• ই-পেপার

পুলিশের গুলিতে আহত সাহাদত, চিকিৎসার জন্য ২ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ

দুই মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
দুই মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন স্থগিত
ফাইল ছবি

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে আদাবর ও যাত্রাবাড়ী থানার দুই মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।  আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী লিটন আহমেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অনীক আর হক।

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়ার কিছু সময় আগে ২১ অক্টোবর দিনগত রাত সোয়া ১টার দিকে নিজের ফেসবুক ভেরিফায়েড আইডি থেকে একটি পোস্ট দেন ব্যারিস্টার সুমন। এতে তিনি লেখেন, ‘আমি পুলিশের সঙ্গে যাচ্ছি। দেখা হবে আদালতে। দোয়া করবেন সবাই।’

সাবেক স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় এবং হবিগঞ্জে বেশ কয়েকটি মামলা হয়। এর মধ্যে হাইকোর্টে মিরপুর থানার মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। পরে হাইকোর্ট তাকে জামিন দিয়ে রুল জারি করেন। এ জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিলে আবেদন করে। পরে আপিল বিভাগ সেই মামলায় তার জামিন বহাল রাখে।

এরপর হাইকোর্ট বিভাগে আরো দুই মামলায় জামিন পান সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।  

ইকরার মৃত্যু

আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা জাহের আলভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা জাহের আলভী

স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে নিয়ামত উল্লাহ ভুঁইয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে এ সংক্রান্ত শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। 

২০১০ সালে আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন। তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

হত্যা মামলায় দেশ টিভির সাবেক এমডি আরিফ হাসান ফের গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
হত্যা মামলায় দেশ টিভির সাবেক এমডি আরিফ হাসান ফের গ্রেপ্তার

রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় করা প্রাইভেটকার চালক বাবুল  হত্যা মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে দেশ টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আরিফ হাসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  (১৮ জুন) তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবু সাঈদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মো. আরিফ হাসান এর আগে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার আছেন।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ আদালতে গ্রেপ্তারের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে, আরিফ হাসানের আইনজীবী তাহমিনা সুলতানা আদালতে গ্রেপ্তারের আবেদন নামঞ্জুরের শুনানি করেন।

তিনি আদালতে বলেন, আরিফ হাসান একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। কখনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তার নামে নয়টি মামলা আছে। তার হার্টে রিং পড়ানো। একই দিনে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সে কিভাবে হামলা করে।

 

​মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলার সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই বছরের ১৮ জুলাই উত্তরা এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলিতে গুরুতর আহত হন প্রাইভেটকার চালক বাবুল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উত্তরা উইমেন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। এই ঘটনায় গত বছরের ২২ জুলাই বিমানবন্দর থানায় ভিক্টিম বাবুলের স্ত্রী একটি হত্যা মামলা করেন।

গ্রেপ্তারের আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আসামি আরিফ হাসান এই হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনাটি সংঘটিত করার জন্য ‘মূল অর্থ জোগানদাতা’ হিসেবে কাজ করেছেন এবং তার সহযোগীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সহিংসতায় সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।​

১২৭ বারের মত পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২৭ বারের মত পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১২৭ বার পিছিয়ে আগামি ২২ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার  (১৮ জুন )মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী এ দিন নির্ধারণ করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের সাব-ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন–রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছে। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক। অপর আসামিরা কারাগারে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়। গত বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।