• ই-পেপার

বিফওয়ালা—যেখানে মিলবে গরুর মাংসের সব পদ

  • গরুর মাংস খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ কমই আছে। অনেকেই আছেন, গরুর মাংস হলে তাঁদের আর অন্য কোনো পদের প্রয়োজনই পড়ে না। ঢাকায় এমন একটি রেস্টুরেন্ট আছে, যেখানে ভুনা মাংস, বট ভুনা, কালা ভুনা, মাথার মাংস, মগজ ভুনা, সিনার মাংসের পদ, নলিসহ গরুর বিভিন্ন অংশের পদ পাওয়া যায়। খোঁজ নিয়েছেন আতিফ আতাউর

খোঁজখবর

খোঁজখবর

আজীবন সম্মাননা পেলেন প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পাল

বাংলাদেশের প্রখ্যাত প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পালকে ক্রাফটস ভিলেজেস আজীবন সম্মাননা ২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে ২০ জুন শনিবার ধানমণ্ডির বেঙ্গল শিল্পালয় মিলনায়তনে সম্মাননা হিসেবে স্মারক, ফুলের তোড়া ও এক লাখ টাকা প্রদান করা হয়। হরিপদ পালের জন্ম ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার কুড়লিয়া গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী শিল্পী পরিবারে। দাদু ও বাবার হাত ধরে তাঁর শিল্পচর্চার শুরু। পরে তিনি কলকাতার কুমারটুলিতে প্রতিমা নির্মাণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। স্বাধীনতার প্রাক্কালে দেশে ফিরে পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারে নিজস্ব কর্মশালা প্রতিষ্ঠা করেন। গত ছয় দশকে তিনি অসংখ্য প্রতিমা, ভাস্কর্য ও শিল্পকর্ম নির্মাণ করেছেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পরিষদের সভাপতি চন্দ্রশেখর সাহা, সাধারণ সম্পাদক ফারহানা শারমিন সূচিসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

খোঁজখবর

রঙ বাংলাদেশে বর্ষার পোশাক

বর্ষায় জলজ বাংলার সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক পদ্ম। পদ্ম ফুল আর জলে বৃষ্টির ফোঁটার অপূর্ব দৃশ্যকে পোশাকের নকশায় রূপ দিয়েছে রঙ বাংলাদেশ। সেই নকশায় তারা এনেছে শাড়ি ও পাঞ্জাবির বিশেষ ম্যাচিং সংগ্রহ। শাড়ি ও পাঞ্জাবির এই ম্যাচিং সিরিজে রয়েছে দম্পতিদের জন্য বিশেষ নকশা, যেখানে পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটার সৃষ্ট বৃত্তাকার তরঙ্গও উঠে এসেছে সূক্ষ্ম মোটিফ ও অলংকরণে। ঐতিহ্য ও সমকালীন রুচির মেলবন্ধনে ফুটে উঠেছে বাংলার নিজস্ব বর্ষার রূপ।

 

 

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

আইকনিক নানা রকম হেয়ারকাটে দেখা মিলছে বিশ্বসেরা ফুটবলারদের। তাঁদের হেয়ার স্টাইল ও চুলের যত্ন নিয়ে লিখেছেন সাদিয়া এশা

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

লিওনেল মেসি

হেয়ারকাট : শর্ট ফেড অ্যান্ড টেক্সচার্ট ক্রপ।

সুবিধা : মেসির এই হেয়ারকাট আধুনিক, ক্যাজুয়াল ও ট্রেন্ডি। দীর্ঘক্ষণ ফুটবল খেলার সময় চুল নিয়ে ঘামে ও বাতাসে কষ্ট পোহাতে হয় না। এটি যেমন স্টাইলিশ তেমনি রক্ষণাবেক্ষণ করাও বেশ সহজ। সব ধরনের পোশাক ও পরিবেশে মানানসই এই কাট। মাথার ওপরে ছোট ছাঁটাই করা লেয়ারগুলো চুলে টেক্সচারের প্রাচুর্যতা এনে দিয়েছে। দুই পাশে ফেড করা হেয়ারকাট চুলে সতেজ ও মার্জিত লুক দেয়। খেলার সময় যাতে অসুবিধা না হয়, তাই চুল ছোট রাখেন মেসি। যাঁরা চুল ছোট রাখতে পছন্দ করেন, চুলে পরিপাটি ও মার্জিত লুক চান, তাঁদের জন্য এটি বেশ উপযোগী।

