• ই-পেপার

বিসিএস বিশেষ আয়োজন : ৫

গণিতের জন্য বারবার চর্চা

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

পিএসসির অধীনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পদের নিয়োগ পরীক্ষা হবে ১৪ জুন ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নবম গ্রেডের জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর (ইলেকট্রিক্যাল), সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা (দশম গ্রেড) এবং সামুদ্রিক মৎস্য শাখার পরিদর্শক (দশম গ্রেড) পদের লিখিত পরীক্ষা হবে ১৪ জুন ২০২৬। পরীক্ষা চলবে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। পরীক্ষার কেন্দ্র—পিএসসির মাল্টিপারপাস হল ও শেরেবাংলানগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। পিএসসির ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) ও আবেদনসংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট

(http://bpsc.teletalk.com.bd) থেকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ডাউনলোড করা যাবে।

 

দরকারি তথ্য

♦ লিখিত পরীক্ষায় বাংলায় ৪০, ইংরেজিতে ৪০, সাধারণ জ্ঞানে ৪০ এবং প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল বিষয়ে (ইলেকট্রিক্যাল/প্রাণিবিদ্যা) ৮০ নম্বর অর্থাৎ মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য ভিন্ন ভিন্ন উত্তরপত্র ব্যবহার করতে হবে।

♦ যেসব প্রার্থী সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ও সামুদ্রিক মৎস্য শাখার পরিদর্শক—উভয় পদেই আবেদন করেছেন, তাঁরা যেকোনো একটি পদের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। পরীক্ষার দিন শুধু সেই পদের প্রবেশপত্র সঙ্গে আনতে হবে।

♦ যেসব প্রতিবন্ধী প্রার্থী পরীক্ষার জন্য শ্রুতিলেখক চান, তাঁদের ৪ জুনের মধ্যে অফিস চলাকালীন পিএসসির ইউনিট-৮-এর পরিচালক বরাবর আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

♦ পরীক্ষা শুরুর অন্তত ১৫ মিনিট আগে নির্ধারিত আসনে বসতে হবে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১৫ মিনিট পর কোনো প্রার্থীকে পরীক্ষার কক্ষে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

♦ পরীক্ষাকেন্দ্রে বই, ব্যাগ, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস আনা যাবে না। সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। তবে সাধারণ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।

 

♦ চাকরি আছে ডেস্ক

 

 

ভাইভা অভিজ্ঞতা

সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তার কী কী গুণ থাকা উচিত?

খুলনা মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনা করেছেন ডা. সৌমিত্র রায়। তিনি ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে অষ্টম হয়েছেন। তাঁর ভাইভা অভিজ্ঞতা শুনেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তার কী কী গুণ থাকা উচিত?
ডা. সৌমিত্র রায়

আমার বিসিএস ক্যাডার পছন্দক্রমে প্রথমেই ছিল প্রশাসন। ভাইভা বোর্ডে ছিলাম ১০ মিনিটের মতো।
চেয়ারম্যান : আপনি কোথায় পড়াশোনা করেছেন?

স্যার, খুলনা মেডিক্যাল কলেজে।

আপনিও ডাক্তার! আগের জন কি আপনার ব্যাচমেট?

জি স্যার।

আপনি কোথায় চাকরি করছেন?

একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে প্যাথলজির লেকচারার হিসেবে আছি।

৪৪ ও ৪৮তম বিসিএসে আপনার ফল কী ছিল?

স্যার, আমি ৪৪তম আর ৪৮তম দুটি বিসিএসেই স্বাস্থ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত। ৪৮তম বিসিএসে আপনার বোর্ডেই ভাইভা দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।

প্রথম পছন্দ কী?

স্যার, বিসিএস প্রশাসন।

(একটু হেসে) আমাকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে এই ক্যাডারে আসতে চাচ্ছেন নাকি?

স্যার, আপনারাই আমার অনুপ্রেরণা। আমি যখন থেকে বিসিএস দেব ঠিক করেছি, তখন থেকেই আমার অ্যাডমিন ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন। ৪৫তম বিসিএসে আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।

একজন সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা হিসেবে আপনার কী কী গুণ থাকা উচিত?

