• ই-পেপার

রাতজাগা ত্বক ও চোখের যত্ন

বিফওয়ালা—যেখানে মিলবে গরুর মাংসের সব পদ

গরুর মাংস খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ কমই আছে। অনেকেই আছেন, গরুর মাংস হলে তাঁদের আর অন্য কোনো পদের প্রয়োজনই পড়ে না। ঢাকায় এমন একটি রেস্টুরেন্ট আছে, যেখানে ভুনা মাংস, বট ভুনা, কালা ভুনা, মাথার মাংস, মগজ ভুনা, সিনার মাংসের পদ, নলিসহ গরুর বিভিন্ন অংশের পদ পাওয়া যায়। খোঁজ নিয়েছেন আতিফ আতাউর

বিফওয়ালা—যেখানে মিলবে গরুর মাংসের সব পদ
প্রাকৃতিক ও ছিমছাম পরিবেশটাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বিফওয়ালা রেস্টুরেন্টের ইন্টেরিয়র সজ্জায়। ছবি : বিফওয়ালা

খুবই সাদামাটা একটি রেস্টুরেন্ট। তবে তাতে পদের অভাব নেই। লাল ভুনা, কালা ভুনা, কলিজা ভুনা, মগজ ভুনা, পায়া, নলি, ভুঁড়ি ভুনা, ঝুরা মাংস, ডালগোশত, মাংসের আচার, কি পাবেন না এখানে! গরম গরম পরোটা কিংবা ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে এখানকার স্পেশাল বিফ ভুনার জন্যও আলাদা পরিচিত বিফওয়ালা। সকালের নাশতা এবং দুপুর ও রাতের খাবারের আয়োজন রয়েছে এখানে। আছে বিশেষ থালি, যেখানে পাবেন ১০ ধরনের গরুর মাংসের আইটেম। একজনের থালির দাম ৭৯০ টাকা, তিনজনের থালি দুই হাজার ২৫০ টাকা, চারজনের থালির দাম দুই হাজার ৯৯০ টাকা। তবে একজনের থালিতে নলি পাবেন না। এ জন্য আলাদা অর্ডার করতে হবে। আগে শুধু শুক্রবারে থালির আয়োজন থাকলেও এখন প্রতিদিন পাওয়া যায়। নিজেদের খামারের গরুর মাংস দিয়ে রান্না করা হয় এখানকার প্রতিটি পদ। এ জন্য খাবারের স্বাদও হয় অন্য সব রেস্টুরেন্টের চেয়ে আলাদা।

বিফওয়ালা—যেখানে মিলবে গরুর মাংসের সব পদ

প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আবুল হাসনাত। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ, এমবিএ সম্পন্ন করে কিছুদিন চাকরি করেছেন। এরপর উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। তিনি বলেন, আমাদের খামারের গরুর যত্ন, খাবার থেকে স্বাস্থ্যসবকিছু আমরা নিজেরাই মেইনটেন করি। এ জন্য খাবারের মানে কোনো হেরফের হয় না। আপনি যখন বিফওয়ালার লাল ভুনা, নেহারি, কলিজা ভুনা, স্পেশাল বিফ আচার, নলি বা মগজ ভুনা খান, নিশ্চিত থাকতে পারেন যে প্রতিটি টুকরা এসেছে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সঠিক যত্ন ও মান নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়েই। আমরা বিশ্বাস করি, মাংসের স্বাদ শুরু হয় এর উত্স থেকে। এখানে লাকড়ির চুলায় রান্না করা হয়।

বিফওয়ালা—যেখানে মিলবে গরুর মাংসের সব পদ
নিজস্ব খামারের গরুর মাংস দিয়ে রান্না করা পদ পরিবেশন করা হয় রেস্টুরেন্টটিতে।

ফার্ম টু প্লেটএই মূলনীতি নিয়ে ২০২৪ সালে যাত্রা শুরু করে বিফওয়ালা। আহলান অ্যাগ্রোর এক্সটেনশন এবং এক্সপেরিমেন্টাল প্রজেক্ট হচ্ছে বিফওয়ালা। এই অ্যাগ্রোতে দেশি ষাঁড় গরু নিরাপদ খাবারে লালন-পালন করে মাংস বিক্রি করা হয়। মাংস বিক্রি করতে গিয়েই রেস্টুরেন্টের ভাবনা আসে হাসনাতের মাথায়। এর পরই শুরু হয় বিফওয়ালার কার্যক্রম। তিনি বলেন, মাংস বিক্রির পর অনেক সময় কলিজা, ফোপড়া ও মগজ বেঁচে যেত। অথচ এগুলোর চাহিদাই বেশি। আমাদের স্টাফ আছেন ২০ জনের মতো। তাদের জন্য রান্না করতে হতো। তার সঙ্গে আরো কিছু বাড়তি মাংস নিয়ে শুরু করি রান্না করে বিক্রি করা মাংসের পদ।