যত্নে যা করেন মেসি : চুলের স্বাভাবিক গঠন ধরে রাখতে অনেক সময় শ্যাম্পু করা থেকে বিরত থাকেন ফুটবলের এই মহাতারকা।

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

নেইমার জুনিয়র

হেয়ারকাট : মেটালিক ব্লন্ড কার্লি আন্ডারকাট।

সুবিধা : নান্দনিক ফ্যাশন তো বটেই, নেইমারের এই হেয়ারকাট দেওয়ার বাস্তব কারণও রয়েছে। ফেডেড সাইড ও মাথার ওপর ছোট কার্লি টপ চুলকে চোখের সামনে আসতে বাধা দেয়। গরমে এবং রেগুলার লাইফে বেশ স্বস্তিদায়ক এই হেয়ারকাট। সেই সঙ্গে ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসী লুক এনে দেয়। খেলার মাঠে স্বাচ্ছন্দ্য মেলে। এই কাটে চুলের পরিচর্যা করা সহজ।

 

যত্নে নেইমার যা করেন : চুলের প্রতি বেশ যত্নশীল নেইমার। চুলে ঘন ঘন ব্লিচিং আর রং করান তিনি। যা আর্দ্রতা কমিয়ে চুলকে রুক্ষ করে। চুল সিল্কি ও মজবুত রাখতে তিনি নিয়মিত ডিপ কন্ডিশনিং ও প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করান। চুলের ধরন বুঝে চুল কাটেন। মাঝে মাঝে চুলের কার্লি বেইস ঠিক রেখে আন্ডারকাট অর্থাত্ ফেড স্টাইল করতেও পছন্দ করেন ব্রাজিলের এই তারকা। চুল রং করালে ভালো ও উন্নত মানসম্মত হেয়ার ডাই ব্যবহার করেন।

 

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

জুড বেলিংহাম

হেয়ারকাট : বাজ কাট উইথ লো টেপার ফেড।

সুবিধা : খুবই পরিষ্কার ও স্মার্ট লুক দেয় চুলের এই কাট। স্টাইলিং করতেও বেশি সময় লাগে না। তীব্র গরমে আরামদায়ক। ব্যস্ত জীবনযাপন দৌড়াদৌড়ি ও খেলাধুলার জন্য বেশ উপযোগী। বেশির ভাগ মুখের গঠনের সঙ্গে মানানসই এই হেয়ার কাট। নিয়মিত ট্রিম করলে পরিপাটি ও মার্জিত দেখায়।

যত্নে যা করেন বেলিংহাম : চুলে স্ট্রং গাঢ় শ্যাম্পু  ব্যবহার এড়িয়ে চলেন। নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার করেন। প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে হালকা হেয়ার ক্রিম ব্যবহার করেন। দু-তিন সপ্তাহ পর পর ফেড অংশ ট্রিম করে ছাঁটাই করান। চুলের স্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ ও পর্যাপ্ত পানি পান করেন।

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

 

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

হেয়ারকাট : স্পাইকি কুইফ উইথ ফেড।

সুবিধা : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর এই হেয়ারকাট মাথা হালকা ও ঠাণ্ডা রাখে। গরমে স্বস্তি দেয়। পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি লুক বাড়তি মানসিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস জোগায়। পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি ওভাল, বর্গাকার, আয়তাকার  গড়নের মুখের পুরুষদের জন্য মানানসই। ফরমাল ও ক্যাজুয়াল লুকের সঙ্গে ভালো মানায়।

