• ই-পেপার

নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপিরই পতন ঘটবে : তথ্যমন্ত্রী

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১
প্রতীকী ছবি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন থানা এলাকায় রাতভর এই অভিযান চালানো হয়।

তেজগাঁও বিভাগ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার তেজগাঁও, শেরেবাংলা নগর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শিল্পাঞ্চল ও হাতিরঝিল থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া আদাবর থানা পুলিশ ১১ জন, শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ৯ জন, হাতিরঝিল থানা পুলিশ ৯ জন, তেজগাঁও থানা পুলিশ ৫ জন এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ ১ জনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সমন্বয় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সমন্বয় সভা
ছবি: কালের কণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন ও নাগরিক সমস্যা সমাধানে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এলাকার রাস্তা, ড্রেন ও ফুটপাতের সংস্কার, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানি সরবরাহ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং অন্যান্য নাগরিক সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল হক, ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহমেদ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান প্রকৌশলী মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, মিরপুর সার্কেলের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির মহাব্যবস্থাপক (প্রকৌশল) রবিউল ইসলাম এবং ডেসকোর নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

জেলা-উপজেলায় নতুন কমিটি গঠন করা হবে : যুবদল

অনলাইন ডেস্ক
জেলা-উপজেলায় নতুন কমিটি গঠন করা হবে : যুবদল

জাতীয়তাবাদী যুবদলকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমন্বয়ে সাংগঠনিক টিম গঠন করে তৃণমূল পর্যায়ে কমিটি পুনর্গঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বুধবার রাজধানীর নয়া পল্টনের একটি হোটেলে সমসাময়িক রাজনীতি ও আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যুবদল সভাপতি এসব কথা বলেন।

মোনায়েম মুন্না বলেন, যুবসমাজকে সংগঠনের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে রক্তদান, ত্রাণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং দুর্যোগকবলিত মানুষের সহায়তায় বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংগঠনকে আরো কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। শৃঙ্খলা ও আদর্শ রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে যুবদল-সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশে তথ্য যাচাইয়ের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, অতীতের মতো অস্বীকার করার রাজনীতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসছি। কারা অপরাধে জড়িত তাদের খুঁজে বের করার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুল মোনায়েম মুন্না জানান, যুবদলের নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সংগঠনের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে যুবদলের ৭৮ জন নেতাকর্মী শহীদ এবং শত শত নেতাকর্মী আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। যার ক্ষত অনেকেই এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন।

তিনি জানান, সংগঠনটি সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী। বেআইনি, অনৈতিক ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এরই মধ্যে সারাদেশে প্রায় ৩০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও করা হয়েছে।

যুবদল সভাপতি জানান, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বেআইনি কর্মকাণ্ড চালাতে পারবে না। সংগঠনের সুনাম ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতেও কঠোর নীতি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

বিগত সময়ে যুবদলের সামাজিক কর্মকাণ্ড
বিগত সময়ে যুবদল বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের তথ্য তুলে ধরেন যুবদল সভাপতি। তিনি জানান, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ৭৮ পরিবারের মধ্যে আর্থিক সহায়তা ও সম্মাননা প্রদান, আন্দোলনে নিহত নেতাকর্মীদের পরিবারের জন্য এফডিআর ও নগদ সহায়তা, নদী-খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সেতু ও ব্রিজ নির্মাণ, কৃষকদের ধান কেটে ঘরে পৌঁছে দেওয়া, অসহায় ও রোগাক্রান্ত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা এবং গৃহহীন পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগঠনটি শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক সহায়তায়ও ভূমিকা রেখে আসছে।

পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার 
গত ৪ জুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর যুবদল দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছে বলে জানিয়েছে আব্দুল মোনায়েম মুন্না।

তিনি বলেন, এ সময়ে কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক জরুরি সভা, ঢাকা বিভাগীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি পালন করা হয়।