বিফওয়ালা—যেখানে মিলবে গরুর মাংসের সব পদ
রেস্টুরেন্টের বাইরে খোলা পরিবেশেও রয়েছে খাবার খাওয়ার ব্যবস্থা। এখান থেকে অনলাইনেও খাবার কিনতে পারেন ক্রেতারা।

শুরুতে বিফ ফেস্ট আয়োজন করতে চেয়েছিলেন তাঁরা। দেশের ঐতিহ্যবাহী পদ নিয়ে বুফে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু বুফেতে খাবার অপচয় ভেবে থালি কনসেপ্ট বেছে নেন। সুন্দর ছিমছাম প্রাকৃতিক পরিসরে ছোট্ট এই রেস্টুরেন্টের পরিবেশ ভালো লাগবে সবারই। লোকেশন বেশ ভেতরে। এটি নিয়ে বেশ দোলাচলে ছিলেন যে ক্রেতারা আসবেন কি না। কিন্তু খাবার ভালো হলে ইলিশ খেতে মানুষ মাওয়ায় যায়। তবে বসিলায় আসবে না কেন? এই আশাই সাহস জুগিয়েছে হাসনাতকে। লোকেশন বা ইন্টেরিয়রের চেয়ে খাবারের মান ও ভিন্নতাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। ভিন্নতা আনতে চালু করেন গরুর পা থেকে মাথা পর্যন্ত সব অংশের মাংসের রান্না দিয়ে ১০ পদের থালি। এই থালির খোঁজে প্রতিনিয়ত ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে ভোজনরসিকরা চলে আসেন এখানে। তিনি বলেন, অনেকেই বেশি প্রত্যাশা নিয়ে এসে বাঁশ, কাঠ দিয়ে তৈরি এবং এসিবিহীন ইন্টেরিয়র দেখে হতাশ হন। সামনের কাঁচা রাস্তা সেই হতাশার পারদ আরো চড়িয়ে দেয়। তবে খাবার মুখে দিলে নিমেষেই তাঁদের বিরক্তি উবে যায়। এটিই আমাদের বড় পাওয়া। তিনি জানান শিগগিরই শ্যামলীতে দ্বিতীয় আউটলেট চালু হবে বিফওয়ালার।

উদ্যোক্তাদের মূল ব্যবসা গরুর ফার্ম। রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন আহলান অ্যাগ্রোতে দেশি ষাঁড়, দুধেল গাই, বাছুর, ঘোড়া, ছাগল, খরগোশ, বিড়াল, কবুতর, গাড়ল ও ভেড়া দেখতে পাবেন। আপনার সন্তানকে গ্রামীণ পরিবেশে এসব পশুপাখির সঙ্গে পরিচয় করাতেও ঢু মারতে পারেন বিফওয়ালায়।

লোকেশন : বসিলা গার্ডেন সিটি

বসিলা, মোহাম্মদপুর।

যোগাযোগ : ০১৭৫৭-০৩১৪৪০

 

 

 

 

 

 

খোঁজখবর

খোঁজখবর

আজীবন সম্মাননা পেলেন প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পাল

বাংলাদেশের প্রখ্যাত প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পালকে ক্রাফটস ভিলেজেস আজীবন সম্মাননা ২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে ২০ জুন শনিবার ধানমণ্ডির বেঙ্গল শিল্পালয় মিলনায়তনে সম্মাননা হিসেবে স্মারক, ফুলের তোড়া ও এক লাখ টাকা প্রদান করা হয়। হরিপদ পালের জন্ম ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার কুড়লিয়া গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী শিল্পী পরিবারে। দাদু ও বাবার হাত ধরে তাঁর শিল্পচর্চার শুরু। পরে তিনি কলকাতার কুমারটুলিতে প্রতিমা নির্মাণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। স্বাধীনতার প্রাক্কালে দেশে ফিরে পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারে নিজস্ব কর্মশালা প্রতিষ্ঠা করেন। গত ছয় দশকে তিনি অসংখ্য প্রতিমা, ভাস্কর্য ও শিল্পকর্ম নির্মাণ করেছেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পরিষদের সভাপতি চন্দ্রশেখর সাহা, সাধারণ সম্পাদক ফারহানা শারমিন সূচিসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