ধন্যবাদ, স্যার। একজন সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা হিসেবে আমি মূলত পাঁচটি প্রধান গুণকে প্রাধান্য দেব—

​১. কার্যকর নেতৃত্ব : মাঠ পর্যায়ে একটি বড় টিমকে কার্যকর করতে এবং উৎসাহ জোগাতে সামনে থেকে দিকনির্দেশনা।

২. সততা ও নৈতিকতা : যেকোনো প্রলোভন বা চাপের মুখে নিজের নৈতিকতায় অবিচল থেকে সরকারি আমানত রক্ষা।

৩. জনসেবার মানসিকতা : নিজেকে জনগণের শাসক নয়, বরং সেবক মনে করা এবং সাধারণ মানুষের সমস্যার প্রতি সংবেদনশীল থাকার চেষ্টা।

৪. সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা : জটিল বা জরুরি পরিস্থিতিতে আইন ও যুক্তির ভিত্তিতে দ্রুত এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস।

৫. পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা : ব্যক্তিগত আবেগ বা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে রাষ্ট্রীয় আইন ও বিধি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন।

আপনি বললেন লিডারশিপের কথা। আপনি কি আপনার মেডিক্যাল লাইফে কোনো লিডারশিপে জড়িত ছিলেন? কোনো ক্লাবের সদস্য ছিলেন?

স্যার, আমি সন্ধানীর সক্রিয় সদস্য ছিলাম।

ব্লাড ডোনেট করেছেন?

জি স্যার, আমি ১০ বারের মতো ব্লাড ডোনেট করেছি।

গাজা (ফিলিস্তিন) শান্তিচুক্তিতে কয়টি দফা আছে?

স্যার, ২০টি।

কী কী গ্রিনহাউস গ্যাস আছে?

গ্রিনহাউস গ্যাস হলো বায়ুমণ্ডলের সেসব গ্যাস, যা পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণ রাখে। এর মধ্যে প্রধান হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, ওজোন এবং বিভিন্ন ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি)।

 

এক্সটার্নাল-১ : ধরুন, একজন কর্মকর্তা হিসেবে আপনি জানতে পারলেন অফিসের একজন ঘুষ খায় এবং একজন দেরি করে আসে। আপনি কী ব্যবস্থা নেবেন?

একজন সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা হিসেবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে আমাকে নীতিগতভাবে কঠোর কিন্তু পদ্ধতিগতভাবে কৌশলী হতে হবে। আমি দুটি সমস্যাকে ভিন্নভাবে সমাধান করব—

​এক. ঘুষ বা দুর্নীতির ক্ষেত্রে—দুর্নীতির বিষয়ে আমি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করব। যেহেতু এটি একটি গুরুতর অপরাধ ও অসদাচরণ, তাই আমি সরাসরি অ্যাকশনে যাব। প্রথমে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ (যেমন—দালিলিক প্রমাণ বা ভুক্তভোগীর সাক্ষ্য) সংগ্রহ করব। প্রমাণ পাওয়ার পর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার প্রক্রিয়া শুরু করব। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি লিখিতভাবে জানাব। দুর্নীতি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। তাই এখানে আপস করব না।

​দুই. দেরিতে আসা মূলত শৃঙ্খলাজনিত সমস্যা। এ ক্ষেত্রে আমার প্রথম পদক্ষেপ হবে কাউন্সেলিং। আমি তাকে ডেকে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলব, দেরিতে আসার কারণ জানার চেষ্টা করব। যদি কোনো যৌক্তিক পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সমস্যা থাকে, তবে তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ছাড় দিয়ে মূলধারায় ফেরার সুযোগ দেব। তবে সতর্ক করার পরও যদি অভ্যাসের পরিবর্তন না হয়, তবে অফিসের হাজিরা খাতায় ‘লাল কালি’ দেওয়া বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার মতো দাপ্তরিক পদক্ষেপ নেব।

 

এক্সটার্নাল-২ : Why Communication skill is important in cadre service?

In cadre service, communication skill is indispensable as it acts as the vital bridge between government policies and the general public. A cadre officer must possess the ability to simplify complex legal or administrative orders for citizens, ensuring transparency and building public trust. Furthermore, during crises or emergencies, precise and authoritative communication is essential for maintaining law and order and coordinating between various departments.

In which article of constitution duty of a civil service officer is written?

21.