যুবদল সভাপতি বলেন, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অপপ্রচার ও পেশিশক্তিনির্ভর রাজনীতির বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক সপ্তাহ’ ঘোষণা করে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণ ও ঢাকা জেলা যুবদলের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিগুলোতে কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি অংশ নেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে দেশব্যাপী ১০ বিভাগে ৩১টি টিম গঠন করা হয়। পরে বিভাগীয় টিমগুলোর প্রতিবেদন পর্যালোচনায় ৫ ও ৬ জুলাই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সিনিয়র সহ সভাপতি রেজাউল করিম পল, যুগ্ম সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ।

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প-কারখানা বেসরকারীকরণের উদ্যোগ স্থগিতের দাবি বাসদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প-কারখানা বেসরকারীকরণের উদ্যোগ স্থগিতের দাবি বাসদের

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পকারখানা দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করার সরকারি উদ্যোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। দলটি এ উদ্যোগ অবিলম্বে স্থগিত করে প্রস্তাবিত ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সব তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার আওতাধীন ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান দেশি-বিদেশি বেসরকারি কম্পানির বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ গণবিরোধী। তাঁর ভাষায়, দেশের বিপুল রাষ্ট্রীয় সম্পদ নিলামে তোলার এ উদ্যোগ দেখে মনে হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ‘বানরের পিঠা ভাগের’ মতো ভাগ-বাটোয়ারার আয়োজন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, হাজার হাজার একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘বিদ্যমান শিল্পসম্পদে পুনঃবিনিয়োগ’, ‘পুনর্গঠন ও পুনঃউন্নয়ন’, ‘দীর্ঘমেয়াদি ইজারা’, ‘যৌথ উদ্যোগ’ ও ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এর মতো বিভিন্ন নামে বেসরকারি খাতের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, এর মাধ্যমে জনগণের মালিকানাধীন সম্পদের ওপর করপোরেট পুঁজির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে।

বাসদ সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, সরকার এ উদ্যোগকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কর্মসূচি হিসেবে উপস্থাপন করলেও বাস্তবে এটি বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরামর্শে অনুসৃত বেসরকারিকরণ নীতির ধারাবাহিকতা। রাষ্ট্রকে উৎপাদন ও শিল্প পরিচালনা থেকে সরিয়ে দিয়ে বেসরকারি পুঁজির পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার নীতিই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিকল্পিত অব্যবস্থাপনা, প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও আধুনিকায়নের অভাব এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না করার কারণে অনেক রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংকটে পড়েছে। সেই সংকটকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে সেগুলো বেসরকারি মালিকানায় তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ভূমি ও অবকাঠামো জনগণের সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জাতীয় সম্পদ। শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, আঞ্চলিক ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই সাময়িক আর্থিক লাভ বা বিনিয়োগ আকর্ষণের অজুহাতে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী।

তিনি অভিযোগ করেন, ৪৪টি শিল্পসম্পদ কী ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়েছে, সেগুলোর প্রকৃত মূল্যায়ন হয়েছে কি না, কী শর্তে ইজারা বা যৌথ বিনিয়োগ হবে এবং রাষ্ট্রের মালিকানা কতটুকু বজায় থাকবে, এসব বিষয়ে সরকার কোনো স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশ করেনি। জাতীয় সংসদ, শ্রমিক, বিশেষজ্ঞ ও জনগণকে পাশ কাটিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার পরিপন্থী।

বিবৃতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ স্থগিত, প্রস্তাবিত ৪৪টি প্রকল্পের তালিকা, মূল্যায়ন ও চুক্তির শর্ত প্রকাশ, শ্রমিক সংগঠন, অর্থনীতিবিদ ও শিল্প বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে জাতীয় সংলাপ আয়োজন এবং বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান আধুনিকায়ন করে পুনরায় চালুর জন্য সমন্বিত জাতীয় শিল্পনীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে জাতীয় সম্পদ, অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
 

নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপিরই পতন ঘটবে : তথ্যমন্ত্রী | কালের কণ্ঠ