খোঁজখবর

রঙ বাংলাদেশে বর্ষার পোশাক

বর্ষায় জলজ বাংলার সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক পদ্ম। পদ্ম ফুল আর জলে বৃষ্টির ফোঁটার অপূর্ব দৃশ্যকে পোশাকের নকশায় রূপ দিয়েছে রঙ বাংলাদেশ। সেই নকশায় তারা এনেছে শাড়ি ও পাঞ্জাবির বিশেষ ম্যাচিং সংগ্রহ। শাড়ি ও পাঞ্জাবির এই ম্যাচিং সিরিজে রয়েছে দম্পতিদের জন্য বিশেষ নকশা, যেখানে পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটার সৃষ্ট বৃত্তাকার তরঙ্গও উঠে এসেছে সূক্ষ্ম মোটিফ ও অলংকরণে। ঐতিহ্য ও সমকালীন রুচির মেলবন্ধনে ফুটে উঠেছে বাংলার নিজস্ব বর্ষার রূপ।

 

 

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

আইকনিক নানা রকম হেয়ারকাটে দেখা মিলছে বিশ্বসেরা ফুটবলারদের। তাঁদের হেয়ার স্টাইল ও চুলের যত্ন নিয়ে লিখেছেন সাদিয়া এশা

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

লিওনেল মেসি

হেয়ারকাট : শর্ট ফেড অ্যান্ড টেক্সচার্ট ক্রপ।

সুবিধা : মেসির এই হেয়ারকাট আধুনিক, ক্যাজুয়াল ও ট্রেন্ডি। দীর্ঘক্ষণ ফুটবল খেলার সময় চুল নিয়ে ঘামে ও বাতাসে কষ্ট পোহাতে হয় না। এটি যেমন স্টাইলিশ তেমনি রক্ষণাবেক্ষণ করাও বেশ সহজ। সব ধরনের পোশাক ও পরিবেশে মানানসই এই কাট। মাথার ওপরে ছোট ছাঁটাই করা লেয়ারগুলো চুলে টেক্সচারের প্রাচুর্যতা এনে দিয়েছে। দুই পাশে ফেড করা হেয়ারকাট চুলে সতেজ ও মার্জিত লুক দেয়। খেলার সময় যাতে অসুবিধা না হয়, তাই চুল ছোট রাখেন মেসি। যাঁরা চুল ছোট রাখতে পছন্দ করেন, চুলে পরিপাটি ও মার্জিত লুক চান, তাঁদের জন্য এটি বেশ উপযোগী।

যত্নে যা করেন মেসি : চুলের স্বাভাবিক গঠন ধরে রাখতে অনেক সময় শ্যাম্পু করা থেকে বিরত থাকেন ফুটবলের এই মহাতারকা।

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

নেইমার জুনিয়র

হেয়ারকাট : মেটালিক ব্লন্ড কার্লি আন্ডারকাট।

সুবিধা : নান্দনিক ফ্যাশন তো বটেই, নেইমারের এই হেয়ারকাট দেওয়ার বাস্তব কারণও রয়েছে। ফেডেড সাইড ও মাথার ওপর ছোট কার্লি টপ চুলকে চোখের সামনে আসতে বাধা দেয়। গরমে এবং রেগুলার লাইফে বেশ স্বস্তিদায়ক এই হেয়ারকাট। সেই সঙ্গে ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসী লুক এনে দেয়। খেলার মাঠে স্বাচ্ছন্দ্য মেলে। এই কাটে চুলের পরিচর্যা করা সহজ।

 

যত্নে নেইমার যা করেন : চুলের প্রতি বেশ যত্নশীল নেইমার। চুলে ঘন ঘন ব্লিচিং আর রং করান তিনি। যা আর্দ্রতা কমিয়ে চুলকে রুক্ষ করে। চুল সিল্কি ও মজবুত রাখতে তিনি নিয়মিত ডিপ কন্ডিশনিং ও প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করান। চুলের ধরন বুঝে চুল কাটেন। মাঝে মাঝে চুলের কার্লি বেইস ঠিক রেখে আন্ডারকাট অর্থাত্ ফেড স্টাইল করতেও পছন্দ করেন ব্রাজিলের এই তারকা। চুল রং করালে ভালো ও উন্নত মানসম্মত হেয়ার ডাই ব্যবহার করেন।

