গলাচিপায় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী-গলাচিপা আঞ্চলিক সড়কের আমখোলা বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ।
গ্রেপ্তাররা হলেন উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের দরিবাহেরচর গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (১৯), একই ইউনিয়নের উত্তর আমখোলা গ্রামের গফুর খানের ছেলে জাহিদ খান ও গলাচিপা পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামবাগের জালাল আহমেদের ছেলে সালেহ আহমেদ শান্ত।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে কিছু তরুণ আমখোলা বাজারসংলগ্ন আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেয় তারা। এরপর একটি সেতুর ওপর দুটি টায়ার জ্বালিয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করে। এ সময় ‘পুলিশ হত্যার বিচার চাই’ লেখা একটি ব্যানার সামনে ধরে ২ থেকে ৩ মিনিটের একটি বিক্ষোভ মিছিল করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
মিছিলের দুই মিনিটের একটি ভিডিও প্রতিবেদকে হাতে আছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যানারে ‘প্রত্যাবর্তন-২.০’, ‘আলো আসবেই’ এবং ‘পুলিশ হত্যার বিচার চাই’ লেখা রয়েছে।
ব্যানারে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় উল্লেখ করে রুবেল গাজীর নাম রয়েছে। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বিক্ষোভ অংশ নেওয়া তরুণরা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় দেওয়া রুবেল গাজীর অনুসারী।
এ বিষয়ে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদের জানান, আমখোলা গলাচিপা উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন একটি এলাকা। তবে ছাত্রলীগের ব্যানারে বিক্ষোভ করা ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।