ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আবারও আমির নির্বাচিত হয়েছেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। এ ছাড়া মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে মজলিশে শূরার বিশেষ অধিবেশন শেষে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) এ কমিটি ঘোষণা করেন।
শুরার অধিবেশনে ২০২৫-২৬ বছরের সাংগঠনিক কার্যক্রম পর্যালোচনাসহ রাজনৈতিক কৌশল ও পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
৫৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে অন্যান্য পদে রয়েছেন, নায়েবে আমির—মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মাওলানা আব্দুল হক আজাদ; যুগ্ম মহাসচিব—প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন; সহকারী মহাসচিব—মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহা. আবুল খায়ের, মাওলানা আহমাদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
এ ছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন—মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালী উল্লাহ (এমপি), মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, আলহাজ হারুন অর রশীদ, হাফেজ মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, শেখ আবু তাহের, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, মাওলানা মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন, আলহাজ আব্দুর রহমান, প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মুজাহিদ, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, প্রফেসর ড. বেলাল নূর আজীজি, মাওলানা মুহাম্মদ খলিলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আবুল কাশেম, মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, শেখ মুহাম্মদ নুরুন নাবী, হাফেজ মাওলনা মাহমুদুল হাসান (এল.এল.বি.), মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, কে এম শরীয়তুল্লাহ, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বরকতুল্লাহ লতিফ, অধ্যাপক নাছির উদ্দিন খাঁন, মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী, আলহাজ মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মুফতি রেজাউল করীম আববার, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, আলহাজ মুহাম্মদ আল ইকবাল, আলহাজ মুহাম্মদ সেলিম মাহমুদ, প্রভাষক মাওলানা আলমগীর হোসাইন তালুকদার, কে এম বেলাল হোসাইন, মাওলানা শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ আব্দুজ জলিল, মুহাম্মদ আল-আমীন (ঠাকুরগাঁও), ইঞ্জিনিয়ার শেখ মারুফ ও এম এম কামাল হোসাইন (ভোলা)।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন গতানুগতিক কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়, বরং শরিয়ার পূর্ণ অনুসরণ ও বাস্তবায়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। শরিয়া ও ইসলামকে প্রধান্য দিয়েই আমরা রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ করি। এতে বাহ্যিক চড়াই-উৎরাই আমরা মেনে নিই। সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। সেজন্য দলকে আরো সুসংহত করতে হবে।’
আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতির প্রত্যাশা পূরণে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ধারাবাহিক ব্যর্থতা আমাদের দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে তুলছে।’






