• ই-পেপার

খুবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে কুপ্রস্তাবের অভিযোগে বিক্ষোভ

২০২৭ বর্ষ থেকে বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৭ বর্ষ থেকে বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চালু

আগামী ২০২৭ বর্ষ থেকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ‘পরীক্ষা পদ্ধতি’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা একটি নামমাত্র পরীক্ষা নেওয়া হবে। এখানে কোচিং সেন্টারে যাওয়ার কোনো প্রশ্ন আসে না। ক্যাচমেন্ট এরিয়া প্লাস পরীক্ষা এই দুইটার সমন্বয়ে ভর্তি নেওয়া হবে।

এর আগে যে ভর্তি পরীক্ষার সিস্টেম ছিল— তখন ব্যাপক অনিয়ম হতো বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে ভর্তি বাধ্যতামূলক করে। পরে বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। পরবর্তীতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয় এবং এরপর থেকে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছিল। তবে ফের ৬ বছর পর ফের স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ইউজিসি মেধাবৃত্তি পেলেন বাকৃবির অনুষদসেরা ৬ শিক্ষার্থী

বাকৃবি প্রতিনিধি
ইউজিসি মেধাবৃত্তি পেলেন বাকৃবির অনুষদসেরা ৬ শিক্ষার্থী
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ছয়টি অনুষদের ৬ মেধাবী শিক্ষার্থী বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রদত্ত মেধাবৃত্তি অর্জন করেছেন। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এসব শিক্ষার্থী প্রথম ৬ সেমিস্টারের ফলাফলের ভিত্তিতে নিজ নিজ অনুষদে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করায় এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হন তারা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে চেক তুলে দেন।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি অনুষদের চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত এবং স্নাতক শেষবর্ষের পূর্বের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে অনুষদে প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তি প্রদান করা হয়। পাবলিক ও বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ইউজিসি প্রতিবছর এ বৃত্তি দিয়ে থাকে।

এ সময় বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি বাবদ ২৪ হাজার টাকা এবং বই-পুস্তক ক্রয়ের জন্য ২ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। ছয়জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বমোট ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়। বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন, ভেটেরিনারি অনুষদের বায়েজিদ আলম, কৃষি অনুষদের খালিদ হাসান, পশুপালন অনুষদের মো. জামিল হোসেন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের যুথি দত্ত, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের মো. শাদমান জামান রোহিত এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের মোগোলাম সাকলায়েন আনাস।

এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘তোমাদের সবার এমন একাডেমিক সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়। আশা করি তোমরা এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এবং একাডেমিকে ভালো করার পাশাপাশি দক্ষ কৃষিবিদ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবে।’

প্রাথমিকের সব দপ্তর ও বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিকের সব দপ্তর ও বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও এর আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বকেয়াসহ চলতি বছরের ভূমি উন্নয়ন কর দ্রুত পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের সব দপ্তরকেও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ-রাজস্ব বিভাগের সহকারী পরিচালক সেলিনা আখতার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পত্রে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে অধিদপ্তরের অধীন সব প্রতিষ্ঠানের ভূমি উন্নয়ন কর (কোড-৩৮২১১০২) পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিভাগীয় উপ পরিচালকের কার্যালয়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই), উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মাঠ পর্যায়ের সব দপ্তরকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে বকেয়া ও চলতি বছরের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ভূমি উন্নয়ন কর সময়মতো পরিশোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সারা দেশে এবার অভিন্ন প্রশ্নে বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এখন থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে নামমাত্র। কোচিং-নির্ভর বা প্রতিযোগিতামূলক কোনো ভর্তি পরীক্ষা রাখা হবে না।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতা বিকাশে আয়োজিত স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রামের ফাইনাল আগামী ২৯ জুন চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, আগামী শনিবার প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন জানান, সুনাগরিক গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা নয়, বাস্তবজীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলন করতে চায় সরকার। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশে বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতেও সম্প্রসারণ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে গণিত ও বিজ্ঞান ল্যাব স্থাপন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।