Can you describe?

(আমি ২১ নম্বর অনুচ্ছেদটি ইংরেজিতে বললাম। এরপর স্যার আমাকে কাগজ নিয়ে চলে যেতে বললেন। ৪৮তম বিসিএসেও এই স্যারের বোর্ডে ভাইভা দিয়েছিলাম। স্যার খুব হাসিখুশি ও বন্ধুসুলভ। তিনি সাধারণত কম সময়েই ভাইভা শেষ করেন।)

 

২৪২ কর্মী নেবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর

২৪২ কর্মী নেবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর

সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (পূর্বপদ—ক্রেডিট সুপারভাইজার) পদে ২৪২ জন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। রাজস্ব খাতভুক্ত পদটি ১১তম গ্রেডের। আবেদন করতে হবে অনলাইনে ২৪ মে সকাল ৯টা থেকে ২৩ জুন ২০২৬ বিকেল ৪টার মধ্যে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের গত ১৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের ৩৪.০১.০০০০.০০৫.১১.০৯৪.২৩ (অংশ)-২৭৬৭ সংখ্যক স্মারকে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের আগের আবেদন কার্যকর থাকবে। তাই পুনরায় আবেদনের প্রয়োজন নেই।’

 

আবেদনের যোগ্যতা ও বেতন

কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। বেতন স্কেল ও গ্রেড : ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা (গ্রেড ১১)। বয়স : ২৩ জুন ২০২৬ অনুযায়ী প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছর হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।

♦ সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার সময় অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনাপত্তিপত্র দাখিল করতে হবে। চাকরিরত প্রার্থীদের বয়স শিথিলযোগ্য নয়।

♦ নিয়োগের জন্য প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বিবেচিত হবেন।

♦ আবেদন শুধু অনলাইনে করা যাবে। সরাসরি কিংবা ডাকযোগে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

♦ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার সময় সব সনদ/ অনাপত্তিপত্র/ কাগজপত্রাদির মূল কপি দেখিয়ে প্রতিটির একটি করে সত্যায়িত ফটোকপি দাখিল করতে হবে।

মৌখিক পরীক্ষায় যেসব কাগজপত্র লাগবে

♦ শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মূল/সাময়িক সনদপত্র।

♦ সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষার সময় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনাপত্তিপত্র।

♦ স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পৌরসভার মেয়র/কাউন্সিলর/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্র।

♦ জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ।

♦ প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক (নামযুক্ত সিলসহ) প্রদত্ত চারিত্রিক সনদপত্র।

♦ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনকারী (বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণের সন্তান/বীরাঙ্গনার সন্তান) প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সরকারের সর্বশেষ নীতিমালা অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র।

♦ শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র।

♦ তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সিভিল সার্জন কর্তৃক প্রদত্ত সনদের সত্যায়িত কপি।

♦ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র।

 

দরকারি তথ্য

♦ বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন কারো সঙ্গে বিবাহিত বা বিবাহ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কেউ আবেদন করার যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

♦ সত্যায়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই সত্যায়নকারী প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হতে হবে এবং কর্মকর্তার সুস্পষ্ট নাম, পদবিসহ সিল থাকতে হবে।

♦ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের কোনো টিএ-ডিএ দেওয়া হবে না ।

♦ অসত্য/ত্রুটপূর্ণ/অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র বাতিল করা হবে। আবেদনপত্রে প্রার্থী কর্তৃক প্রদত্ত কোনো তথ্য যেকোনো পর্যায়ে অসত্য/ত্রুটিপূর্ণ/অসম্পূর্ণ/ভুয়া/জাল/মিথ্যা প্রমাণিত হলে কিংবা পরীক্ষায় নকল করা বা অসদুপায় অবলম্বন করলে দরখাস্ত/নির্বাচন/নিয়োগ সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও আবেদনের লিংক—

www.dyd.gov.bd, http://dyd.teletalk.com.bd

 

♦ চাকরি আছে ডেস্ক

 

 

জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন

৯৬৮ পদে চাকরির সুযোগ

৯৬৮ পদে চাকরির সুযোগ
ছবি : সংগৃহীত

রাজস্ব খাতভুক্ত বিভিন্ন পদে ৯৬৮ কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়। পদগুলো ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের। পদভেদে যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি (জেএসসি) থেকে স্নাতক বা সমমানের পরীক্ষায় পাস। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের জেলা জজ ও অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন করতে হবে অনলাইনে ৪ জুন বিকেল ৫টার মধ্যে। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে অফিস সহায়ক (২৯৯টি), সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (১৭৩টি) ও জারিকারক (১৩০টি) পদে। জারিকারক (গ্রেড ১৯) ও অফিস সহায়ক (গ্রেড ১৯) পদ দুটিতে ন্যূনতম যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে এসএসসি বা সমমান। তাই পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মান একই রকমের হতে পারে। এই দুই পদে এসএসসি পর্যায়ের বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও বিষয়বস্তু পড়লেই পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি হয়ে যাবে। আর সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটরে (গ্রেড ১৪) আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা স্নাতক বা সমমান। এই পদে প্রস্তুতি নিতে হবে এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক পর্যায়ের বই থেকে। 

 

জারিকারক ও অফিস সহায়ক পদের প্রস্তুতি

বাংলা : বাংলা ব্যাকরণ, বানান শুদ্ধ, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, এককথায় প্রকাশ, বাগধারা, সন্ধি, সমাস, কারক ও বিভক্তি, বাক্য সংশোধন, শুদ্ধ-অশুদ্ধ, প্রবাদ-প্রবচন, সাহিত্যিক এবং তাঁদের রচনা।

ইংরেজি : Parts of Speech, Tense, Voice Change, Narration, Right Form of Verb, Preposition, Article, Synonym, Antonym, Spelling, Sentence Correction, Translation, Vocabulary, Idioms and Phrases.

গণিত : যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগ, ভগ্নাংশ, শতকরা, লাভ-ক্ষতি, সুদকষা, অনুপাত-সমানুপাত, গড়, বয়স, সময় ও কাজ, নল ও চৌবাচ্চা, দূরত্ব ও গতি, সরল সমীকরণ, সংখ্যা, এলসিএম-জিসিএম।

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশবিষয়ক—বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, জাতীয় দিবস, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, ভৌগোলিক পরিচিতি, চলতি ঘটনা, খেলাধুলা, অর্থনীতি, সাহিত্য ও সংস্কৃতি। আন্তর্জাতিক—জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিশ্ব ইতিহাস, বিভিন্ন দেশের মুদ্রা-রাজধানী, সাম্প্রতিক বিশ্ব ঘটনা, গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, ভূগোল, জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার।

 

সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদের প্রস্তুতি

জারিকারক ও অফিস সহায়ক পদের বিষয়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটরের পদের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। একই টপিকের ওপর প্রশ্নের মান সহজ বা কঠিন হতে পারে পদভেদে। এসব বিষয়সহ অতিরিক্ত আরো কিছু বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে।

কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি : কম্পিউটারের মৌলিক ধারণা, হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার সম্পর্কে বেসিক ধারণা, এমএস ওয়ার্ড, এমএস এক্সেল, এমএস পাওয়ার পয়েন্ট, কম্পিউটারের (উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম) দরকারি বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে খুঁটিনাটি ধারণা, ইন্টারনেট ও ই-মেইল, কি-বোর্ড শর্টকাট, নির্দিষ্ট টাইপিং স্পিড (বাংলা ও ইংরেজি), বেসিক নেটওয়ার্কিং ও অন্যান্য প্রযুক্তি জ্ঞান।

সাম্প্রতিক বিষয়াবলি : জাতীয় বাজেট, নির্বাচন, নতুন সরকারি প্রকল্প, আন্তর্জাতিক সংঘাত, খেলাধুলা, প্রযুক্তি, পুরস্কার, অর্থনৈতিক সূচক, গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ ও পদত্যাগ।

 

দায়িত্ব

সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটরের দায়িত্ব—দাপ্তরিক পত্র, নোটশিট, স্মারক, অফিস আদেশ, ফাইল ব্যবস্থাপনা, সরকারি অফিস পদ্ধতি, ই-নথি তৈরি, রিপোর্ট লেখা ও দাপ্তরিক আদেশ পালন। এ ছাড়া টাইপিং ও শর্টহ্যান্ডের কাজ করতে হবে। যেমন—বাংলা ও ইংরেজি টাইপ, বিজয়/অভ্র কি-বোর্ড ব্যবহার, শর্টহ্যান্ড চিহ্ন, ডিকটেশন, ট্রান্সক্রিপশন ও অফিস ডকুমেন্ট টাইপ।

