• ই-পেপার

স্ত্রীসহ সাবেক মেয়র তাপসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

মানবতাবিরোধী অপরাধ

নানক-তাপসের বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৪ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নানক-তাপসের বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৪ জুন
জাহাঙ্গীর কবির নানক ও শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি : সংগৃহীত।

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়েছে।

আজ সোমবার বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলার প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্যদিয়ে বিচার শুরু হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৪ জুন দিন ধার্য করেন। আদালতে সূচনা বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। অভিযোগ থেকে আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে গত ১০ মে এ মামলার ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত ২৬ এপ্রিল মামলার অভিযোগ গঠনের ওপর প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষ হয়। এ মামলায় পলাতক আসামিদের পক্ষে লড়ছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন, আবুল হাসান। আর গ্রেপ্তার আসামিদের পক্ষে আছেন আইনজীবী সিফাত হাসান, গাজী ফয়সাল ও মো. আসাদুজ্জামান।

মামলার ২৮ আসামির মধ্যে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়েছে। তারা হলেন ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি। গতকাল কারাগার থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

নানক-তাপস ছাড়া পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরো অনেকে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ।

আজ সোমবার এই রিট করা হয় জানিয়ে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘আগামী রবিবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটির শুনানি হবে।” আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানিয়েছেন, এই রিটের সঙ্গে আদ্দ্বী-ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো সম্পর্ক নেই।

এর আগে ৬ নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর দায়ে গত ১১ জুন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে সরকার। হাসপাতালটির নির্বাহী পরিচালক ও স্বত্বাধিকারী ডা. শেখ মহিউদ্দিনকে সম্বোধন করে লাইসেন্স বাতিলের চিঠিতে বলা হয়, গত ২৭ মে ৬ নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পাঠানো জবাব ও ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় ১৯৮২ সালের দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেজুলেশন) অর্ডিনেন্স-এর ১১(২) (খ) ধারা অনুযায়ী  আপনার হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।

অধ্যাদেশের ১২ ধারা অনুসারে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরকারের কাছে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবে বলে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। এই চিঠি চ্যালেঞ্জ করেই আজ রিট করেন আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ।

মানবতাবিরোধী অপরাধ

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির মামলার রায় ২৮ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির মামলার রায় ২৮ জুন
সংগৃহীত ছবি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় নির্মীয়মাণ ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি এবং আরো দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ২৮ জুন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ সোমবার রায়ের এ দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ মামলার আসামি ৫ জন। এর মধ্যে পলাতক ৪ জন হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মশিউর রহমান ও সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়েছে, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে। আজ তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এদিন এ মামলায় দ্বিতীয় দফায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে প্রিসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। এ ঘটনায় চঞ্চল সরকারের মক্কেলের সম্পৃক্ততা নেই উল্লেখ করে মামলার অভিযোগ থেকে তাঁর অব্যাহতি চান তিনি। তবে পাঁচ আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি চান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

এর আগে গত ১০ জুন পুনরায় সাফাই সাক্ষ্য দেন চঞ্চল চন্দ্র সরকার। পুনর্সাক্ষ্যে এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখানো ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগ আনেন তিনি। চলতি বছর ১৩ জানুয়ারি প্রথম সাক্ষ্য দিয়েছিলেন এই আসামি।

উল্লেখ্য, আসামিদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি; শিশু বাসিত খান মুসার (৭) মাথা ভেদ করে ওর দাদি মায়া ইসলামের মৃত্যু এবং মো. নাদিম নামের আরো এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ৪ মার্চ এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছিল। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন রায় ঘোষণা করা হয়নি।

এমন কোনো কুকীর্তি নেই, যেটা বেনজীর আহমেদ করেননি : চিফ প্রসিকিউটর

মানবতাবিরোধী অপরাধের ১০টি মামলার তদন্ত চলমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
এমন কোনো কুকীর্তি নেই, যেটা বেনজীর আহমেদ করেননি : চিফ প্রসিকিউটর
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ১০টি মামলার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

