• ই-পেপার

লোয়াবের নেতৃত্বে আবারও আজম জে চৌধুরী ও শায়ান এফ রহমান

  • অভিনন্দন জানালেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান

৫ কার্গো এলএনজি আমদানি করছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
৫ কার্গো এলএনজি আমদানি করছে সরকার
সংগৃহীত ছবি

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থার জেরে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় পাঁচ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে যাচ্ছে সরকার। এই আমদানির আওতায় সুইজারল্যান্ড থেকে ২ কার্গো, যুক্তরাজ্য থেকে ২ কার্গো এবং সিঙ্গাপুর থেকে ১ কার্গো এলএনজি কেনা হবে। বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই জরুরি প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন
জনশক্তি রপ্তানিতে সিন্ডিকেট বন্ধ করতে না পারলে পদ ছাড়বেন মন্ত্রী

জনশক্তি রপ্তানিতে সিন্ডিকেট বন্ধ করতে না পারলে পদ ছাড়বেন মন্ত্রী

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সুইজারল্যান্ড থেকে স্বল্প মেয়াদে ২০২৬ সালের জন্য সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় ২ কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে, তবে এই ২ কার্গো গ্যাস কিনতে মোট কত টাকা ব্যয় হবে তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। 

অন্যদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে দেশের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) কঠোরভাবে অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ পদ্ধতিতে বাকি ৩ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত সরকারি প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৬-২৭ জুন সময়ের জন্য ২৬তম, ৩০ জুন-১ জুলাই সময়ের জন্য ২৭তম এবং ৬-৭ জুলাই সময়ের জন্য ২৮তম কার্গো হিসেবে এই তিন কার্গো এলএনজি বাংলাদেশের বন্দরে এসে পৌঁছাবে। 

আরো পড়ুন
কুয়েতে হামলার জেরে দুই ইরানি কূটনৈতিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ

কুয়েতে হামলার জেরে দুই ইরানি কূটনৈতিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ

 

ক্রয় প্রস্তাবের নিয়ম অনুযায়ী, এর মধ্যে এক কার্গো এলএনজি সিঙ্গাপুরভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ‘বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড’ এবং বাকি দুই কার্গো যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ‘টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড’-এর কাছ থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হবে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এই তিন কার্গো এলএনজি আমদানির জন্য সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩৭২ কোটি ২১ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৪ টাকা।

আইএমএফের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন বাংলাদেশের

অনলাইন ডেস্ক
আইএমএফের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন বাংলাদেশের
আইএমএফ কার্যালয়। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিকে সহায়তা করতে নতুন আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে আবেদন করেছে বাংলাদেশ। বুধবার (৩ জুন) আইএমএফ বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘নতুন এ অনুরোধ কেন্দ্র করে বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি ও নীতিগত অগ্রাধিকার নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত আইএমএফ-সমর্থিত কর্মসূচির আওতায় এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ), এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটি (আরএসএফ) বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নীতি-ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে বলে জানান তিনি।

তবে তখন থেকে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে এবং এখন ব্যাংক খাতের দুর্বলতা ও রাজস্ব আহরণের ঘাটতি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে বলে মনে করেন ক্রজনার।

আইএমএফ জানায়, নতুন একটি কর্মসূচির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে, যা বর্তমান বাস্তবতা ও নতুন সরকারের অগ্রাধিকারকে বিবেচনায় নেবে। তবে যে কোনো নতুন ঋণ কর্মসূচি বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের চাহিদা, শক্তিশালী নীতিগত প্রতিশ্রুতি ও সংস্কার কর্মসূচির বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর নির্ভর করবে। আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে তা চূড়ান্ত হবে।

সংস্থাটি আরো জানায়, বাংলাদেশে একটি স্টাফ ভিজিটের পরিকল্পনা চলছে, যেখানে সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা, নীতিগত অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মূল্যায়ন করা হবে। সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচির আকার ও শর্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তী পর্যায়ের মিশনে হবে।

আইএমএফ বলেছে, বাংলাদেশের টেকসই সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, আর্থিকখাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তারা অংশীদার হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন মার্কিন শুল্ক, কোন দেশে কত

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন মার্কিন শুল্ক, কোন দেশে কত
সংগৃহীত ছবি

জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ না নেওয়ায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২ জুন) এই প্রস্তাবটি ঘোষণা করে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)। খবর বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(বি) ধারা ব্যবহার করে ইউএসটিআর বলছে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদারদের এই ব্যর্থতা মার্কিন শ্রমিকদের জন্য একটি অসম প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করছে। 