 

দরকারি তথ্য

প্রার্থীর বয়স ১ মে ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী হতে হবে ১৮ থেকে ৩২ বছর। তবে বিভাগীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৪০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।

সাঁটলিপিকার, স্টেনোগ্রাফার, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও গাড়িচালক পদের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ব্যাবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। ব্যাবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

লিখিত পরীক্ষায় এবং কম্পিউটারবিষয়ক ব্যাবহারিক পরীক্ষায় (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) উত্তীর্ণের পর মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রার্থীকে তাঁর সব সনদপত্রের মূল কপি দেখাতে হবে। অনলাইনে দাখিল করা অ্যাপ্লিকেশন ফরমের প্রিন্ট কপিসহ দরকারি সনদ ও কাগজপত্রের সত্যায়িত কপিও দাখিল করতে হবে।

সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে আবেদন করতে হবে। চাকরিরত প্রার্থীদের সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন ফরম পূরণের সময় ‘ডিপার্টমেন্টাল ক্যান্ডিডেট’ অংশে টিক চিহ্ন দিতে হবে। অন্যদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়। তবে সব চাকরিরত প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার সময় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনাপত্তি পত্রের মূল কপি জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো অগ্রিম কপি গ্রহণ করা হবে না।

আবেদনপত্রে প্রার্থী কর্তৃক প্রদত্ত কোনো অসত্য বিবরণ, তথ্য বা দাখিল করা কাগজপত্র জাল, মিথ্যা বা ভুয়া প্রমাণিত হলে এবং পরীক্ষায় নকল বা অসদুপায় অবলম্বন করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। এমনকি প্রার্থী চূড়ান্তভাবে মনোনীত হওয়ার পরও আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। চাকরি পাওয়ার পরও যেকোনো পর্যায়ে তাঁর সনদপত্র বা প্রদত্ত তথ্য অসত্য প্রমাণিত হলে তাঁকে চাকরি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের যাবতীয় বিদ্যমান বিধি-বিধান/আদেশ এবং প্রযোজ্য বিধি-বিধান (সর্বশেষ) যথাযথভাবে অনুসরণ করা হবে। বিস্তারিত—
https://bjsc.gov.bd

♦ চাকরি আছে ডেস্ক

 

 

পদের তালিকা

সাঁটলিপিকার

পদসংখ্যা : ৬২

বেতন স্কেল : ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড ১৩)

স্টেনোগ্রাফার

পদসংখ্যা : ২০

বেতন স্কেল : ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড ১৩)

সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর

পদসংখ্যা : ১৭৩

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড ১৪)

স্টেনোটাইপিস্ট/সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর

পদসংখ্যা : ৭৮

বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড ১৪)

বেঞ্চ সহকারী (ডিজে)

পদসংখ্যা : ১১

বেতন স্কেল: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা (গ্রেড ১৫)

বেঞ্চ সহকারী (সিজেএম/সিএমএম)

পদসংখ্যা : ৬৯

বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২,১০০ টাকা (গ্রেড ১৬)

অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদসংখ্যা : ১২

বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড ১৬)

গাড়িচালক (ডিজে)

পদসংখ্যা : ১২

বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড ১৬)

গাড়িচালক (সিজেএম/সিএমএম)

পদসংখ্যা: ৮

বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড ১৬)

জারিকারক

পদসংখ্যা : ১৩০

বেতন স্কেল : ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা (গ্রেড ১৯)

অফিস সহায়ক

পদসংখ্যা : ২৯৯

বেতন স্কেল : ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড ২০)

নিরাপত্তা প্রহরী (ডিজে)

পদসংখ্যা : ২৬

বেতন স্কেল : ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড ২০)

নিরাপত্তা প্রহরী (সিজেএম/সিএমএম)

পদসংখ্যা : ৬৮

বেতন স্কেল : ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড ২০)

 

গণিতের জন্য বারবার চর্চা | কালের কণ্ঠ