‘আওয়ামী দোসর’ আখ্যা দিয়ে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে জামায়াত ইসলামী। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার যে অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে, আমরা তার জন্য আন্তরিকভাবে গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।’
বহিরাগতদের উসকানিতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে তিনি বলেন, ধানমণ্ডি জোনের বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পর সেখানে উপস্থিত কিছু অতি-উৎসাহী ব্যক্তি ও বহিরাগতদের উসকানিতে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা কোনো উগ্র আচরণকে জামায়াতে ইসলামী কখনোই প্রশ্রয় দেয় না।
সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হওয়া সমর্থনযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বদা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর যেকোনো ধরনের চড়াও হওয়া বা সহিংসতা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
সংগঠনের কেউ জড়িত হলে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনার পেছনে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখতে দলের পক্ষ থেকে একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে। যদি আমাদের কোনো স্তরের কর্মীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ছাড়া অনাকাক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে জামায়াত সচেতন থাকবে এবং এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে ফাটল সৃষ্টি করতে না পারে এ জন্য সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এ সাংবাদিক হামলার ঘটনায় মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের ধানমন্ডি জোন পরিচালক ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক নুরুন্নবি মানিককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামীকালকের মধ্যে গঠিত কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।





