• ই-পেপার

হবিগঞ্জে থানা পোড়ানো সেই মাহাদী আশ্রয় নিলেন থানাতেই

প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত-নৃত্যকলাসহ চার বিষয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত-নৃত্যকলাসহ চার বিষয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা এবং চারু ও কারুকলা। ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবই যুক্ত হবে। ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামের আওতায় বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত করা হবে।

গতকাল বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মন্ত্রণালয়ে এক সভায় এ তথ্য জানান। সভায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে তারা একদিকে বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে বিকশিত হতে পারে, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করবে। এটি শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা, যা শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে এই খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করতে সরকার কাজ করছে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষকতা সম্পর্কিত প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ সংযুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ সালে চালু হতে যাওয়া শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবইয়ের চারটি অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা ও নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামের মাধ্যমে বিষয়গুলোকে প্রাথমিক শিক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশ হিসেবে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এনসিটি ইজারা নিয়ে ফের উত্তপ্ত চট্টগ্রাম

প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
এনসিটি ইজারা নিয়ে ফের উত্তপ্ত চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটরের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে আবারও চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সরকারের আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ চাউর হওয়ায় ফের রাজপথে নেমেছেন বন্দর ব্যবহারকারী ও সাধারণ শ্রমিক-কর্মচারীরা। এনসিটি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে গতকাল বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) চট্টগ্রাম জেলা শাখা।

জানা গেছে, গত ৪ জুন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন-১ অধিশাখা থেকে জারি করা দুটি চিঠির তথ্য প্রকাশ পেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। একই তারিখ ও একই স্মারক নম্বরে জারি করা চিঠি দুটির দুই ধরনের ও পরস্পরবিরোধী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথম চিঠিতে বলা হয়, ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চলমান নেগোসিয়েশন এগিয়ে নিতে হবে, অন্যথায় প্রতিষ্ঠানটির কোনো আগ্রহ না থাকলে পুরো প্রক্রিয়া বাতিল করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই স্মারক নম্বরের অন্য চিঠিতে বলা হয়, নৌপরিবহনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখার সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হলো। একই বিষয়ে একই সময়ে দুটি ভিন্ন ও বিপরীতধর্মী নির্দেশনা আসার পর বন্দর প্রশাসন ও বিভিন্ন মহলে কৌতূহল ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রশ্ন তুলছেন, এনসিটি পরিচালনা নিয়ে সরকারের প্রকৃত ও চূড়ান্ত অবস্থান আসলে কোনটি?

ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিষয়টি সামনে আসায় প্রতিবাদে গতকাল সকালে স্কপ চট্টগ্রামের উদ্যোগে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে শ্রমিক নেতাদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে স্কপের শীর্ষ নেতারা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি পেশ করেন।

স্কপ চট্টগ্রামের যুগ্ম সমন্বয়কারী এস কে খোদা তোতনের সভাপতিত্বে ও অন্য যুগ্ম সমন্বয়কারী ইফতেখার কামাল খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সভাপতি খোরশেদ আলম, বিএফটিইউসির সাধারণ সম্পাদক কে এম শহিদুল্লাহ, বিএলএফের সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের হেলাল উদ্দিন কবির, ডক শ্রমিকদলের সভাপতি মো. হারুন ও সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিমসহ স্থানীয় ডক ও জেটি শ্রমিক নেতারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এনসিটির মতো একটি স্পর্শকাতর ও জাতীয় রাজস্বের প্রধান উৎসকে কোনো প্রকার প্রকাশ্য প্রতিযোগিতা ছাড়াই সরাসরি বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়া দেশের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। কোনো অবস্থাতেই দেশের প্রধান অর্থনৈতিক গেটওয়েকে বিদেশি করপোরেট শক্তির পকেটে ঢুকতে দিতে দেওয়া হবে না। বক্তারা অনতিবিলম্বে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে গোপনে ও প্রকাশ্যে চলমান আলোচনা স্থগিত করে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় টার্মিনালটি পরিচালনার দাবি জানান।

 

