• ই-পেপার

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হেমায়েত জাহান

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ইআবিতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ইআবিতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং কর্মময় জীবন থেকে শিক্ষা ও প্রেরণা নিয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআবি) ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান|

সোমবার (৮ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর-উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন|

ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থার তাৎপর্য বুঝে এই দেশের জনশক্তিকে মানবসম্পদে পরিণত করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো এর জনগণ। তাই তিনি মানবশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। কৃষি, শিক্ষা, শিল্প, অবকাঠামো ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি একটি আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের ভিত্তি রচনা করেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় কুটনীতির মাধ্যমে দেশকে বিশ্ব দরবারে সুপরিচিত করার লক্ষ্যে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ নিয়ে তিনি সার্ক গঠন করেছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল এশিয়ার দেশগুলোর সাথে ভাতৃ-প্রতিম সম্পর্ক তৈরি করা যাতে বাংলাদেশের দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সুসম্পর্ক বজায়ের মাধ্যমে সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নেও জিয়া পরিবারের অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সরকারের সময়ে মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে ফাজিল শ্রেণিকে ডিগ্রি এবং কামিলকে মাস্টার্সের সমমান প্রদান করা হয়, যা মাদরাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে অধিকতর সংযুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এরই ধারাবহিকতায় বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার জনাব শাহীনুল ইসলাম। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর নওসের আলী, উপ-পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান।

সভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মজীবন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে বিশেষ মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও ছোট ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ফাহাদ আহমদ মোমতাজীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। 

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা

উপকূলের লবণাক্ত মাটিতে তুলার সফল চাষ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
উপকূলের লবণাক্ত মাটিতে তুলার সফল চাষ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফিল্ডে এ প্রতিবেদককে তুলা চাষ দেখাচ্ছেন তিন গবেষক। রবিবার তোলা। কালের কণ্ঠ

দীর্ঘদিন ধরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত মাটিকে তুলা চাষের জন্য অনুপযোগী বলে মনে করা হতো। তবে সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গবেষকরা। তারা সেখানে তুলার সফল উৎপাদন ও রোগ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশবান্ধব জৈব প্রযুক্তি প্রয়োগে সফল হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ড ল্যাবরেটরিতে পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, উপকারী অণুজীব ট্রাইকোডার্মা হারজিয়ানাম, ট্রাইকোডার্মা অ্যাসপেরেলাম এবং ব্যাসিলাস সাবটিলিসের সমন্বিত প্রয়োগ তুলার অন্যতম ক্ষতিকর রোগ ফিউজারিয়াম উইল্ট দমনে অত্যন্ত কার্যকর। একই সঙ্গে এই প্রযুক্তি তুলা গাছের বেড়ে ওঠা, ফলন ও কৃষকের আয় বাড়াতেও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

গবেষণায় বিভিন্ন তুলার জাতের ওপর এসব অণুজীব পৃথক ও সমন্বিতভাবে প্রয়োগ করে তাদের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়। পরীক্ষায় ব্যবহৃত তুলার জাতগুলোর মধ্যে ছিল সিবি-১২ থেকে সিবি-২০, রুপালি-১, হোয়াইট গোল্ড-১ এবং হোয়াইট গোল্ড-২। ফল হিসেবে দেখা যায়, তিনটি অণুজীবের সমন্বিত প্রয়োগে তুলা গাছ সবচেয়ে বেশি সুস্থ ও সবল হয়েছে। এ ক্ষেত্রে রোগের আক্রমণ ছিল সর্বনিম্ন এবং ফলন ছিল সর্বোচ্চ। এককভাবে অণুজীব প্রয়োগের তুলনায় সমন্বিত প্রয়োগ বেশি কার্যকর ফল দিয়েছে।

গবেষকদের মতে, এসব উপকারী অণুজীব মাটিতে রোগ-জীবাণুর বৃদ্ধি দমন করে, শিকড়ের বিকাশ বাড়ায়, গাছের পুষ্টিগ্রহণে সহায়তা করে এবং প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে প্রতিকূল পরিবেশেও তুলা গাছ ভালো ফলন দিতে সক্ষম হয়।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বস্ত্রশিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলেও দেশের মোট তুলার চাহিদার প্রায় ৯৭ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ তুলা আমদানির ফলে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। 

গবেষকরা বলছেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ লবণাক্ত জমিকে তুলা চাষের আওতায় আনা গেলে জাতীয় পর্যায়ে তুলা উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতা অনেকাংশে কমে আসবে।

