• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর ও শ্রমবাজার চালুর সম্ভাবনা নিয়ে এনএসইউতে ওয়েবিনার

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় হাতেখড়ি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় হাতেখড়ি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের আয়োজনে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো রিসার্চ মেথডোলজি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা। ১৬ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা হল ও জীবনানন্দ দাশ কনফারেন্স হলে এই আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি বিভাগের ১০০ জন থিসিস শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মোহসিনা হোসাইন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। গবেষণা পদ্ধতি, গবেষণা প্রস্তাব প্রণয়ন, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ, গবেষণাপত্র লেখার কৌশল, প্রকাশনা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বিষয়ে কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন, গবেষণার ক্ষেত্র ও পদ্ধতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। গবেষণার প্রতি আগ্রহের পাশাপাশি গবেষণার নৈতিকতা, বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তা-ভাবনা এবং তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা আল মামুন বলেন, এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণাকে এগিয়ে নেবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে গবেষণায় এআই ব্যবহারের সুযোগ ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনমিকস অ্যান্ড সোশিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. বদিউজ্জামান বলেন, স্কুল-কলেজ পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে শেখায়, আর বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সিএসই রিসার্চ ডে ২০২৬

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সিএসই রিসার্চ ডে ২০২৬

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সিএসই রিসার্চ ডে ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গবেষণা, প্রযুক্তি এবং কম্পিউটিংয়ের বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে দিনব্যাপী আলোচনা হয়। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এই আয়োজনে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টরা। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিলআর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, বায়ো-ইনফরমেটিকস, ইউজেবল সিকিউরিটি, প্রাইভেসি, কম্পিউটার ভিশন, ইমেজ প্রসেসিং, রোবটিকস, ব্লকচেইন, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, হিউম্যান-কম্পিউটার ইন্টার‌্যাকশন এবং আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট। দিনের শুরুতে ইন্টার ডিসিপ্লিনারি গবেষণা নিয়ে প্যানেল আলোচনা হয়। কম্পিউটার সায়েন্সের টুলস ও পদ্ধতি কিভাবে জনস্বাস্থ্য, বায়োটেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যায়, এ বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। প্রজেক্ট, ইন্টার্নশিপ এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়েও ছিল আলাদা সেশন। দিনের শেষ সেশনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিং নিয়ে আলোচনা হয়। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড শিক্ষার্থীদের হাতে বেস্ট থিসিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ তুলে দেন। তিনি বলেন, এমন গবেষণা করা দরকার, যা সমাজে পরিবর্তনে ইতিবাচক অবদান রাখে। বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষক ও ইন্ডাস্ট্রি পেশাজীবীরা। উপস্থিত ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন ড. সাদিয়া হামিদ কাজী। আরো উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের প্রফেসর এবং সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের ডিরেক্টর ড. মলয় কান্তি মৃধা, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশিউর‌্যান্স সেলের ডেপুটি ডিরেক্টর ড. স্বাক্ষর শতাব্দ, প্রফেসর ড. তাইয়েবুল হক, প্রফেসর ড. ফরিদা চৌধুরী, প্রফেসর ড. মো. সাদেক ফেরদৌস, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. ফারিগ ইউসুফ সাদেক।

ক্যাম্পাস সংবাদ

শিশুর বিকাশে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন : ববি হাজ্জাজ

শিশুর বিকাশে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন : ববি হাজ্জাজ

শিশুর প্রাথমিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পাঠ্যক্রম ও শিক্ষক উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, প্রাথমিক শৈশব বিকাশে পাঠ্যক্রম সংস্কারকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। ২২ জুন ২০২৬ ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (আইইউবি) আয়োজিত ন্যাশনাল ডায়ালগ অন আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট : পলিসি অ্যান্ড প্র্যাকটিস শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের (এসপিপিএইচ) অধীন পাবলিক হেলথ বিভাগ এই সেমিনারের আয়োজন করে। ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের শেখার প্রক্রিয়ায় মুখস্থনির্ভরতা ও পরীক্ষার ফলাফলের চেয়ে চিন্তাশক্তি, কৌতূহল, যোগাযোগ দক্ষতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার ও শিক্ষা পদ্ধতি আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউবির উপাচার্য ড. ম. তামিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, ট্রাস্টি জাভেদ হোসেন এবং ন্যাশনাল একাডেমি ফর প্রাইমারি এডুকেশনের (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহ্মদ। সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য ম. তামিম বলেন, শিশুর প্রাথমিক বিকাশ ও উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও অংশীজনদের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আইইউবি অত্যন্ত আগ্রহী।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের (বিইএন) ভাইস চেয়ার মাহমুদা আখতার। স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের ডিন ডা. কামরান উল বাসেত শিক্ষক উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আরেকটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পাবলিক হেলথ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার ড. তানভীর আহমেদ। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বিলকিস বানু।

