• ই-পেপার

মাভাবিপ্রবিতে প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে সিটিএফ প্রতিযোগিতা

রাবিতে সিট দখল নিয়ে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন, অভিযোগ অস্বীকার ছাত্রদলের

রাবি প্রতিনিধি
রাবিতে সিট দখল নিয়ে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন, অভিযোগ অস্বীকার ছাত্রদলের
ছবি: কালের কণ্ঠ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হলে সিট দখলের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। অন্যদিকে এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ছাত্রদল।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে হলগুলোর সিট বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতসহ তিন দফা দাবি জানায় ছাত্রশিবির।

মানববন্ধনে ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। তাদের দাবির মধ্যে ছিল—অবৈধভাবে হলে অবস্থানকারীদের সিট বাতিল, পুনরায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়ম অনুযায়ী সিট বরাদ্দ এবং সিট বণ্টন ও খালি আসনের তথ্য প্রকাশে স্বচ্ছ ওয়েবসাইট চালু করা।

কর্মসূচিতে ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ২০২৪ সালের পর হলে দখল ও সিট বাণিজ্যের অবসান ঘটেছিল, তবে আবারও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে হলে সিট বণ্টনের চেষ্টা চলছে। তিনি দাবি করেন, ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের কিছু শিক্ষার্থীকে দলীয় বিবেচনায় সিট দেওয়া হচ্ছে।

ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব বলেন, রাজনীতির নামে হলে সিট বাণিজ্যের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ছাত্রশিবির তা প্রতিহত করবে বলেও তিনি জানান।

কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। এতে বিভিন্ন হল ও অনুষদের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। রোববার রাতে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী ও সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বিবৃতিতে বলা হয়, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করার আহ্বান জানানো হয়।

ছাত্রদল আরো জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করা হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে তার জবাব দেওয়া হবে।

চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খেলাধুলা

বাসস
চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খেলাধুলা
সংগৃহীত ছবি

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চতুর্থ শ্রেণি থেকে জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে মাঠের প্রাপ্যতা নিশ্চিতসহ একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

রবিবার (২৮ জুন) অধিদপ্তরের সেকশন-২ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে জানানো হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৬ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের আলোকে দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ রয়েছে, সেগুলো খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় চাহিদা নিরূপণ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

এ ছাড়া দেশের প্রায় ১১ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো খেলার মাঠ নেই উল্লেখ করে বিদ্যালয়গুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে বিস্তারিত তথ্যসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব পাঠানোর আগে সেখানে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। যেসব বিদ্যালয়ের নিজস্ব মাঠ নেই, তাদের ক্ষেত্রে আশপাশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি মালিকানাধীন মাঠ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহারের লক্ষ্যে সমঝোতা বা চুক্তির উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দির, মসজিদ, খালি জায়গা, পতিত জমি কিংবা অন্য কোনো সরকারি সংস্থার মাঠ থাকলে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় যৌথভাবে খেলাধুলার আয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের আরো বলেছে, যেসব বিদ্যালয়ে মাঠের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়, সেখানে বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে দাবা, ক্যারামসহ বিভিন্ন ইনডোর গেমসের সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে। এ ছাড়া প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন, প্রতিদিন পাঠদান শেষে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের মাঠ শিশুদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে পূর্ণাঙ্গ অগ্রগতি প্রতিবেদন দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগত কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ভিত্তিক খেলাধুলার সংস্কৃতি আরো শক্তিশালী হবে।

১১ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠ নেই, তথ্য চাইল অধিদপ্তর

অনলাইন ডেস্ক
১১ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠ নেই, তথ্য চাইল অধিদপ্তর

দেশের প্রায় ১১ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো খেলার মাঠ নেই উল্লেখ করে সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিস্তারিত তথ্যসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) অধিদপ্তরের সেকশন-২ থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ রয়েছে, সেগুলো খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় চাহিদা নিরূপণ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। ভবিষ্যতে নতুন কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব পাঠানোর আগে সেখানে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

যেসব বিদ্যালয়ের নিজস্ব মাঠ নেই, তাদের ক্ষেত্রে আশপাশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি মালিকানাধীন মাঠ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহারের লক্ষ্যে সমঝোতা বা চুক্তির উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দির, মসজিদ, খালি জায়গা, পতিত জমি কিংবা অন্য কোনো সরকারি সংস্থার মাঠ থাকলে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় যৌথভাবে খেলাধূলার আয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের আরো বলেছে, যেসব বিদ্যালয়ে মাঠের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়, সেখানে বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে দাবা, ক্যারামসহ বিভিন্ন ইনডোর গেমসের সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে। এ ছাড়া প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন, প্রতিদিন পাঠদান শেষে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের মাঠ শিশুদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে পূর্ণাঙ্গ অগ্রগতি প্রতিবেদন দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগত কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ভিত্তিক খেলাধুলার সংস্কৃতি আরো শক্তিশালী হবে।

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে সামার ট্রাইমেস্টারের নবীনবরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে সামার ট্রাইমেস্টারের নবীনবরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

সাভারের আশুলিয়ায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে সামার ট্রাইমেস্টার ২০২৬-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট চিন্তাবিদ এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ইতিহাস ও দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার সাফায়াত মোহাম্মদ রাজু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান উচ্চশিক্ষায় মাতৃভাষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘বর্তমানে উচ্চশিক্ষায় মাতৃভাষা বাংলার ব্যবহার অত্যন্ত সীমিত। অথচ শিক্ষার গুণগত উন্নয়ন এবং কার্যকর জ্ঞানার্জনের জন্য মাতৃভাষার ব্যবহার অপরিহার্য।’ দেশের বর্তমান কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী শিল্পায়ন না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, যার ফলে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব হচ্ছে না।’

প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের প্রশংসা করতে গিয়ে ড. সলিমুল্লাহ খান এটিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শান্তিনিকেতন’-এর সঙ্গে তুলনা করেন। একই সঙ্গে তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং আলোকিত জীবন গঠনে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের একটি ব্যতিক্রমী শপথ করান। শিক্ষার্থীরা শপথ নেন যে, তারা কোনো অবস্থাতেই তাদের পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবেন না। উপাচার্য বলেন, ‘পিতা-মাতার সন্তুষ্টিই একজন সন্তানের জীবনে সফলতার অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার সাফায়াত মোহাম্মদ রাজু শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন উপভোগ করার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনই ভবিষ্যৎ গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়, তাই প্রতিটি মুহূর্তকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ওরিয়েন্টেশন কমিটির কনভেনর ও ইংরেজি বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ রফিউসসান। এছাড়া আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা ও রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, বিভিন্ন ক্লাব এবং সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। সবশেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ওরিয়েন্টেশনের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।