• ই-পেপার

২ হত্যা মামলায় দীপু মনির জামিন নামঞ্জুর

মানবতাবিরোধী অপরাধ

দুই শিবির নেতাকে গুলির মামলায় বিচার শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
দুই শিবির নেতাকে গুলির মামলায় বিচার শুরু
সংগৃহীত ছবি

যশোরের চৌগাছায় গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে গুলির ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্যদিয়ে শুরু হয় এ মামলার বিচারকাজ। সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। পরে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য দেন ভুক্তভোগী চৌগাছা থানা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন। সাক্ষ্যে তিনি ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।

আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে গত ২০ এপ্রিল যশোরের তৎকালীন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ গঠনের আদেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

গ্রেপ্তার তিন আসামি হলেন, চৌগাছা থানার তৎকালীন এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হক। পলাতক আসামিরা হলেন সাবেক এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজেদুল।

এর আগে গত ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদনে শুনানি করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। তার চারদিন আগে অভিযোগ গঠনের আবেদন করে প্রসিকিউশন।

প্রসিসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনকে মিথ্যা মামলায় আটক করে পুলিশ। কিন্তু আদালতে না তুলে পরপর দুই রাত তাঁদের নির্যাতন করা হয়। এরপর বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে অধীনস্ত পুলিশ সদস্যদের দিয়ে দুজনের পায়ে গুলি করান তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান। পরে ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে অস্ত্র মামলায় চালান দেওয়া হয় তাদের। পরে অস্ত্র মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। ভুক্তভোগীদের পায়ে বালু ঢোকানোর কারণে পচন ধরে। পরবর্তীতে তাদের পা কেটে ফেলতে হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

বিএনপির সারোয়ার আলমগীরের ফল স্থগিতই থাকছে

হাইকোর্টকে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির সারোয়ার আলমগীরের ফল স্থগিতই থাকছে
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা সংক্রান্ত রুল দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনে তাঁর ভোটের ফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।  

সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিনের আপিল নিষ্পত্তি করে মঙ্গলবার (১৬ জুন) এই আদেশ দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

আদালতে নুরুল আমিনের আপিলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম। সঙ্গে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

পরে আইনজীবী আহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে পর্যস্ত সারোয়ার আলমগীরের ফল প্রকাশে যে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল, তা চলমান থাকবে।’

প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর রিটার্নিং কর্মকর্তা বিএনপি প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। শুনানির পর ১৮ জানুয়ারি ইসি আপিল মঞ্জুর করলে সারোয়ার আলমগীর প্রার্থিতা হারান। এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পরদিনই হাইকোর্টে রিট করেন সারোয়ার আলমগীর। শুনানির পর ২৭ জানুয়ারি রুলসহ আদেশ দেন। সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলে ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে তাঁকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে ইসিকে নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। 

রুলে আরো জানতে চাওয়া হয়, সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলে ইসির সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। এই আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন নুরুল আমিন; যা গত ৪ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুর করে আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আদেশে বলা হয়, সারোয়ার আলমগীর যদি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ (যতটুকু প্রার্থী হিসেবে তাঁর জন্য প্রযোজ্য) এ সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। গতকাল এই স্থগিতাদেশ চলমান রেখে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত।

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে মিছিলের প্রস্তুতি, রিমান্ডে ১৩ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে মিছিলের প্রস্তুতি, রিমান্ডে ১৩ জন

​রাজধানীর বনানী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ১৪ আসামির ১৩ জনকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। একই সঙ্গে মো. তাইমুর সাইফ নামে এক আসামিকে বয়স বিবেচনায় রিমান্ড না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। 

শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা আসামিদের রিমান্ডের আদেশ দেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। 

অন্যদিকে আসামিপক্ষের ভিন্ন ভিন্ন আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করে আদালতকে বলেন, আসামিরা ঘটনার দিন বিশ্বকাপ খেলা দেখছিল; রাজনীতিতে বা কোনো সংগঠনে তাদের কোনো পদ-পদবী নেই। সুতরাং তাদের রিমান্ডের কোনো যৌক্তিকতা নেই। 

​রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মোতাহের হোসেন শুভ (৩০), মারুফুল ইসলাম (২৪), তানভীর আহম্মেদ সানী (২৪), ওয়ালিউল্লাহ ফারুক আদর (১৮), মো. সামির চৌধুরী লিমন (১৮), মো. ইমন আলী খান (১৯),  (১৮), মো. ইয়াছিন আরাফাত আবির (২১), মো. সিফাত রহমান (১৯), ইয়ামিন আরাফাত নিহাদ (২০), মো. নাজমুল সরকার (১৯), মো. আবির হোসেন (২১), তৌকির তারেক আয়াজ (২২) এবং মো. হাবিবুর রহমান (৪৭)।

​মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত মাসের ১৬ তারিখ তারিখ ভোর ৪টা ১০ মিনিটে কতিপয় আসামিরা বনানী থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের (আউটগোয়িং) নেভি হেডকোয়ার্টার্সের বিপরীত পাশে পাকা রাস্তার ওপর বেআইনিভাবে জড়ো হন। এ সময় একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় হওয়া মামলার প্রেক্ষিতে উক্ত আসামিদেরকে গত ১৩ জুন গ্রেপ্তার করে।

অভিযোগে বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃতরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। তারা ওই স্থানে অবস্থান নিয়ে সংগঠনের নেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসকে সামনে রেখে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। একই সঙ্গে তারা পরস্পর যোগসাজশে ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনার মাধ্যমে সরকারি ও জনসাধারণের সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে বর্তমান সরকারকে উৎখাত বা পতন ঘটানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারবিরোধী স্লোগান সংবলিত লিফলেট ও পোস্টার বিতরণ করছিলেন। 

অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের কাছ থেকে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস সংক্রান্ত লেখা ও নেতাকর্মীদের ছবি সংবলিত ২৪টি পিভিসি পোস্টার, একটি টিভিএস আরটিআর মোটরসাইকেল এবং মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেছেন। মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, অর্থ জোগানদাতা ও ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্তকরণ এবং পলাতক ১০/১৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামিকে গ্রেপ্তারের স্বার্থে আসামিদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।
 

চিকিৎসক দিপ্রার মৃত্যু

ইয়ার্কি সম্পাদক সিমুসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইয়ার্কি সম্পাদক সিমুসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে সিআইডি
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে চিকিৎসক ডা. নাফিসা তাবাসসুম দিপ্রার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। এতে অবহেলাজনিত মৃত্যু, নির্যাতন এবং পোস্টমর্টেম ছাড়াই দাফনের মাধ্যমে আলামত গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলার আবেদন করেন দিপ্রার স্বজন মো. মশিউর রহমান শাহ। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন, দিপ্রার শাশুড়ি সিদ্দিকা সুলতানা, স্বামী ডা. রহমত রশীদ, শ্বশুর ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ (ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান) এবং ইয়ার্কি ডট কমের সম্পাদক সিমু নাসের। বাদীপক্ষের আইনজীবী ফরহাদ হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার আবেদনে বলা হয়, সহপাঠী ডা. রহমত রশীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের পর ডা. নাফিসা তাবাসসুম দিপ্রা তাকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে দুই বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে পারিবারিকভাবে দিপ্রাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে তিনি তীব্র বিষন্নতায় আক্রান্ত হন। সন্তান জন্মদানের পর পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন বলেও আবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মামলার আবেদনে আরো বলা হয়, চিকিৎসক হওয়ার পরেও আসামিরা দিপ্রার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যায় অবহেলা করেন। পাশাপাশি এফসিপিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়। মৃত্যুর আগে ‘Female Doctors in Bangladesh’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপে পারিবারিক নির্যাতনের বিষয়ে দিপ্রা একটি পোস্ট করেন বলেও মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুন থেকে টানা তিন দিন ডা. দিপ্রাকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় তাকে খাবার দেওয়া হয়নি এবং দুই বছর বয়সী সন্তানকেও দেখতে দেওয়া হয়নি। ৪ জুন খবর পেয়ে তার মা ধানমণ্ডির বসতী গ্রীন আবাসনের একটি ফ্ল্যাটে যান। সেখানে মেয়েকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখে তালা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে কক্ষ থেকে বের হয়ে ডা. দিপ্রা তার মাকে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘মা, আমি ভাত খাব।’ এরপরই তিনি মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন বলে আবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মামলার আবেদনে আরো অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে দ্রুত কাছের কোনো হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। বরং বিলম্বের পর বারডেম হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রভাব খাটিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই একটি ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা হয় এবং দ্রুত দাফন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ফরহাদ হোসাইন বলেন, ‘আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় এবং মৃতের বাবা-মা ধর্মভীরু ও অসহায় হওয়ায় শুরুতে আইনি পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব হয়েছে। তিনি জানান, আদালতের কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আবেদন করা হয়েছে।’