যত্নে যা করেন রোনালদো: জেল লাগিয়ে চুলগুলো পেছনের দিকে আঁচড়ে রাখেন। নিজস্ব হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ব্র্যান্ড ইন্সপারিয়ায় চুলের ট্রিটমেন্ট করান। ক্লিনিক মেন লিজেন্ড বাই সি আর সেভেন নামে বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার করেন।

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

উসমান দেম্বেলে

হেয়ারকাট : মিড ফেড উইথ শর্ট কার্লি টপ।

সুবিধা : উসমানের এই হেয়ারকাটে দুই পাশ ও পেছনের চুল ছোট, আর ওপরের চুল প্রাকৃতিকভাবে কোঁকড়ানো অবস্থায় রাখা হয়। তাই এটি পরিপাটি ও আধুনিক লুক দেয়। কোঁকড়ানো চুলে এটি বেশ মানানসই। খেলাধুলা ও দৌড়ানোর সময় আরামদায়ক এই হেয়ার কাট। প্রতিদিন স্টাইল ও যত্ন করা সহজ।

যত্নে যা করেন দেম্বেলে : চুলে নিয়মিত শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করেন। কোঁকড়ানো চুলের জন্য বিশেষ কন্ডিশনার বা কার্ল ক্রিম ব্যবহার করেন। মাঝেমধ্যে চুলে তেল ব্যবহার করেন। দুই সপ্তাহ পর পর পেছনে ও দুই পাশ ট্রিম করান। অতিরিক্ত হিট ব্যবহার এড়িয়ে চলেন।

 

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

কিলিয়ান এমবাপ্পে

হেয়ারকাট : লো টেপার ফেড।

সুবিধা : এটি ছোট চুলের স্টাইল। বেশ স্টাইলিশ ও আধুনিক দেয়। গরমে আরামদায়ক। সহজে পরিচর্যা করা যায়। যেকোনো আউটফিটের সঙ্গে মানানসই। চুলের যত্নে কম সময় লাগে। হেয়ার প্রডাক্টও কম লাগে। ঘাম ও ধুলাবালি থেকে চুলকে মুক্ত রাখে। দীর্ঘক্ষণ মাঠে দৌড়ালেও চুল এলোমেলো হয় না।

যত্নে যা করেন এমবাপ্পে : অত্যন্ত সচেতনভাবে চুলের স্টাইলিং করান এমবাপ্পে। নিয়মিত বাজড ফেড হেয়ারলাইন বা নিখুঁত ফ্রেশ ট্রিমড করেন। নিয়মিত চুল কাটান ও রং করান। উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে নিয়মিত প্রফেশনাল হেয়ার প্রডাক্ট ব্যবহার করেন ফ্রান্সের এই তারকা।

 

 

গৃহকাজের কাজি

কিছু হ্যাকস জানা থাকলে কাজ করা সহজ হয়। ফেলনা জিনিস দিয়েও তৈরি করা যায় দরকারি কিছু। এমন কিছু উপায় জানাচ্ছেন আয়েশা সিদ্দিকা স্বর্ণা

গৃহকাজের কাজি

*   কচুশাক বা ওলকচু রান্নার সময় ভয়ে থাকেন গৃহিণীরা। খাওয়ার পর গলা চুলকাবে না তো! এই সমস্যার সমাধান পেতে রান্নার সময় সামান্য তেঁতুল ব্যবহার করুন। আরেকটি উপায়ও আছে। খাবার সময় খানিকটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। গলা চুলকাবে না।

*  দ্রুত সিদ্ধ হওয়ার জন্য তরকারি ছোট টুকরা করেই কাটার অভ্যাস গৃহিণীদের। অথচ জানেন কি এতে তরকারির বেশির ভাগ পুষ্টিই হারিয়ে যায়। তাই খাবারের খাদ্যগুণ ঠিক রাখতে তরকারি বড় বড় টুকরা করে কাটুন।