 

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

জুড বেলিংহাম

হেয়ারকাট : বাজ কাট উইথ লো টেপার ফেড।

সুবিধা : খুবই পরিষ্কার ও স্মার্ট লুক দেয় চুলের এই কাট। স্টাইলিং করতেও বেশি সময় লাগে না। তীব্র গরমে আরামদায়ক। ব্যস্ত জীবনযাপন দৌড়াদৌড়ি ও খেলাধুলার জন্য বেশ উপযোগী। বেশির ভাগ মুখের গঠনের সঙ্গে মানানসই এই হেয়ার কাট। নিয়মিত ট্রিম করলে পরিপাটি ও মার্জিত দেখায়।

যত্নে যা করেন বেলিংহাম : চুলে স্ট্রং গাঢ় শ্যাম্পু  ব্যবহার এড়িয়ে চলেন। নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার করেন। প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে হালকা হেয়ার ক্রিম ব্যবহার করেন। দু-তিন সপ্তাহ পর পর ফেড অংশ ট্রিম করে ছাঁটাই করান। চুলের স্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ ও পর্যাপ্ত পানি পান করেন।

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

 

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

হেয়ারকাট : স্পাইকি কুইফ উইথ ফেড।

সুবিধা : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর এই হেয়ারকাট মাথা হালকা ও ঠাণ্ডা রাখে। গরমে স্বস্তি দেয়। পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি লুক বাড়তি মানসিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস জোগায়। পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি ওভাল, বর্গাকার, আয়তাকার  গড়নের মুখের পুরুষদের জন্য মানানসই। ফরমাল ও ক্যাজুয়াল লুকের সঙ্গে ভালো মানায়।

যত্নে যা করেন রোনালদো: জেল লাগিয়ে চুলগুলো পেছনের দিকে আঁচড়ে রাখেন। নিজস্ব হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ব্র্যান্ড ইন্সপারিয়ায় চুলের ট্রিটমেন্ট করান। ক্লিনিক মেন লিজেন্ড বাই সি আর সেভেন নামে বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার করেন।

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

উসমান দেম্বেলে

হেয়ারকাট : মিড ফেড উইথ শর্ট কার্লি টপ।

সুবিধা : উসমানের এই হেয়ারকাটে দুই পাশ ও পেছনের চুল ছোট, আর ওপরের চুল প্রাকৃতিকভাবে কোঁকড়ানো অবস্থায় রাখা হয়। তাই এটি পরিপাটি ও আধুনিক লুক দেয়। কোঁকড়ানো চুলে এটি বেশ মানানসই। খেলাধুলা ও দৌড়ানোর সময় আরামদায়ক এই হেয়ার কাট। প্রতিদিন স্টাইল ও যত্ন করা সহজ।

যত্নে যা করেন দেম্বেলে : চুলে নিয়মিত শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করেন। কোঁকড়ানো চুলের জন্য বিশেষ কন্ডিশনার বা কার্ল ক্রিম ব্যবহার করেন। মাঝেমধ্যে চুলে তেল ব্যবহার করেন। দুই সপ্তাহ পর পর পেছনে ও দুই পাশ ট্রিম করান। অতিরিক্ত হিট ব্যবহার এড়িয়ে চলেন।

 

মেসি-নেইমারদের চুলের কাট

কিলিয়ান এমবাপ্পে

হেয়ারকাট : লো টেপার ফেড।

সুবিধা : এটি ছোট চুলের স্টাইল। বেশ স্টাইলিশ ও আধুনিক দেয়। গরমে আরামদায়ক। সহজে পরিচর্যা করা যায়। যেকোনো আউটফিটের সঙ্গে মানানসই। চুলের যত্নে কম সময় লাগে। হেয়ার প্রডাক্টও কম লাগে। ঘাম ও ধুলাবালি থেকে চুলকে মুক্ত রাখে। দীর্ঘক্ষণ মাঠে দৌড়ালেও চুল এলোমেলো হয় না।

