• ই-পেপার

অর্জিত হয়নি লক্ষ্যমাত্রা

নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা এখনো অধরা

  • ♦ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার হলে বাড়বে উৎপাদন
  • ♦ ডিজেল ও বৈদ্যুতিক সেচ পাম্পগুলো সোলারে কনভার্ট করার পরামর্শ

ঢাকা-নারিতা রুটে আবার ফ্লাইট চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-নারিতা রুটে আবার ফ্লাইট চালু

দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট। সরকারের আশা, এই রুট পুনরায় চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা এবং জনসম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

রবিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকা-নারিতা রুটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি বলেন, ভবিষ্যতে এই রুট আর বন্ধ করার প্রশ্নই আসে না। আশা করি এবার রুটটি লাভজনক হবে এবং ইতোমধ্যে উদ্বোধনী ফ্লাইটের পাশাপাশি ফিরতি ও পরবর্তী ফ্লাইটগুলোর বুকিংও সম্পন্ন হয়েছে। এতে জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।

মিট এন্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আজকের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারে আমি অত্যন্ত আনন্দবোধ করছি। 

মন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি বলেন, জাপানপ্রবাসী প্রায় ৪৫ হাজার বাংলাদেশি ছাত্র, শ্রমিক ও অভিবাসীদের কথা বিবেচনায় রেখে আমরা ফ্লাইটটি চালু করেছি। ফ্লাইটটি যাতে আর কখনোই বন্ধ না হয় সেজন্য ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় শুধু বোয়িং নয়, এয়ারবাসের উড়োজাহাজও বহরে যুক্ত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৮০ সালে উড়োজাহাজ স্বল্পতা থাকা স্বত্বেও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাপান বাংলাদেশ সম্পর্ক সুদৃঢ় করার জন্য ঢাকা - নারিতা ফ্লাইট চালু করেছিলেন। আজ আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ফ্লাইটটি যাত্রী সাধারণের জন্য পুনরায় চালু করলাম।

এরপর মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী জাপানগামী যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ফিতা কেটে ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১ জুলাই ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ করা হয়েছিল। প্রায় এক বছর পর আবারও চালু হলো এই রুট। রবিবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩৭৬ ফ্লাইটটি জাপানের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ডায়নামিক সিটির নতুন সভাপতি  সালমা আদিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ডায়নামিক সিটির নতুন সভাপতি  সালমা আদিল
সংগৃহীত ছবি

লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ডায়নামিক সিটির উদ্যোগে দায়িত্ব হস্তান্তর ও গ্রহণ, ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর টিম এবং মাল্টিপল কাউন্সিল চেয়ারপারসন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ২০২৫–২০২৬ সেবাবর্ষের প্রেসিডেন্ট লায়ন পুলিন চন্দ্র ঘরামী দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। 

শনিবার (২৫ জুলাই) ২০২৬–২০২৭ সেবাবর্ষের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন লায়ন সালমা আদিল এমজেএফ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন লায়ন শওকত চৌধুরী এমজেএফ।

প্রধান অতিথি ছিলেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি৪, বাংলাদেশের ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন মো. কামরুজ্জামান লিটন এমজেএফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইপিডিজি ও মাল্টিপল কাউন্সিল চেয়ারপারসন লায়ন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ আপু পিএমজেএফ।

সম্মানিত অতিথি ছিলেন প্রথম ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিকী পিএমজেএফ এবং দ্বিতীয় ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন পারভীন মাহমুদ এফসিএ, পিএমজেএফ। প্রাক্তন জেলা গভর্নরদের মধ্যে বক্তব্য দেন লায়ন এম এ মালেক এমজেএফ, লায়ন কবির উদ্দিন ভূঁইয়া এমজেএফ এবং লায়ন এস এম সামসুদ্দিন এমজেএফ।

বক্তারা ডায়নামিক সিটির সেবামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, নতুন প্রেসিডেন্ট সালমা আদিলের নেতৃত্বে ক্লাবের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট তাঁর বক্তব্যে বলেন, মানবসেবা, নেতৃত্বের উৎকর্ষ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনকল্যাণমুখী করে তোলাই হবে তাঁর অগ্রাধিকার। তিনি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে আরও কার্যকর ও টেকসই সেবামূলক উদ্যোগ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সবশেষে লিও ক্লাব অব গোল্ডেন সিটির পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে আলাদা অনুসন্ধান নয় : বাংলাদেশ ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে আলাদা অনুসন্ধান নয় : বাংলাদেশ ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা করে কোনো আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম খতিয়ে দেখার সময় যদি কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাংলাদেশে ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। 

আরিফ হোসেন বলেন, সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে ছিলেন, তাই তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে আলাদা কোনো অনুসন্ধান চালাবে না নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে দেশের আর্থিক খাতের সংস্কারে ব্যাংকভিত্তিক যে তদন্তগুলো চলছে, সেখানে কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘গ্রাহকরা ব্যাংকের কাস্টমার। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকে ইন্সপেকশন করে। তদন্তের সময় কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে বাংলাদেশ ব্যাংক সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কোনো ব্যক্তি অনিয়ম করলে, সেই অনিয়মের সঙ্গে পর্ষদ জড়িত কি না সেটাও দেখা হয়।’

তিনি যোগ করেন, ‘এটা ব্যাংক নিজেরাই অডিট করে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকও করে এবং এক্সটার্নাল অডিটও হয়। এটা কোনো ব্যক্তি বিশেষকে টার্গেট করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক করবে না। বিশেষ প্রায়োরিটি নিয়ে কিংবা টার্গেট করে কাজ করছে, এমন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। এর এক দিন পর আজ রবিবার বঙ্গভবন ছেড়ে রাজধানীর গুলশানের বাসায় ওঠেন তিনি।

এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা হয়েছে। রবিবার বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

জুলাইয়ের ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
জুলাইয়ের ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা
সংগৃহীত ছবি

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই মাসের প্রথম ২৫ দিনেই দেশে ২ দশমিক ২৯৯ বিলিয়ন (২২৯ কোটি ৯০ লাখ) মার্কিন ডলারের প্রবাস আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। স্থানীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে) এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮ হাজার ৪৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময়ে বৈধ পথে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ৬ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৯ কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ২২৯ কোটি ৯০ লাখ (২ দশমিক ২৯৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৯০ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, এর আগে চলতি মাসের প্রথম পাঁচ দিনে এসেছিল ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। মাসজুড়ে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্সপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় ২১ দিনের মাথায় মোট প্রবাস আয় পৌঁছেছে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারে আর সেটি ২৫ দিনে দাঁড়িয়েছে ২২৯ কোটি ৯০ লাখ ডলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের ২৫ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৯ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা ২০ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সমান।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রণোদনার কারণে প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।

এ প্রবাহ অব্যাহত থাকলে চলতি মাসেও রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা এখনো অধরা | কালের কণ্ঠ