আজ সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য দেন। সেই সঙ্গে বলেছেন, এক যুগ আগে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অন্যতম কুশীলব ছিলেন বেনজীর আহমেদ। শুধু তা-ই নয়, আট বছর আগে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বেনজীরের সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও দাবি করেন চিফ প্রসিকিউটর।

২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কথিত বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন একরামুল হক। ঘটনার কিছু সময় আগে মেয়ের সঙ্গে একরামুলের কথোপকথনের একটি ফোনকল রেকর্ড কথিত বন্দুকযুদ্ধ বা হত্যাকাণ্ডের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশ্ন ওঠে বিভিন্ন অভিযানের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে। সে সময় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) ছিলেন বেনজীর আহমেদ। ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তাঁকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) করা হয়।     

২০১৩ সালে বেনজীর আহমেদ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার ছিলেন। ওই বছর ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে ঘিরে যে অভিযান চালানো হয়েছিল, সেই অভিযানে বেনজীরের ভূমিকা তুলে ধরে ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘তিনি শুধু শাপলা চত্বরের মাস্টারমাইন্ড না, তার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আমাদের এখানে প্রায় ১০টির মতো মামলা আমরা ইনভেস্টিগেশন করে যাচ্ছি এবং প্রত্যেকটার সঙ্গে তার সরাসরি কানেকশন আছে। তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারে একরামুল কমিশনারের যে হত্যাকাণ্ড, তার সঙ্গে তার (বেনজীরের) সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল। সে মামলাও তিনি আছেন (আসামি হিসেবে)।’

চিফ প্রসিকিউটরের মতে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে হেন কোনো দুষ্কর্ম নেই, যেটা বেনজীর তার কর্মজীবনে করেননি। আওয়ামী লীগ বা পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের দিকে ইঙ্গিত করে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শেষ সময়ে (গণ-অভ্যুত্থানে পতনের আগে) তাদেরই অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তাদের কোনো কুশীলব তার (বেনজীরের) কুকীর্তি প্রকাশ করে দেন।’ এ সময় চিফ প্রসিকিউটর ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ কালের কণ্ঠে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ‘বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ’ থেকে কিছু অংশ পড়ে শোনান সাংবাদিকদের।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এই প্রতিবেদনের পর সবাই প্রথমবরের মতো জানতে পারে যে বেনজীর কত সম্পদের মালিক! কত ফ্ল্যাট, কত জায়গা, কত জমি আছে তার স্ত্রীর নামে, তার সন্তানদের নামে। তার বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকার সন্ধান পাওয়া যায় দেশে, বিদেশে। এমন কোনো কুকীর্তি নেই, যেটা বেনজীর আহমেদ করেননি।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘তিনি পুলিশ কমিশনার হিসেবে অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তিনি র‌্যাবের প্রধান হিসেবে অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তিনি যখন পুলিশের প্রধান ছিলেন, আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, অসংখ্য অপরাধের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে যে কয়টি বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে, প্রত্যেকটি নির্বাচনে তার বিতর্কিত ভূমিকা ছিল। এই দেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ করবার জন্য, হাজার হাজার মানুষকে বিনা বিচারে হত্যা করার দায়সহ অসংখ্য দায় তার বিরুদ্ধে।’

বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁকে ট্রাইব্যুনালেও হাজির করা হবে। আর তদন্তাধীন মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হবে জানান আমিনুল ইসলাম।

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বেনজীরকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আমাদের কোনো এক্সট্রাডিশন ট্রিটি (প্রত্যর্পণ চুক্তি) না। কিন্তু আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে। ইতোমধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যে কয়টি ওয়ারেন্ট আছে সেগুলো দিয়ে সরকার ইতোমধ্যে ইউএই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) সরকারের কাছে আবেদন করেছে তাঁকে ফেরত দেওয়ার জন্যে।’

আলোচিত-বিতর্কিত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে গত রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করে দেশটির পুলিশ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা একটি মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায়, পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র। এর আগে গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি থেকে পাঠানো একটি ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায়। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন। 

স্ত্রীসহ সাবেক মেয়র তাপসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা | কালের কণ্ঠ