• ই-পেপার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘র‌্যাগ ডে’ বন্ধে মাউশির কঠোর নির্দেশনা

প্রতিবন্ধী শিল্পীদের কর্মসংস্থান দাবিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঢাবিতে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রতিবন্ধী শিল্পীদের কর্মসংস্থান দাবিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঢাবিতে

সাংস্কৃতিক জগতে প্রতিবন্ধী শিল্পীদের পেশাদার কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার দাবিকে সামনে রেখে ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৩ জুন) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে ডিজঅ্যাবল্ড চাইল্ড ফাউন্ডেশনের (ডিসিএফ) আয়োজনে তরুণ-নেতৃত্বাধীন শিফট ক্যাম্পেইনের আওতায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।

ডিসিএফের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রিয়াঙ্কা গোপ, যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাওহিদা জাহান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি এবং চলচ্চিত্র সংসদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আলফেছানী বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সংগীত, চারুকলা ও নৃত্যকলার বিভাগগুলোতে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করে তাদের পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ার পথ তৈরি করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে নাসরিন জাহান বলেন, প্রতিবন্ধী শিল্পীরা কেবল অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে থাকুন এটা আমরা চাই না, তাঁরা টেলিভিশনে নিয়মিত কাজ পান, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি পান এবং মঞ্চে পারিশ্রমিক পান— একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে, সমান মর্যাদায়।

শিফট ক্যাম্পেইনের পক্ষে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় সৈয়দ জাবির হোসেন বলেন, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগৎ একটি বিশাল কর্মক্ষেত্র হলেও প্রতিবন্ধী শিল্পীরা এখান থেকে পদ্ধতিগতভাবে বাদ পড়ে আছেন। তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও শিল্পকলা একাডেমিতে প্রতিবন্ধী শিল্পীদের জন্য নির্ধারিত কোটা ও বৃত্তি চালু, টেলিভিশন ও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে তাদের পারিশ্রমিকসহ কাজের সুযোগ, সরকারি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাদের বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণ এবং মিডিয়ায় পেশাদার শিল্পী হিসেবে উপস্থাপনের দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, পল্লীগীতি, আধুনিক গান, লোকসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্যসহ মোট ২৪টি পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত শিল্পী, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী এবং বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণ শিল্পীরা একই মঞ্চে তা পরিবেশন করেন।

পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরায় নিশ্চিত করা হবে ‘ডিজিটাল ভিজিল্যান্স’ : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরায় নিশ্চিত করা হবে ‘ডিজিটাল ভিজিল্যান্স’ : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, “২০০৬ সালে আমরা ‘নকল’ শব্দটির কবর দিয়ে এসেছি। এটা নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। এখন নকল ডিজিটাল রূপ নিয়েছে। সেটাকে সেভাবে প্রতিহত করতে হবে। তাই পরীক্ষাকেন্দ্রে অবশ্যই সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে। যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে ডিজিটাল ভিজিল্যান্স।”

চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। এতে চট্টগ্রাম বোর্ড, চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের সচিবসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

প্রায় ৩০ হাজার মামলাজটের কারণে সারা দেশে শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ২০১৭ সালের এক আইনি জটিলতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ জনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া থমকে আছে। তবে আগামী ২ জুলাই আপিল বিভাগে এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। তার প্রত্যাশা, ওই দিন কাঙ্ক্ষিত রায় পাওয়ার মধ্য দিয়ে এই শূন্য পদগুলো পূরণের জট খুলবে।

শিক্ষাব্যবস্থায় অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থার জায়গায় জায়গায় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের গুপ্ত অনুসারীরা রয়েছেন, যারা আমাদের শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগী হতে চাইছেন না। জুলাই আন্দোলনে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন যে, প্রশাসনে কোনো ধরনের দুর্বলতা মেনে নেওয়া হবে না। এমপিওভুক্তির বিশাল ব্যাকলগ পূরণে বর্তমানে দেশে আরো ৭৭ হাজার নতুন শিক্ষক প্রয়োজন।

শিক্ষা খাতের বাজেট প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের বাজেটকে শিক্ষা খাতে ঢুকিয়ে একটি ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ দেওয়া হয়েছিল। তবে এবার বর্তমান সরকার শিক্ষায় ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার বিশাল ও বাস্তবসম্মত বাজেট দিয়েছে এবং এই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশিত হবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সব বোর্ডের খাতা আমরা রেন্ডমলি চেক করে দেখব, কেউ কম বা বেশি নম্বর দিয়ে দিল কিনা।

মাধ্যমিকের অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার তারিখ পেছাল, নতুন নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
মাধ্যমিকের অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার তারিখ পেছাল, নতুন নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে স্কুল পর্যায়ের অর্ধ-বার্ষিক/প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ জুনের পরিবর্তে আগামী ১ জুলাই থেকে অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর মো. সাখাওয়াত হোসেন খান সই করা চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০ মে-এর প্রজ্ঞাপনের পরীক্ষার সময়সূচিতে অর্ধ-বার্ষিক/প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার তারিখ ২৮ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত হওয়ার কথা। এর পরিবর্তে এসব পরীক্ষা আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ১৬ জুলাই শেষ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মানিক

অনলাইন ডেস্ক
মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মানিক

রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করে গভর্নিং বডি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সাংবাদিক হামিদুল হক মানিককে সভাপতি করে ৮ সদস্যের এই গভর্নিং বডি গঠন করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকার মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বর্তমান অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) গঠন প্রবিধানমালা-২০২৪-এর ৬৭ ধারা অনুযায়ী তাকে (হামিদুল হক মানিক) এ নিয়োগ দেওয়া হয়।

পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলো : সদস্য পরিচালক, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর, উপসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক-৩), মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, পরিচালক (মাধ্যমিক)/মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিদর্শক (বিদ্যালয়)/চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার প্রতিনিধি, শামীমা আহমেদ (শিক্ষক প্রতিনিধি), মো. শাকিল মোল্লা (অভিভাবক প্রতিনিধি), মো. সিরাজুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, উল্লেখিত কমিটির মেয়াদ দায়িত্ব গ্রহণের সময় থেকে ২ বছর কার্যকর থাকবে।