• ই-পেপার

ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

বন্ড ও ভ্যাট ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিজিএমইএর পাঁচ দাবি

অনলাইন ডেস্ক
বন্ড ও ভ্যাট ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিজিএমইএর পাঁচ দাবি

জাতীয় বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। তবে বন্ড ও ভ্যাট ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বাজেটে পূরণ হয়নি এমন পাঁচটি দাবি উত্থাপন করেছে পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনটি। 

শনিবার (১৩ জুন) গণমাধ্যমে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায় বিজিএমইএভ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব ও সংস্কারমুখী। তবে তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যমান সংকট বিবেচনায় বাজেটে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সেখানে আরো বলা হয়, বৈশ্বিক মন্দা ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে পোশাক খাত বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ, ইউনিটপ্রতি গড় মূল্য ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং কাঁচামাল আমদানির জন্য ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার পরিমাণ ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া গত তিন বছরে প্রায় ৪০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠনটি সরকারের কাছে পাঁচটি দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পোশাক রপ্তানির ওপর উৎসে করের হার বর্তমান ১ থেকে কমিয়ে দশমিক ৬৫ শতাংশ নির্ধারণ এবং তা আগামী পাঁচ বছরের জন্য স্থিতিশীল রাখা।

নগদ সহায়তার বিপরীতে আয়কর কর্তনের হার ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বর্তমান তারল্য সংকট বিবেচনায় তা সম্পূর্ণ মওকুফ করার দাবি জানিয়েছে বিজিএমইএ।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানাগুলোকে টিকিয়ে রাখতে সাবকন্ট্রাক্ট মূল্যের ওপর আরোপিত ১ শতাংশ দ্বৈত উৎসে কর প্রত্যাহার এবং ভ্যাট অব্যাহতি প্রক্রিয়া আরো সহজ করা। পোশাক খাতের জন্য নির্ধারিত ১২ শতাংশ এবং গ্রিন ফ্যাক্টরির জন্য ১০ শতাংশ করপোরেট করহার যেন অন্য কোনো আয়ের কারণে বৃদ্ধি না পায়, তা নিশ্চিত করা।

এ ছাড়া ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক পোশাক রপ্তনির সম্ভাবনা বিবেচনায় পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার (পিএসএফ), পিভিসি রেজিন ও পিইটি রেজিনের ওপর প্রস্তাবিত অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা।

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ও এর প্রয়োজনিয়তা।

লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার রবিবার (১৪ জুন, ২০২৬) বিনিময় হার—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা
ইউরো : ১৪১ টাকা ৯৯ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ৫৫ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৭৪ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ১৪ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৯ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৩১ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ৫৩ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৬ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭৩ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৮ টাকা ৬৮ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন।

দর বাড়ার পর আজ নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
দর বাড়ার পর আজ নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

টানা চার দফা কমানোর পর দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা।

গতকাল শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ রবিবারও (১৪ জুন) এই দামেই বিক্রি হবে সোনা।

এর আগে, সবশেষ গত ১১ জুন সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

সংশোধিত বাজেটে ২৭ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ বেড়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
সংশোধিত বাজেটে ২৭ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ বেড়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সামগ্রিক সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে। তবে নির্বাচন আয়োজন, ঋণের সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি-প্রণোদনা, কৃষিঋণ মওকুফ এবং কয়েকটি বড় প্রকল্পের অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তায় ২৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বাজেট নথি অনুযায়ী, মূল বাজেটে ৬২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে ২৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বরাদ্দ ৫৬ হাজার ১১৭ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। বিপরীতে ৩৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বরাদ্দ কমানো হয়েছে ৫৯ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। ফলে সার্বিকভাবে বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

সংশোধিত বাজেটে সবচেয়ে বেশি অতিরিক্ত বরাদ্দ পেয়েছে অর্থ বিভাগ। বিভাগটির বরাদ্দ ২৮ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। যদিও উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে, তবে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধ, শেয়ার মূলধনে বিনিয়োগ, ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে বাড়তি ব্যয়ের কারণে এই অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দিতে হয়েছে বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।