• ই-পেপার

আবরার ফাহাদের স্মরণসভা থেকে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের দাবি

ভিসির বক্তব্য অস্বীকার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের, কালের কণ্ঠের প্রতিবেদকের কাছে প্রমাণ দাবি

খুবি প্রতিনিধি
ভিসির বক্তব্য অস্বীকার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের, কালের কণ্ঠের প্রতিবেদকের কাছে প্রমাণ দাবি
সংগৃহীত ছবি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমের একটি বক্তব্য হুবহু ‘কালের কণ্ঠে’ প্রকাশ করা হলেও সেটি এখন অস্বীকার করছেন। প্রকাশিত ওই বক্তব্যকে বিকৃত ও বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ এনে প্রমাণ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কালের কণ্ঠের প্রতিবেদক মিরাজুল ইসলামকে নোটিশ পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

গতকাল রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাতের স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশ প্রতিবেদকের হাতে পৌঁছায়। মিরাজুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

প্রমাণ চেয়ে ওই অফিস আদেশ বলা হয়, তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংবাদের তথ্যসূত্র, সংশ্লিষ্ট অডিও-ভিডিও রেকর্ড এবং লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।

অফিস আদেশ আরো বলা হয়, গত ৯ জুন দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে খুবিতে বৃক্ষরোপণ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।  উক্ত সংবাদে  ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। এখানে প্রচুর দর্শক আসে। যেহেতু খুলনায় তেমন বিনোদনকেন্দ্র নেই। এবিষয়টি বিবেচনা করে আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি।’– উপাচার্যের যে উদ্বৃতি প্রকাশ করা হয়। 

অফিশ আদেশে প্রশাসনের দাবি, প্রকাশিত সংবাদে উপাচার্যের বক্তব্য যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি এবং বিষয়টির সারবস্তু বিকৃত করা হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও প্রমাণাদি দাখিলে ব্যর্থ হলে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কালের কণ্ঠের খুবি প্রতিনিধি মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি পেশাগত দায়িত্ব থেকে বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ করেছি এবং এর পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে সংবাদ প্রকাশের জেরে সরাসরি আমাকে, আমার তথ্যসূত্র বা অডিও রেকর্ড তলব করে ডিসিপ্লিনে নোটিশ পাঠানো স্বাধীন সাংবাদিকতায় হস্তক্ষেপ ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার। প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে কোনো আপত্তি থাকলে তা আমার কর্মস্থল বা পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো যেতে পারে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে ডিসিপ্লিনে চিঠি পাঠিয়ে আমার শিক্ষাজীবনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা অন্যায়। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’


এ বিষয়ে ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে বলেছে এ ব্যাপারে কালের কণ্ঠের সাংবাদিককে ব্যাখ্যা চেয়ে একটা চিঠি পাঠানোর জন্য, যেন তিনি এই নিউজের ব্যাখ্যা আমাদের কাছে উপস্থাপন করেন। আমরা মনে করছি, উক্ত নিউজটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, এ জন্য আমরা দৈনিক কালের কণ্ঠ বরাবরও চিঠি পাঠিয়েছি।’

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সচিব মো. আব্দুস সবুর বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের নিয়মানুযায়ী যেহেতু একটা নিউজ শুধু প্রতিনিধি প্রকাশ করতে পারেন না, এর সঙ্গে সাব-এডিটর এবং এডিটরের সম্পৃক্ততা থাকে, সেহেতু কোনো নিউজের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে সেই পত্রিকা বরাবর চিঠি পাঠাতে হয়। সংবাদ বস্তুনিষ্ঠ, সঠিক এবং যথেষ্ট প্রমাণাদির ভিত্তিতে করা হলে অবশ্যই এটা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করে।’

এদিকে সাংবাদিককে দেওয়া প্রশাসনের এই চিঠির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (খুবিসাস)। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে জানান, সাংবাদিকতার রীতিনীতি অনুযায়ী কোনো সাংবাদিক তার সোর্স বা অডিও রেকর্ড প্রশাসনের কাছে জমা দিতে বাধ্য নন। শিক্ষার্থী সত্তাকে জিম্মি করে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির এই অপপ্রয়াস অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এসএসসির ফল প্রকাশ কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
এসএসসির ফল প্রকাশ কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে স্কুলড্রেস বিতরণ শুরুর কথা জানালেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষাব্যবস্থাকে সেশনজটমুক্ত করার লক্ষ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৮ সালের পর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের আর দীর্ঘ অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করতে হবে না। ফলাফল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে।’

পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন প্রসঙ্গে তিনি জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দেশের সব স্কুলে পরিমার্জিত ও সংশোধিত নতুন বই পৌঁছে দেওয়া হবে। এতে নতুন বছর শুরুতেই শিক্ষার্থীরা বই পাবে।

শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শুধু চার দেয়ালের মাঝে পড়াশোনার ভেতরেই আটকে রাখা যাবে না, পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।’

বাজেটে কোন বিশ্ববিদ্যালয় বরাদ্দ পেল কত

অনলাইন ডেস্ক
বাজেটে কোন বিশ্ববিদ্যালয় বরাদ্দ পেল কত
সংগৃহীত ছবি

দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এসব খাতে ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত ১৮৭তম পূর্ণ কমিশন সভায় এ বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত বাজেটের মধ্যে ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট বাজেটের মধ্যে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা রাজস্ব (পরিচালন) ব্যয় এবং ৪৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গবেষণা খাতে দ্বৈততা পরিহারের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এবং ইউজিসির গবেষণা বাজেট একীভূত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো (২০২৬-২৭ থেকে ২০২৮-২৯) বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ইউজিসির বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতের ২০০ কোটি টাকা। এতে ইউজিসির গবেষণা খাতে মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ২২৬ কোটি টাকা। এছাড়া বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে ১২ কোটি টাকা যোগ হয়ে এ খাতে মোট বরাদ্দ হয়েছে ২৩৮ কোটি টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৯৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা রাজস্ব বরাদ্দ পেয়েছে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বরাদ্দের পরিমাণ নিম্নে উল্লেখ করা হলো-  

  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ৫৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ৫০৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা
  • জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা
  • ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা
  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ১৮২ কোটি ৯২ লাখ টাকা
  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা
  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ৬২ কোটি ৮৭ লাখ
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ৭৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা
  • জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ৭৫ কোটি ২০ লাখ টাকা
  • বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা
  • নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় ১৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা
  • কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ১১ কোটি ৩ লাখ টাকা
  • নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় ৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা
  • মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় ৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা
  • ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ৯ কোটি ১২ লাখ টাকা
  • রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ২১ কোটি ১৬ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস ১৪৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা
  • চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ৬৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ৫৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় ৪৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা
  • ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা
  • ইউনিভার্সিটি অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বাংলাদেশ ১৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা
  • অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় ৪৮ কোটি ২০ টাকা
  • শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা
  • হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৩৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা
  • মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১১৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা
  • পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১২১ কোটি ২৯ লাখ টাকা
  • নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১১৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা
  • যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৯৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা
  • পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৬৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা
  • গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৭৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা
  • রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা
  • জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২১ কোটি ৯০ লাখ টাকা
  • সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা
  • পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা
  • চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা
  • বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ২৮০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা
  • চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা
  • রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৯৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা
  • খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১২৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা
  • ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৯৭ কোটি ৫ লাখ টাকা
  • গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১০২ কোটি ৮২ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৩৫২ কোটি ১২ লাখ টাকা
  • শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৪২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা
  • খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৩০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা
  • হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা
  • কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা
  • সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৮৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ১৭৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা
  • রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা
  • সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ৬৩ লাখ টাকা
  • খুলনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা
  • চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ কোটি ৩৪ লাখ
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ৪৮১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ২৭৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা
  • ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা

শিগগিরই এনটিআরসির গণবিজ্ঞপ্তি, জানা গেল শূন্য পদের সংখ্যা

অনলাইন ডেস্ক
শিগগিরই এনটিআরসির গণবিজ্ঞপ্তি, জানা গেল শূন্য পদের সংখ্যা
সংগৃহীত ছবি

দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসনে নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সারা দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

রবিবার (১৪ জুন) রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ই-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। নতুন গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত শূন্যপদগুলো পূরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এর আগে, রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষাখাত অত্যন্ত বড় একটি সেক্টর। বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার ৫০০। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ওয়াশরুম থাকলেও সেগুলোর মানোন্নয়নে কাজ চলছে।

শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, বিচারাধীন মামলার কারণে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট প্রায় ৮৩ হাজার মামলা বর্তমানে বিচারাধীন থাকায় অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না।

আবরার ফাহাদের স্মরণসভা থেকে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের দাবি | কালের কণ্ঠ