*   বেগুন ও কাঁচকলা কেটে রাখলে কালো হয়ে যায়। এই সমস্যা দূর করতে পানিতে সামান্য দই মিশিয়ে কাটা কাঁচকলা ও বেগুন ডুবিয়ে রাখুন। আর কালো হবে না।

*    পেঁয়াজ-রসুন কাটার পর হাতে গন্ধ থাকে। এটি দূর করতে হাতে সামান্য লেবুর রস বা সরিষার তেল মাখুন। তারপর হাত ধুয়ে নিন।

* ফ্রিজে মাছ রাখার আগে লবণ, হলুদ ও সামান্য ভিনেগার দিয়ে তারপর রাখুন। এভাবে রাখলে বাসি ও আঁশটে গন্ধ হবে না।

*  চিংড়ি মাছ গন্ধ হলে রান্না করার আধাঘণ্টা আগে লেবুর রস ও সামান্য লবণ মাখিয়ে রাখুন। এরপর পরিষ্কার করে ধুয়ে রান্না করুন। মাছ বা অন্যান্য সামুদ্রিক খাবার রান্নার সময় এভাবে লেবু-লবণ মাখিয়ে ধুয়ে নিন। আঁশটে গন্ধ হবে না।

*    আচার শেষ হয়ে গেলে বোতল পরিষ্কার করার পরও গন্ধ থাকে। ম্যাচের কাঠি জ্বালিয়ে বোতলে ফেলে ঢাকনা বন্ধ করে রাখুন। কিছুক্ষণ পর সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, গন্ধ থাকবে না।

*   কাঁচা মুগডাল ভেজে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, তাহলে ডালের রং আর কালো হবে না। রান্নার সময় দ্রুত সিদ্ধ হবে।

*   পাউরুটি, জিলাপি বানানোর ইস্ট বাসায়ই বানান। বাটিতে ময়দা গুলিয়ে তিন দিন রেখে শুকিয়ে নিন। যখন দরকার হবে এখান থেকে নিয়ে ব্যবহার করুন।

*  পাউরুটি বেশিদিনের বাসি হয়ে গেলে ফেলে দেবেন না, রোদে শুকিয়ে গুঁড়া করে বোতলে ভরে রাখুন। যখন ব্রেডক্রাম লাগবে, তখন ব্যবহার করুন।

*   লেবুর খোসা ফেলে দেবেন না। ছোট ছোট টুকরা করে গুঁড়া সাবানের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। সাবানের খরচও কমবে, কাপড়ও ঝকঝকে হবে।

*  বালতি বা অন্য কোনো প্লাস্টিকের জিনিসে মরচের দাগ পড়লে তারপিনের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে ঘষুন, দাগ উঠে যাবে।

রাতজাগা ত্বক ও চোখের যত্ন

রাতজাগা ত্বক ও চোখের যত্ন
রাত জাগলে দিনে ঘুমিয়ে পুষিয়ে নিন। এবং ত্বকের যত্ন করুন। মডেল : কনিকা। ছবি : এটুজেড

প্রিয় দলের খেলা উপভোগ করতে রাতভর জেগে থাকা এখন অনেকের কাছে এক সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু বিনোদন বা প্রয়োজনের তাগিদে গড়ে ওঠা এই অভ্যাসের মূল্য দিতে হচ্ছে শরীরকে। নিয়মিত রাত জাগা মানুষের স্বাভাবিক জৈবিক ঘড়ি বা ‘বডি ক্লক’-এর কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটায়। ফলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ছন্দঃপতন ঘটে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ত্বক, চোখ, মস্তিষ্ক ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর। ঘুমের অভাবে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, ব্রণের প্রকোপ বৃদ্ধি, ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলা এবং চোখের নিচে কালচে দাগ পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। একই সঙ্গে চোখে জ্বালাপোড়া, শুষ্কতা, ঝাপসা দেখা এবং সার্বক্ষণিক ক্লান্তিবোধও বাড়তে পারে।