মেডিক্যাল ছাত্রের হাতেই বদলে গেল মালয়েশিয়া

আল সানি
মেডিক্যাল ছাত্রের হাতেই বদলে গেল মালয়েশিয়া
মাহাথির মোহাম্মদ

১৯৪৭ সালের এক তপ্ত দুপুর। সিঙ্গাপুরের কিং এডওয়ার্ড সপ্তম কলেজ অব মেডিসিনের করিডর ধরে হেঁটে যাচ্ছেন চশমা পরা এক তরুণ। চোখে তাঁর পড়াশোনার মোটা বইয়ের চেয়েও বড় কোনো স্বপ্নের ঝিলিক। মালয়েশিয়ার এক প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা মধ্যবিত্ত পরিবারের এই ছেলেটি আর কেউ নন, খোদ মাহাথির মোহাম্মদ। তবে এই করিডরে পা রাখার পেছনের গল্পটা মোটেও সহজ ছিল না। মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের এক কঠোর স্কুল শিক্ষক বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া এই তরুণের রক্তে মিশে ছিল এক মিশ্র শিকড়। তাঁর দাদা ইস্কান্দর কুত্তি ছিলেন দূর ভারতের কেরালার মানুষ, যিনি পরে মালয় এক নারীকে বিয়ে করে স্থায়ী হন এই দেশে। বাবার তীব্র শাসন আর নিয়মানুবর্তিতার মধ্য দিয়ে বড় হওয়া মাহাথিরের জীবন ওলটপালট হয়ে যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। জাপানিরা যখন মালয়া দখল করে নিল, তখন স্কুল-কলেজ সব বন্ধ। কিশোর মাহাথির তখনো দমে যাননি। পরিবারের হাল ধরতে কুয়ালা কেদাহর এক স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেছেন নিজের হাতে তৈরি কলার চপ আর সস্তা খাবার। সেই বাজারের কলার চপ বিক্রেতা কিশোরই হয়েছেন সিঙ্গাপুরের নামি মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র।

মেডিক্যাল ছাত্রের হাতেই বদলে গেল মালয়েশিয়ামাহাথিরের পকেটে সব সময় পর্যাপ্ত টাকা থাকত না, কিন্তু টেবিলে ছিল পড়ার বই আর মনের ভেতর ছিল সমাজকে বদলে দেওয়ার এক তীব্র ছটফটানি। ক্লাসের প্রথম বেঞ্চে বসে অ্যানাটমি আর ফিজিওলজির কঠিন সব টার্ম মুখস্থ করার পাশাপাশি এই তরুণ লাইব্রেরিতে বসে লিখতেন সমসাময়িক রাজনীতি আর সমাজ নিয়ে। চে ডাট ছদ্মনামে সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত পত্রিকা দ্য স্ট্রেইটস টাইমসে যখন তাঁর ধারালো কলামগুলো ছাপা হতো, তখন পুরো ক্যাম্পাসে শোরগোল পড়ে যেত। মেডিক্যালে পড়ুয়া একজন ছাত্রের কলম থেকে এমন সমাজভাবনা বের হতে পারে, তা শিক্ষকরাও ভাবেননি। শুধু লেখালেখিই নয়, ক্যাম্পাসের মালয় স্টুডেন্টস ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেওয়া কিংবা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রতিপক্ষকে যুক্তিতে পরাস্ত করাসবখানেই মুখর ছিলেন তিনি। আর এই ক্যাম্পাসেই জমে উঠেছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়টি। কলেজের একমাত্র মালয় নারী শিক্ষার্থী সিতি হাসমাহ যখন পড়াশোনায় একটু পিছিয়ে পড়তেন, মাহাথির তখন গভীর রাত জেগে নিজের হাতে চমৎকার সব নোট তৈরি করে তাঁকে সাহায্য করতেন। ১৯৫৩ সালে তিনি ডাক্তার হয়ে ক্যাম্পাস ছাড়েন। তখন তাঁর ঝুলিতে শুধু একটি এমবিবিএস ডিগ্রি। কিন্তু মনে ছিল একটি জাতিকে বদলে দেওয়ার অদম্য সাহস। মেডিক্যালের স্টেথোস্কোপ ছেড়ে ১৯৭৪ সালে পুরোদমে রাজনীতিতে নামা এই মানুষটি যখন ১৯৮১ সালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন, দেশ তখন রবার আর টিন উৎপাদনকারী এক সাধারণ কৃষিপ্রধান অঞ্চল। মাহাথির বুঝলেন, পশ্চিমা বিশ্বের করুণা বা প্রেসক্রিপশনের দিকে চেয়ে থাকলে চলবে না, দাঁড়াতে হবে নিজের পায়ে। তিনি ঘোষণা করলেন বিখ্যাত লুক ইস্ট বা পূর্বমুখী নীতি। জাপান আর দক্ষিণ কোরিয়ার কঠোর পরিশ্রমের সংস্কৃতিকে তিনি নিয়ে এলেন নিজের দেশে। তাঁর ২২ বছরের টানা শাসনামলে মালয়েশিয়া এক অবিশ্বাস্য রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যায়। যে দেশ আগে শুধু কাঁচামাল রপ্তানি করত, তারা বনে গেল বিশ্বের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি ও গাড়ি উৎপাদনকারী দেশ। কুয়ালালামপুরের আকাশছোঁয়া পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারস শুধু ইট-পাথরের ইমারত নয়, বরং মাহাথিরের সেই দূরদর্শী চিন্তারই এক দৃশ্যমান রূপ। তবে ইতিহাস গড়া যাঁর স্বভাব, তিনি তো সহজে থামার পাত্র নন। ২০০৩ সালে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার দীর্ঘ ১৫ বছর পর, ২০১৮ সালে যখন দেশের মানুষ আবারও সংকটে পড়ল, তখন ৯২ বছর বয়সে তিনি আবারও রাজনীতির মাঠে ফিরে এলেন। তরুণদের মতো তেজোদীপ্ত হয়ে নির্বাচন জিতে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলেন এবং প্রমাণ করলেন যে বয়স আসলে মনের ইচ্ছার কাছে শুধুই একটি সংখ্যা।