গবেষণার আরেকটি দিক হলো, পরীক্ষামূলক ক্ষেতে তুলাগাছে উল্লেখযোগ্য কোনো পোকামাকড় বা রোগের আক্রমণ দেখা যায়নি। ফলে রাসায়নিক কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকের ব্যবহার কমানো সম্ভব, যা কৃষিকে আরো পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে সহায়তা করবে।

গবেষকরা অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখেছেন, এই প্রযুক্তি অনুসরণ করে তুলা চাষ করলে কৃষকরা প্রতিবিঘা জমি থেকে ৫০ হাজার থেকে ৬৬ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করতে পারেন। ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের জন্য তুলা একটি লাভজনক অর্থকরী ফসল হিসেবে দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

গবেষণা প্রকল্পটির নেতৃত্ব দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিপ্রযুক্তি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল ইসলাম। সহ-গবেষক হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক ড. সিমুল দাস। মাঠপর্যায়ের গবেষণা কার্যক্রম, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে ভূমিকা রাখেন এমএস শিক্ষার্থী ও রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মো. আসাদুর রহমান।

গবেষকরা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তুলা একটি সম্ভাবনাময় ফসল হতে পারে। পরিবেশবান্ধব জৈবপ্রযুক্তির মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও উচ্চ ফলন নিশ্চিত করা গেলে উপকূলের হাজারো কৃষকের আয় বাড়বে। একই সঙ্গে দেশের বস্ত্রশিল্পের জন্য স্থানীয়ভাবে তুলার জোগান বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

৭ কলেজের সব বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
৭ কলেজের সব বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের সব বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ২০২৫ সনের অনার্স ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ বর্ষের এবং ২০২৫ সনের মাস্টার্স শেষ পর্বের ফরম পূরণ ও পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষের সুপারিশের প্রেক্ষিতে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে করে উক্ত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকার্যক্রমসহ আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন করা যায়। 

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, অনার্স প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে, তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এবং চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা আগস্ট মাসের চতুর্থ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এ ছাড়া মাস্টার্স শেষ পর্বের ফাইনাল পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ডিসেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে।

প্রাথমিকের ১ কোটির বেশি শিক্ষার্থীকে ইউনিফর্ম-জুতা-ব্যাগ দেবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিকের ১ কোটির বেশি শিক্ষার্থীকে ইউনিফর্ম-জুতা-ব্যাগ দেবে সরকার
ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি ৭ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা, মোজা এবং স্কুল ব্যাগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই বড় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মূল কার্যক্রম শুরুর আগে আগামী জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রজেক্ট) এই সামগ্রী বিতরণ শুরু হবে। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

আরো পড়ুন
রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের

রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের

 

ববি হাজ্জাজ জানান, পাইলট প্রজেক্টের আওতায় মোট সাড়ে তিন লাখাধিক শিক্ষার্থীকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। তবে কার্যক্রমটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে অন্তত ১ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে পাইলট প্রজেক্টের যাত্রা শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি শিক্ষার্থীদের কাছে সামগ্রীগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পাইলট প্রজেক্টের পুরো কাজ শেষ করার লাখ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, পাইলট প্রজেক্টের অভিজ্ঞতা ও ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে আগামী জানুয়ারি থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুরোদমে সামগ্রী বিতরণ শুরু হতে পারে। সারা দেশের কোনো উপজেলা যেন বাদ না পড়ে, সেই লাখ্যে প্রতিটি উপজেলার একাধিক স্কুলকে এই কর্মসূচিতে যুক্ত করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ২৫ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই পাইলট প্রজেক্টের আওতায় থাকবে।

এই উদ্যোগে বড় ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ৫ লাখ পাটের স্কুল ব্যাগ উপহার হিসেবে দিচ্ছে তারা।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে স্কুল ব্যাগটি ওয়াটারপ্রুফিং থাকবে। ওনারা সেই জিনিসগুলো চিন্তাভাবনা করে... সব পর্যবেক্ষণ করেই সব কিছু তৈরি করেছেন। যেহেতু এটা পাইলট, তাই যদি কোনো ভুলত্রুটি থেকে থাকে এখান থেকে আমরা জানতে পারব, পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রমে যখন যাব তখন যেন সেটা ঠিক করে নেওয়া যায়।’

আরো পড়ুন
সিংড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬

সিংড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬

 

এ ছাড়া মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি এলাকায় এই কার্যক্রম সফল করতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সার্বিক সহযোগিতা করছে বলেও জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। 

এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।