ঘুম শুধু শরীরকে বিশ্রাম দেয় না, বরং কোষ পুনর্গঠন, হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই কাজের প্রয়োজন কিংবা বিনোদনের আকর্ষণে রাত জাগতে হলেও নিজের শারীরিক সুস্থতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি। বিশ্বকাপের খেলা, রাতের শিফট কিংবা ব্যক্তিগত অভ্যাস, যে কারণেই রাত জাগুন না কেন, কিছু সচেতনতা আপনাকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে পারে।

ত্বকের যত্নে যা করবেন

*    পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

*    ঘুমানোর আগে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।

*    হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

*    ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল খান।

*    দিনে বাইরে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

চোখের যত্নে করণীয়

*    প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোনো কিছুর দিকে তাকান।

*    নিয়মিত পলক ফেলুন।

*    পর্যাপ্ত আলোতে খেলা দেখুন।

*    চোখ শুষ্ক লাগলে কৃত্রিম অশ্রু বা আই ড্রপ ব্যবহারের বিষয়ে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

*    খেলা শেষ হওয়ার পর কয়েক মিনিট চোখ বন্ধ রেখে বিশ্রাম দিন।

*    প্রয়োজনে ব্লু লাইট ব্লকার গ্লাস ব্যবহার করুন।

ঘুমের পরিকল্পনা

*    প্রতিদিন সম্ভব হলে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে ও জাগতে চেষ্টা করুন।

*    রাত জাগতে হলে দিনে ২০ থেকে ৩০ মিনিটের ছোট পাওয়ার ন্যাপ নিতে পারেন।

*    ঘুমের পরিবেশ শান্ত, অন্ধকার ও শীতল রাখুন।

*    ঘুমানোর আগে চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংক এড়িয়ে চলুন।

খেলা দেখার সময়

রাতের বেলা ভারী খাবার খাওয়া শরীরের স্বাভাবিক মেটাবলিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে। কারণ রাতে শরীর বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। ফলে ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি তুলনামূলকভাবে কমে যায় এবং গ্লুকোজ প্রক্রিয়াকরণও দিনের তুলনায় কম কার্যকর হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বিশেষ করে নাইট শিফটে কাজ করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে গভীর রাতে নিয়মিত বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ ওজন বৃদ্ধি, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং হূদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই রাত জেগে কাজ বা খেলা দেখার সময় ভারী ও তেল-চর্বিযুক্ত খাবারের পরিবর্তে হালকা ও পুষ্টিকর স্ন্যাকস বেছে নিন।

যা খাবেন

*    মৌসুমি ফল; যেমনআপেল, কমলা, পেয়ারা বা তরমুজ খেতে পারেন।

*    বাদাম, কাঠবাদাম, আখরোট ও কুমড়ার বীজ ভালো বিকল্প।

*    ঘরে তৈরি স্যান্ডউইচ, সালাদ বা হালকা স্যুপ খেতে পারেন।

*    অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।

*    ডিম খেতে পারেন।

*    দুধ ও দই খেতে পারেন।

*    সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজ।

সারা দিন ত্বকের কোষে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়, তা মেরামতের কাজ শুরু হয় রাতের বেলা। এই প্রক্রিয়াকে ত্বকের রিজেনারেশন বা পুনর্জন্ম প্রক্রিয়া বলা হয়। রাত জাগা যদি একেবারেই এড়ানো না যায়, তবে পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য, পানি পান এবং চোখ-ত্বকের সঠিক যত্নের মাধ্যমে এর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব। বিশ্বকাপের উত্তেজনা উপভোগ করুন, তবে নিজের স্বাস্থ্যের দিকেও সমান নজর রাখুন।