• ই-পেপার

ঋণখেলাপিরা যাতে বিএনপির মনোনয়ন না পায়, চেষ্টা করব : ফখরুল

আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ধর্ম অবমাননার নামে মানুষ হত্যা, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া শেখ হাসিনার আমল থেকে শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। এ সময় তিনি রামু, নাসিরনগর, কলমাকান্দা, ঠাকুরগাঁও, কুমিল্লা এবং রংপুরের ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে সহিংসতার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, এমন অনেক ঘটনা বলা যাবে।

রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, ‘রাষ্ট্র এখানে ভয়ের চোটে কথা বলে না, পুলিশ প্রশাসন নিষ্ক্রিয় থাকে। গ্রামের পর গ্রাম ধর্ম অবমাননার নামে হাসিনার সময় থেকে শুরু হয়েছে জ্বালিয়ে দেওয়া।’

সম্প্রতি একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে উপস্থাপিকার প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা যখন মাজার ভাঙা হয় তখন সরকার কি করে? এমন প্রশ্ন রাখেন স্বতন্ত্র্য এই সংসদ সদস্য।

এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিএনপি মুখে উদারপন্থী দল হিসেবে বললেও ভেতরে ভয় পায়। উদার পন্থাপটও বাদ দিলাম। প্রতিটা নাগরিকের সেফটি সিকিউরিটি নিশ্চিত করার দায়িত্বটা তাদের নেওয়া উচিত ছিল।’

সংসদে বিরোধী দলকে পোষা বিরোধীদল হিসেবে অ্যাখ্যা দেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘আমি ছাড়া একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিও মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না কেন? কাদেরকে খুশি করতে চায় তারা।’

সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হারুন অর রশিদের জানাজা সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হারুন অর রশিদের জানাজা সম্পন্ন

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত জানাজায় জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসমাল আলমগীর, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী অংশ নেন।   

পরে মরহুমের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক। এরপর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে বিএনপির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি মহাসচিব। এ ছাড়া দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হারুন অর রশিদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের পাঁচবারের সংসদ সদস্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতিও ছিলেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। শনিবার বাদ জোহর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন করা হবে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। 
 

জনহিতকর কর্মসূচিতে কাটল ডা. জুবাইদার জন্মদিন

অনলাইন ডেস্ক
জনহিতকর কর্মসূচিতে কাটল ডা. জুবাইদার জন্মদিন

সম্পূর্ণ অনাড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে জনহিতকর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) তাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন পালন করেছে। নিজের জন্মদিনে কোনো রকমের শোডাউন না করার বিষয়ে আগে থেকেই তিনি কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। ফলে জেডআরএফ কর্তৃক রাজধানীতে গতকাল দিনব্যাপী অনাড়ম্বরপূর্ণ ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়।

মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মহিলা কলেজে এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচির আয়োজন করে জেডআরএফ। জনহিতকর কর্মসূচিগুলোর মধ্যে ছিল- দরিদ্র শিশুদের জন্য বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা প্রদান। তাদের মধ্যে বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ। মানবতার কল্যাণে দেশের দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ ও সহায়তামূলক কার্যক্রম। 

রাজধানীর টিঅ্যান্ডটি মহিলা কলেজ ছাড়াও মহাখালী ওয়্যারলেস গেট এলাকায়ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সকালের শুরুতেই ডা. জুবাইদা রহমানের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। অতঃপর নানা জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মহিলা কলেজ মিলনায়তনে কোরআন খতম, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনা মূল্যে  স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ওষুধ বিতরণ, পথশিশুদের মধ্যে খাবার পরিবেশন এবং কলেজ মাঠে গাছের চারা রোপণ করা হয়। জেডআরএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. জুবাইদা রহমান নিজের জন্মদিন উপলক্ষে সব ধরনের আড়ম্বরতা পরিহার করে জনহিতকর এবং দেশের ও মানুষের জন্য কল্যাণমূলক কাজকেই উৎসাহিত করেন। ঢাকায় আয়োজন করা হয় এক শিরোনামহীন সেমিনারের। কোনো রকমের ব্যানার কিংবা পোস্টার কিছুই ছিল না এতে। এমনকি অনুষ্ঠানে ছিলেন না কোনো সভাপতিও। 