এই প্রস্তাবে জবরদস্তিমূলক শ্রমের পণ্য আমদানিতে কার্যকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা প্রয়োগে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বাংলাদেশ, ভারত চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডসহ ৫৪টি দেশের অর্থনীতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

এর পাশাপাশি কানাডা, মেক্সিকো, পাকিস্তানসহ আরো ছয়টি দেশকে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থতার জন্য উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আংশিক বাণিজ্যব্যবস্থা রয়েছে, তাদের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক এবং যাদের এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেই, তাদের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হতে পারে।

এই পদক্ষেপটি এখনই কার্যকর হচ্ছে না বরং এটি বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত এ বিষয়ে লিখিত মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

এর বাইরে পোশাক ও টেক্সটাইল আমদানির জন্য একটি আলাদা ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য কিছুটা কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে; যদিও এই কোটার বিস্তারিত এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

কোন দেশে কত শুল্ক

মার্কিন বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে—এমন যুক্তি দেখিয়ে মঙ্গলবার ৬০টি দেশের আমদানিপণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অথবা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

মূলত যুক্তরাষ্ট্র তাদের জরুরি শুল্ক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা গত ফেব্রুয়ারিতে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে বাতিল হয়ে গিয়েছিল।

এ ক্ষেত্রে কোন দেশের ওপর কত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে সেটিও ওই প্রস্তাবনায় উল্লেখ করেছে ইউএসটিআর।

তারা জানিয়েছে, যেসব দেশ ইতোমধ্যেই জোরপূর্বক শ্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অথবা পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বা আংশিক নিয়ম বিদ্যমান তাদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্য সব দেশের ক্ষেত্রে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

বাংলাদেশ, কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান এবং ব্রিটেনের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ হতে পারে।

বাকি ৪৫টি দেশের ওপর তারা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে।

এ ছাড়া একটি টেক্সটাইল মেকানিজমও প্রস্তাব করছে যুক্তরাষ্ট্র। যা নির্দিষ্ট পরিমাণ পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যকে হ্রাসকৃত শুল্ক হারে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেবে, যদিও এর হার বা পরিমাণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এমন একটি সময়ে এই ঘোষণাটি দেওয়া হলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসনের ২০ ফেব্রুয়ারি আরোপ করা ১০ শতাংশ অস্থায়ী শুল্কের সময়সীমা আগামী ২৪ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

দেশটির সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই দিনের পর থেকে আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের অধীনে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা বাতিল করেছে।

এদিকে ইউএসটিআর শিগগিরই চীনসহ ১৬টি বাণিজ্য অংশীদার দেশের অতিরিক্ত শিল্প সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করবে বলেও জানানো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জোরপূর্বক শ্রম সংক্রান্ত শুল্কের ক্ষেত্রে, জ্বালানি, বিরল মৃত্তিকা এবং অন্যান্য নির্দিষ্ট কিছু ধাতু, গরুর মাংস, কফি, নির্দিষ্ট কিছু ফল ও সবজি, ওষুধ, জৈব রাসায়নিক এবং বিমানের যন্ত্রাংশ এই শুল্কের আওতামুক্ত থাকবে বলে জানিয়ে ইউএসটিআর।

কৃষক স্মার্ট কার্ডধারী ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ বিতরণে নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
কৃষক স্মার্ট কার্ডধারী ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ বিতরণে নির্দেশনা

কৃষক স্মার্ট কার্ডধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক এবং সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার দিতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিভাগ (এফআইডি) এ বিষয়ে একটি সার্কুলার লেটার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক, নিম্নআয়ের পেশাজীবী, স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’র আওতায় কৃষকদের ঋণ সহায়তা আরও সহজ ও কার্যকর করতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রণীত ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা-২০২৫’-এর আলোকে কৃষক স্মার্ট কার্ডধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকদের ১০ টাকার ব্যাংক হিসাব খোলা এবং পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ঋণ বিতরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তবে একই সঙ্গে কার্ডবিহীন প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকরা যেন এ স্কিমের আওতায় ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া সাম্প্রতিক গ্রীষ্মকালীন অতিবৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে পাকা ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ সহায়তায় অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের হাওর এলাকার কৃষকদের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য জেলায় অতিবৃষ্টিজনিত ফসলহানির শিকার প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকরাও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা পাবেন। 

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ বিষয়ে পূর্বে জারি করা সংশ্লিষ্ট সার্কুলার ও সার্কুলার লেটারের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

লোয়াবের নেতৃত্বে আবারও আজম জে চৌধুরী ও শায়ান এফ রহমান | কালের কণ্ঠ