডিআই) এবং বাংলাদেশ ভ্যাট প্রফেশনালস ফোরামের (ভ্যাট ফোরাম) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এম শামসুল আলম লিটন, সদস্য-সচিব মো. কামরুজ্জামান লিটু, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার মো. আব্দুল কাইউম সরদার, এসডিআই-এর চিফ অপারেটিং অফিসার শোয়েব সাজ্জাদ খান, এগ্রিবিজনেস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ ভ্যাট প্রফেশনালস ফোরামের চেয়ারম্যান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য ড. আব্দুর রউফ।

সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন এসডিআই-এর চিফ অপারেটিং অফিসার শোয়েব সাজ্জাদ খান এবং বাংলাদেশ ভ্যাট প্রফেশনালস ফোরামের সেক্রেটারি গোবিন্দ চন্দ্র বিশ্বাস।

এ সময় ভ্যাট ফোরামের পক্ষ থেকে ওমর ফারুক, হাবিবুর রহমান, রোকসানা আখতার ও আকতারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় ভবিষ্যতে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কোর্স, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, সেমিনার, কর্মশালা এবং সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীরা ভ্যাট, ট্যাক্সেশন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাস্তবমুখী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবী সংগঠনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের কর্মসংস্থান ও পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশ্ব নারী দিবসে ইউনিভার্সেল মেডিক্যালের বিশেষ আয়োজন | কালের কণ্ঠ