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এমপি বলেছেন, ডা. জুবাইদা রহমান আপন মেধায় এবং মননে উদ্ভাসিত এক মহীয়সী নারী। তিনি জন্মদিনের আড়ম্বরতা বা জাঁকজমক আয়োজন সমর্থন করেন না। আজকের এই জন্মদিনেও সেটাই প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি প্রচার নয়, মানুষের কল্যাণ করাই বেশি পছন্দ করেন। 

মঈন খান বলেন, জুবাইদা রহমান মেধাবী প্রজন্ম তৈরিতে সব সময়ই জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণ এবং রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

পরে ড. আবদুল মঈন খান কলেজ মাঠে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে নিমগাছ রোপণ করেন। এ ছাড়া পথশিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। দুপুর ১২টার দিকে পবিত্র কোরআন তিলওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। তিলওয়াত করেন মহাখালী টিঅ্যান্ডটি কলোনি মাদরাসার শিক্ষার্থী হাফেজ নুরুল ইসলাম নাফিজ। এ সময় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, বিএনপির সহস্বাস্থ্যবিষয়ক সহসম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাঁকন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক কৃষিবিদ মাহবুবুল হক বাচ্চু, ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার উমাশা উমায়ুন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।  

এ ছাড়া যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) যুগ্ম মহাসচিব ডাক্তার ফারুক আহমেদ, ড্যাবের আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, ড্যাবের সহ প্রচার সম্পাদক ডা. ইকরামুল ইসলাম সৌরভ, ডা. মেহেদী হাসান, বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ শাখা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডা. তানজিম রুবায়েদ আফিফ, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্য সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান, ডা. তানজীন রুবাইয়াত আফিফ, ডা. মেহেদী হাসান শুভ, ডা. রাসেল হোসেন, ডা. ইকরামুল হাসান সৌরভ, ডা. রিয়াদ মোহাম্মদ, ডা. মাহিদুল হক মাহিন, ডা. জহুরুল ইসলাম, ডা. কাইয়ুম হোসেন লিফাত, ডা. জিহাদুল মোতালেব মার্শাল, ডা. রায়হান আমিন ফাহিম, ডা. শিবাত ইসলাম চৌধুরীসহ টিঅ্যান্ডটি মহিলা কলেজ ও বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করে এনসিপি নেতা আকরামকে হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করে এনসিপি নেতা আকরামকে হুমকি

সেনা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে একটি নম্বর থেকে ফোন করে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হুসাইনকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৩টার দিকে হুমকি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন এনসিপি নেতা আকরাম। তিনি ফেসবুক পোস্টে এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ব্রিগেডিয়ার রাশেদ পরিচয় দিয়ে একটি নম্বর থেকে ফোন করে তাকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কচুক্ষেত যেতে বলা হয়।

আকরাম বলেন, কচুক্ষেত তার কাছে না গেলে নাকি আমার সর্বনাশ করে ছাড়বে—এই বলে হুমকি দেয়। আমাকে বারবার কচুক্ষেত গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে বলে। পরে তাকে আইনগতভাবে আমি কচুক্ষেত যেতে বাধ্য না বললে গালাগাল করে ফোন কেটে দেয়।

আকরাম বলেন, আমি জানি না সে আসলে কে। আমার সঙ্গে ঘটা জিনিসটা পাবলিক করে রাখলাম। সত্যিই যদি সেনাবাহিনী এখনো রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা করে বা হস্তক্ষেপ করার চিন্তা করে, তাহলে তারা বড় ভুল চিন্তা নিয়ে আগাচ্ছে। আর কেউ সেনাবাহিনীর নামে এভাবে সাধারণ জনগণকে হুমকি দিলে সেটা আল্টিমেটলি সেনাবাহিনীর বদনাম হয়। তাদের উচিত এইসব প্রতারকদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

আকরাম হুসাইনের ওই পোস্টে মন্তব্যের ঘরে আরো কয়েকজন একই নম্বর থেকে ফোন পাওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তারা বলছেন, সম্ভবত কোনো প্রতারক চক্র সেনাবাহিনীর নাম ব্যবহার করে এটি করছে।

ঋণখেলাপিরা যাতে বিএনপির মনোনয়ন না পায়, চেষ্টা করব : ফখরুল | কালের কণ্ঠ