জামালপুর সীমান্তে পুশ ইনের চেষ্টা, শূন্য রেখায় আটকা বৃদ্ধ

জামালপুর প্রতিনিধি
জামালপুর সীমান্তে পুশ ইনের চেষ্টা, শূন্য রেখায় আটকা বৃদ্ধ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে গতকাল এক ব্যক্তিকে পুশ ইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ, বাধা দেয় বিজিবি। গতকাল সকালে উপজেলার ধানুয়াকামালপুর সীমান্তে। ছবি : কালের কণ্ঠ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কয়েকজনকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) চেষ্টা করেছে। তার মধ্যে শূন্যরেখায় এক বৃদ্ধ আটকা পড়েছেন। বুধবার ভোর ৫টার দিকে উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছ দিয়ে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়। এ নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে কোনো সমঝোতা হয়নি।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে সীমান্ত এলাকায় আলো নিভিয়ে কয়েকজনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিলে অন্যরা সরে গেলেও একজন বৃদ্ধ আটকা পড়েন। পরে ওই বৃদ্ধ ভারতে ফিরে যেতে চাইলে বিএসএফ সদস্যরা তাঁকে বাধা দেন। বাংলাদেশেও তাঁকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এতে তিনি দুই দেশের মাঝামাঝি শূন্যরেখায় আটকা পড়েছেন।

এদিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের সময়ে বিএসএফের এক সদস্য গুলি করার হুমকি দেন। পরে বিজিবির সদস্যরা হুমকির জবাব দিয়ে বলেন, আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব, আমাদের কি গুলি নাই? কেন গুলি করতে চাইলেন?

জামালপুর ব্যাটালিয়নের (৩৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, সীমান্ত দিয়ে এক বৃদ্ধকে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে তাঁকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সীমান্তে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

 

মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার, জিডিপি ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪.১৪%

নিজস্ব প্রতিবেদক
মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার, জিডিপি ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

২০২৫-২৬ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি এবং মাথাপিছু আয়দুই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচকেই ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে। একই সঙ্গে অর্থনীতির সামগ্রিক আকারও বেড়েছে।

তবে এই ইতিবাচক প্রবণতার বিপরীতে বিনিয়োগ, দেশজ সঞ্চয় ও জাতীয় সঞ্চয়ের হার কমেছে এবং শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতি লক্ষ করা গেছে।

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জিডিপির সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪.১৪ শতাংশে। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৪৯ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ০.৬৫ শতাংশীয় পয়েন্ট।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৬৮ হাজার ৮৭৩ টাকা বা তিন হাজার ২০ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল তিন লাখ ৩৪ হাজার ৫১১ টাকা বা দুই হাজার ৭৬৯ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৩৪ হাজার ৩৬২ টাকা বা ২৫১ ডলার।

চলতি মূল্যে দেশের জিডিপির আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ লাখ ২০ হাজার ২০৯ কোটি টাকা, যা প্রায় ৫০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। আগের অর্থবছরে জিডিপির আকার ছিল ৫৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা বা ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার। ফলে দেশের অর্থনীতির আকারে উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটেছে।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, কৃষি ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২.৭৮ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২.৪২ শতাংশ। অন্যদিকে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৫৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ৪.৩৫ শতাংশ।

তবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, এই খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২.৮৬ শতাংশে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩.৭১ শতাংশ।

তবে অর্থনীতির এই ইতিবাচক অগ্রগতির পাশাপাশি কিছু উদ্বেগজনক দিকও রয়েছে। জিডিপির সঙ্গে মোট বিনিয়োগের অনুপাত কমে ২৭.৯৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২৮.৫৪ শতাংশ। একইভাবে দেশজ সঞ্চয়ের হার ২১.৯৮ শতাংশ থেকে কমে ২১.৩৮ শতাংশে এবং জাতীয় সঞ্চয়ের হার ২৭. ৬৭ শতাংশ থেকে কমে ২৬.৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিবিএস বলছে, চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশের সময় কিছু সূচকে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে সামগ্রিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, কৃষি ও সেবা খাতের সহায়তায় দেশের অর্থনীতি কিছুটা গতি ফিরে পেলেও বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের নিম্নমুখী প্রবণতা এবং শিল্প খাতের দুর্বলতা এখনো অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।