যত্নে যা করেন এমবাপ্পে : অত্যন্ত সচেতনভাবে চুলের স্টাইলিং করান এমবাপ্পে। নিয়মিত বাজড ফেড হেয়ারলাইন বা নিখুঁত ফ্রেশ ট্রিমড করেন। নিয়মিত চুল কাটান ও রং করান। উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে নিয়মিত প্রফেশনাল হেয়ার প্রডাক্ট ব্যবহার করেন ফ্রান্সের এই তারকা।

 

 

গৃহকাজের কাজি

কিছু হ্যাকস জানা থাকলে কাজ করা সহজ হয়। ফেলনা জিনিস দিয়েও তৈরি করা যায় দরকারি কিছু। এমন কিছু উপায় জানাচ্ছেন আয়েশা সিদ্দিকা স্বর্ণা

গৃহকাজের কাজি

*   কচুশাক বা ওলকচু রান্নার সময় ভয়ে থাকেন গৃহিণীরা। খাওয়ার পর গলা চুলকাবে না তো! এই সমস্যার সমাধান পেতে রান্নার সময় সামান্য তেঁতুল ব্যবহার করুন। আরেকটি উপায়ও আছে। খাবার সময় খানিকটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। গলা চুলকাবে না।

*  দ্রুত সিদ্ধ হওয়ার জন্য তরকারি ছোট টুকরা করেই কাটার অভ্যাস গৃহিণীদের। অথচ জানেন কি এতে তরকারির বেশির ভাগ পুষ্টিই হারিয়ে যায়। তাই খাবারের খাদ্যগুণ ঠিক রাখতে তরকারি বড় বড় টুকরা করে কাটুন।

*   বেগুন ও কাঁচকলা কেটে রাখলে কালো হয়ে যায়। এই সমস্যা দূর করতে পানিতে সামান্য দই মিশিয়ে কাটা কাঁচকলা ও বেগুন ডুবিয়ে রাখুন। আর কালো হবে না।

*    পেঁয়াজ-রসুন কাটার পর হাতে গন্ধ থাকে। এটি দূর করতে হাতে সামান্য লেবুর রস বা সরিষার তেল মাখুন। তারপর হাত ধুয়ে নিন।

* ফ্রিজে মাছ রাখার আগে লবণ, হলুদ ও সামান্য ভিনেগার দিয়ে তারপর রাখুন। এভাবে রাখলে বাসি ও আঁশটে গন্ধ হবে না।

*  চিংড়ি মাছ গন্ধ হলে রান্না করার আধাঘণ্টা আগে লেবুর রস ও সামান্য লবণ মাখিয়ে রাখুন। এরপর পরিষ্কার করে ধুয়ে রান্না করুন। মাছ বা অন্যান্য সামুদ্রিক খাবার রান্নার সময় এভাবে লেবু-লবণ মাখিয়ে ধুয়ে নিন। আঁশটে গন্ধ হবে না।

*    আচার শেষ হয়ে গেলে বোতল পরিষ্কার করার পরও গন্ধ থাকে। ম্যাচের কাঠি জ্বালিয়ে বোতলে ফেলে ঢাকনা বন্ধ করে রাখুন। কিছুক্ষণ পর সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, গন্ধ থাকবে না।

*   কাঁচা মুগডাল ভেজে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, তাহলে ডালের রং আর কালো হবে না। রান্নার সময় দ্রুত সিদ্ধ হবে।

*   পাউরুটি, জিলাপি বানানোর ইস্ট বাসায়ই বানান। বাটিতে ময়দা গুলিয়ে তিন দিন রেখে শুকিয়ে নিন। যখন দরকার হবে এখান থেকে নিয়ে ব্যবহার করুন।

*  পাউরুটি বেশিদিনের বাসি হয়ে গেলে ফেলে দেবেন না, রোদে শুকিয়ে গুঁড়া করে বোতলে ভরে রাখুন। যখন ব্রেডক্রাম লাগবে, তখন ব্যবহার করুন।

*   লেবুর খোসা ফেলে দেবেন না। ছোট ছোট টুকরা করে গুঁড়া সাবানের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। সাবানের খরচও কমবে, কাপড়ও ঝকঝকে হবে।

*  বালতি বা অন্য কোনো প্লাস্টিকের জিনিসে মরচের দাগ পড়লে তারপিনের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে ঘষুন, দাগ উঠে যাবে।